সকাল ১১:৩০:০০
| সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
লোড হচ্ছে...
নামাজ লোড...
বিজ্ঞাপন

হেডার বিজ্ঞাপন স্লট

728×90 Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
নোটিশ
নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা। নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা।
ব্রেকিং নিউজ
আমিনবাজার রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনারের বড় বোনের মৃত্যুতে আমিনবাজার রাজস্ব সার্কেল ও জেটিভি নিউজ বাংলার শোক প্রকাশ মিরপুরে বিক্ষোভকারীদের হামলায় পুলিশ সদস্য আহত, মাটিতে ফেলে পেটানোর ঘটনা মিরপুরজুড়ে আতঙ্ক, তিন দিন ধরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে বিপর্যস্ত জনজীবন মিরপুরে তৃতীয় দিনের মতো পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ রাজধানীতে আজ শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী সোলার এক্সপো, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির বাজারে আবারও আগুন! ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২২৩ টাকা বৃদ্ধি, নতুন দাম ২ হাজার ৬০ টাকা আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভে উত্তাল শিল্পাঞ্চল, কাভার্ডভ্যানে আগুন পোশাকশিল্পে শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন, জড়িত শিল্পমালিকদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জেলা-উপজেলা:

দৈনিক ইনফো ও সেটিংস

আজকের তারিখ ও পঞ্জিকা

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আবহাওয়া ও নামাজের সময়

লোড হচ্ছে...

নামাজ লোড...

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

📍 জেলা ও উপজেলা ফিল্টার

সাভারে এসআই আলতাফ হত্যা: মূলহোতাসহ ৮ আসামি গ্রেপ্তার, কিশোর গ্যাং ও মাদক সংশ্লিষ্টতার দাবি র‍্যাবের

সাভারে এসআই আলতাফ হত্যা: মূলহোতাসহ ৮ আসামি গ্রেপ্তার, কিশোর গ্যাং ও মাদক সংশ্লিষ্টতার দাবি র‍্যাবের
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ ব্যানার বিজ্ঞাপন

৪১২×৯০ Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সাভারে এসআই আলতাফ হত্যা: মূলহোতাসহ ৮ আসামি গ্রেপ্তার, কিশোর গ্যাং ও মাদক সংশ্লিষ্টতার দাবি র‍্যাবের

ঢাকার সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশী এলাকায় পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) উপপরিদর্শক (এসআই) আলতাফ হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় এজাহারনামীয় আট আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। গ্রেপ্তারদের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের মূলহোতাও রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

র‍্যাবের দাবি, এ ঘটনায় জড়িতরা কিশোর গ্যাংসহ নানা ধরনের অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। ঘটনার সময় অভিযুক্তরা নেশাগ্রস্ত ছিল। তবে এসআই আলতাফ হোসেনকে পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিকল্পিতভাবে টার্গেট করে হত্যা করা হয়নি। একটি অপরাধের ঘটনায় বাধা দিতে গিয়ে ঘটনাচক্রে তিনি হামলার শিকার হন।

সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাব-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

যেভাবে গ্রেপ্তার ৮ আসামি

র‍্যাব জানায়, র‍্যাব-১০-এর সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল রবিবার রাতে গোয়েন্দা নজরদারি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মুন্সীগঞ্জ সদর থানাধীন লঞ্চঘাট এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এজাহারনামীয় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—আলাউদ্দিন (২৬), আপন (৩০), জিহাদ (২০) ও ইমরান (২৬)।

গ্রেপ্তার আপন সাভার থানার তিনটি মাদক মামলার আসামি বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

অন্যদিকে একই ঘটনায় র‍্যাব-৪-এর একটি আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাভারের আমিনবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আরও চারজন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করে।

তারা হলেন—নূর মোহাম্মদ রুদ্র (২৪), মো. রাকিব মিয়া (২৮), ছাব্বির আহম্মেদ (২৪) এবং মো. ওয়াসিম (৪০)।

র‍্যাবের তথ্যমতে, মুন্সীগঞ্জের লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা থেকে চারজন এবং সাভারের আমিনবাজার এলাকা থেকে আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অটোরিকশা রাখাকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত

র‍্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৫ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টা থেকে রাত ১১টার মধ্যে সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশী এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

একটি অটোরিকশা গ্যারেজে গাড়ি রাখা নিয়ে গ্যারেজের এক বৃদ্ধ মালিকের সঙ্গে একটি ব্যক্তিগত গাড়ির চালক ও তার সহযোগীদের বিরোধ হয়। একপর্যায়ে তারা ওই বৃদ্ধকে মারধর করছিলেন।

বিষয়টি দেখে এসআই আলতাফ হোসেন সেখানে গিয়ে প্রতিবাদ করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তিনি স্থানীয় একটি ঝামেলা মীমাংসার জন্য মানবিক বিবেচনায় সেখানে গিয়েছিলেন বলে জানায় র‍্যাব।

কিন্তু হামলাকারীরা তার কোনো কথা শোনেনি। বরং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তারা আলতাফ হোসেনের ওপর হামলা চালায়।

