
দেশে সারের পর্যাপ্ত মজুত, কোথাও সমস্যা হলে তা বিতরণ ব্যবস্থায়: তথ্য উপদেষ্টা
দেশে কৃষকদের জন্য প্রয়োজনীয় ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে সার নিয়ে কোনো ধরনের ‘মজুতজনিত সংকট’ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে চার ধরনের সার মিলিয়ে প্রায় ১২ দশমিক ২৯৪ লাখ মেট্রিক টন সার মজুত রয়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই মজুতের পরিমাণ বেশি। সরকারের হাতে থাকা বর্তমান মজুত এবং আমদানির পাইপলাইনে থাকা সারের পরিমাণ বিবেচনায় নিয়ে আগামী সময়ের মোট চাহিদা পূরণের মতো সরবরাহও নিশ্চিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য তুলে ধরে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় সার নিয়ে কিছু অভিযোগ পাওয়া গেলেও সেগুলোকে জাতীয় পর্যায়ে সারের মজুত সংকট হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের কয়েকটি স্থানে যে সমস্যার কথা উঠে আসছে, তা মূলত সারের মজুত কম থাকার কারণে নয়; বরং কোথাও কোথাও সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থায় সমস্যার কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, দেশের সার পরিস্থিতি নিয়ে যে উদ্বেগ বা অভিযোগ দেখা যাচ্ছে, তার সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ে মজুতের কোনো ঘাটতির সম্পর্ক নেই। সরকারের কাছে বর্তমানে পর্যাপ্ত পরিমাণ সার রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সারের সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমদানির পাইপলাইনেও সার রয়েছে।

তিনি আরও জানান, সরকারের হাতে বর্তমানে থাকা সার এবং আমদানির পাইপলাইনে থাকা সারের পরিমাণ মিলিয়ে আগামী সময়ের মোট চাহিদা পূরণের মতো সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে সামগ্রিকভাবে দেশের সার সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে মজুতজনিত সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই।
তবে বিভিন্ন এলাকায় সারপ্রাপ্তি নিয়ে যে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, সেসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, জাতীয় পর্যায়ে পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় পর্যায়ে সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থায় সমস্যা দেখা দিলে কৃষক পর্যায়ে সার পেতে ভোগান্তি তৈরি হতে পারে।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, কোথাও কোথাও সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থায় সমস্যা থাকতে পারে, কিন্তু জাতীয় পর্যায়ে সারের কোনো ঘাটতি নেই।
সরকারের দেওয়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি—এই চার ধরনের সার মিলিয়ে বর্তমানে প্রায় ১২ দশমিক ২৯৪ লাখ মেট্রিক টন সার মজুত রয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি।
সরকারের হাতে থাকা বর্তমান মজুত এবং আমদানির পাইপলাইনে থাকা সারের পরিমাণ মিলিয়ে আগামী দিনের চাহিদা পূরণের প্রস্তুতি নিশ্চিত করা হয়েছে বলেও ব্রিফিংয়ে জানানো হয়।
সার্বিক পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশে সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং জাতীয় পর্যায়ে কোনো সারসংকট নেই। তবে দেশের কিছু এলাকায় যে সমস্যার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, তা মূলত স্থানীয় সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
জেটিভি নিউজ বাংলা
সত্য,সাহস,সংযোগ……
পাঠকদের মতামত ০টি
মডারেটেড ফোরাম