র‍্যাব বলছে, আলতাফ হোসেন নিজেকে পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেওয়ার পরও হামলাকারীরা থামেনি। বরং পুলিশের পরিচয় জানার পর হামলাকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

ছেলের কারখানায় গিয়েও রক্ষা পাননি

প্রাণ বাঁচাতে এসআই আলতাফ হোসেন তার ছেলে আরিফুলের মালিকানাধীন একটি পোশাক কারখানায় গিয়ে আশ্রয় নেন।

কিন্তু হামলাকারীরা তার পিছু নেয়। পরে আরও ১৫ থেকে ২০ জন সহযোগীকে ডেকে আনে তারা। এরপর কারখানার ফটক ভেঙে হামলাকারীরা ভেতরে প্রবেশ করে।

দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা দিয়ে এসআই আলতাফ হোসেন এবং তার ছেলে আরিফুলকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। এ সময় কারখানার যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্রও ভাঙচুর করা হয়।

পরে স্থানীয়রা আহত বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক এসআই আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা আপন

র‍্যাব-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তার আপন এই হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা।

র‍্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার সময় আপন স্টিলের পাইপ দিয়ে এসআই আলতাফ হোসেনের মাথায় আঘাত করে। অন্যদিকে জিহাদ ছুরি দিয়ে তাকে গুরুতর জখম করে। র‍্যাবের তথ্য অনুযায়ী, আলাউদ্দিনও আলতাফ হোসেনকে আঘাত করে।

কিশোর গ্যাং ও মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ততার দাবি

মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তার জিহাদ ও আপন কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্বের সঙ্গে জড়িত এবং তাদের মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।

র‍্যাবের দাবি, এ ঘটনায় জড়িত ১৫ আসামির সবাই কোনো না কোনোভাবে কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত। গ্রেপ্তারদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগের অপরাধের রেকর্ডও রয়েছে।

র‍্যাব জানায়, আপন ওই এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের একজন দলনেতা এবং মাদক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে সাভার থানায় তিনটি মাদক মামলা রয়েছে।

‘পুলিশকে টার্গেট করে হত্যা নয়’

র‍্যাবের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, এসআই আলতাফ হোসেনকে পুলিশ সদস্য হিসেবে টার্গেট করে হত্যা করা হয়নি।

তার ভাষ্য, ঘটনার সময় অভিযুক্তরা নেশাগ্রস্ত ছিল। একটি অপরাধের ঘটনায় বাধা দিতে গিয়ে ঘটনাচক্রে হামলার শিকার হন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

র‍্যাব ঘটনাটিকে মূলত স্থানীয় একটি বিরোধ থেকে সৃষ্ট হামলা হিসেবে দেখছে।

জনসম্মুখে হামলা, তবুও অনেকে ছবি তুলে চলে যান

ঘটনার সময় জনসম্মুখে হামলা চললেও অনেকেই অপরাধীদের পুলিশের হাতে তুলে না দিয়ে ছবি তুলে ঘটনাস্থল থেকে সরে যান বলে মন্তব্য করেছেন র‍্যাব-১০-এর অধিনায়ক।

তিনি বলেন, “এই ধরনের সংঘঠিত অপরাধে জনসাধারণকে এগিয়ে আসতে হবে। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষে একা সম্ভব নয়। জনসাধারণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকলে অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা সম্ভব এবং সম্মিলিত প্রতিরোধ হলে এই ধরনের অপরাধও কমে আসবে।”

তিনি আরও বলেন, “জনসম্মুখে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে সাধারণ মানুষের দায়িত্ব হলো অপরাধীকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া। এই ধরনের ঘটনায় আইনেও সাধারণ মানুষকে অপরাধীকে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার বিধান রয়েছে। কিন্তু মানুষ বিবেক বিসর্জন দিয়ে শুধু ছবি তুলে ঘটনাস্থল এড়িয়ে যাচ্ছে, যা মানবিক স্খলনের উদাহরণ।”

মামলায় ১৫ আসামি

এসআই আলতাফ হোসেন হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী সাভার মডেল থানায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন। মামলায় আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় এর আগে ঢাকা জেলা পুলিশের সাভার থানা একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে। র‍্যাবের সর্বশেষ অভিযানে আরও আটজন গ্রেপ্তার হওয়ায় এজাহারনামীয় ১৫ আসামির মধ্যে মোট নয়জন গ্রেপ্তার হয়েছে—র‍্যাবের হাতে আটজন এবং সাভার থানা পুলিশের হাতে একজন।

মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জেটিভি নিউজ বাংলা
ঢাকা

বিজ্ঞাপন

ইন-আর্টিকেল বিজ্ঞাপন

In-Article Ad Slot | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

সম্পাদক ও প্রকাশক

তৃণমূলের উন্নয়ন, গণমানুষের অধিকার ও বস্তুনিষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বিজ্ঞাপন

নিচের ব্যানার বিজ্ঞাপন

মন্তব্য বিভাগের আগে | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

পাঠকদের মতামত ০টি

মডারেটেড ফোরাম

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন

খবর অনুসন্ধান করুন

জনপ্রিয় সার্চ: অগ্নিঘটনা অন্যান্য... অপরাধ অর্থনীতি ও বানিজ্য