সকাল ১১:৩০:০০
| বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
লোড হচ্ছে...
নামাজ লোড...
বিজ্ঞাপন

হেডার বিজ্ঞাপন স্লট

728×90 Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
নোটিশ
নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা। নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা।
ব্রেকিং নিউজ
আমিনবাজার রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনারের বড় বোনের মৃত্যুতে আমিনবাজার রাজস্ব সার্কেল ও জেটিভি নিউজ বাংলার শোক প্রকাশ মিরপুরে বিক্ষোভকারীদের হামলায় পুলিশ সদস্য আহত, মাটিতে ফেলে পেটানোর ঘটনা মিরপুরজুড়ে আতঙ্ক, তিন দিন ধরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে বিপর্যস্ত জনজীবন মিরপুরে তৃতীয় দিনের মতো পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ রাজধানীতে আজ শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী সোলার এক্সপো, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির বাজারে আবারও আগুন! ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২২৩ টাকা বৃদ্ধি, নতুন দাম ২ হাজার ৬০ টাকা আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভে উত্তাল শিল্পাঞ্চল, কাভার্ডভ্যানে আগুন পোশাকশিল্পে শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন, জড়িত শিল্পমালিকদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জেলা-উপজেলা:

দৈনিক ইনফো ও সেটিংস

আজকের তারিখ ও পঞ্জিকা

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আবহাওয়া ও নামাজের সময়

লোড হচ্ছে...

নামাজ লোড...

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

📍 জেলা ও উপজেলা ফিল্টার

ইঞ্জিন সংকটে ধুঁকছে কনটেইনার পরিবহন, কমছে রেলের আয়

বিজ্ঞাপন

শীর্ষ ব্যানার বিজ্ঞাপন

৪১২×৯০ Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

ইঞ্জিন সংকটে ধুঁকছে কনটেইনার পরিবহন, কমছে রেলের আয়

নিজস্ব প্রতিবেদক 

লোকোমোটিভ বা ইঞ্জিন সংকটে দীর্ঘদিন ধরেই ব্যাহত হচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ের মালবাহী পরিবহন ব্যবস্থা। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ঢাকায় কনটেইনার ট্রেন চলাচল নিয়মিত না থাকায় ব্যবসায়ীদের সড়ক ও নৌপথের দিকে ঝুঁকতে হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন পণ্য পরিবহনের খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে কমছে বাংলাদেশ রেলওয়ের আয়।

কনটেইনার পরিবহনে এই পতনের চিত্র সবচেয়ে স্পষ্ট। বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত তিন বছরে কনটেইনার পরিবহন থেকে রেলের আয় কমেছে ২৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ। একই সময়ে রেলের মাধ্যমে পরিবহন করা পণ্যের পরিমাণ এবং ব্যবহৃত ওয়াগনের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

রেলওয়ের কর্মকর্তারাও স্বীকার করছেন, লোকোমোটিভ সংকটের কারণে নিয়মিত মালবাহী ট্রেন পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। হাতে থাকা সীমিতসংখ্যক লোকোমোটিভ বরাদ্দের ক্ষেত্রে যাত্রীবাহী ট্রেনকে অগ্রাধিকার দিতে হচ্ছে। ফলে অবশিষ্ট ইঞ্জিন দিয়ে কনটেইনার ও অন্যান্য মালবাহী ট্রেন পরিচালনা করতে হচ্ছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন বলেন, ‘লোকোমোটিভের সংকটের কারণে চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে আগের মতো নিয়মিত কনটেইনার ট্রেন চালানো যাচ্ছে না। লোকোমোটিভের সংকটের কারণে যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধ রাখা সম্ভব নয়। তাই প্রথমে যাত্রীবাহী ট্রেনের জন্য লোকোমোটিভ বরাদ্দ দিতে হয়। এরপর যা থাকে, তা দিয়ে কনটেইনার ট্রেন চালাতে হয়।’

তিনি জানান, কনটেইনার ট্রেন চালাতে প্রতিদিন তিন থেকে চারটি লোকোমোটিভ প্রয়োজন হলেও চাহিদা অনুযায়ী তা দিতে পারছে না রেলওয়ে।

তিন বছরে কমেছে কনটেইনার পরিবহনের আয়

বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের তথ্যেও কনটেইনার পরিবহনে ধারাবাহিক পতনের চিত্র উঠে এসেছে।

২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেলের ওয়াগনে ৭ লাখ ৯০ হাজার ৫৩৬ মেট্রিক টন পণ্য পরিবহন করা হয়। এ সময় ৮০ হাজার ৭১৯টি ওয়াগন ব্যবহার করে কনটেইনার পরিবহন থেকে আয় হয় ১১৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।

পরের অর্থবছর ২০২৪-২৫-এ পণ্য পরিবহনের পরিমাণ কমে দাঁড়ায় ৭ লাখ ৭ হাজার ২৩ মেট্রিক টনে। এ সময়ে ৬৩ হাজার ১০০টি ওয়াগন ব্যবহার করে আয় হয় ৭৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা।

আর ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৫৪ হাজার ৫৬৯টি ওয়াগনে মাত্র ৫ লাখ ৫৮ হাজার ৫৯৭ মেট্রিক টন পণ্য পরিবহন করা হয়। এ থেকে রেলের আয় হয় ৮৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

সব মিলিয়ে ২০২৩-২৪ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মধ্যে কনটেইনার পরিবহন থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় কমেছে ২৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

রেলওয়ের কর্মকর্তা ও খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, এই পতন আরও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ যাত্রী পরিবহনের তুলনায় মালবাহী ট্রেন থেকে রেলের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হতে পারে।

কনটেইনার পরিবহন বাড়াতে লাগেজ ভ্যান ও মৌসুমি বিশেষ ট্রেন চালুর মতো উদ্যোগ নেওয়া হলেও সেগুলো স্থায়ী সেবায় রূপ নেয়নি। এর পাশাপাশি পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে কমলাপুর ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো বা আইসিডিতে। সেখানে কনটেইনার চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

কমলাপুর আইসিডিতেও বড় ধস

কমলাপুর আইসিডির তথ্য অনুযায়ী, আগের অর্থবছরের একই মাসের তুলনায় সর্বশেষ জুলাইয়ে সব প্রধান সূচকেই নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

এই সময়ে বিল অব এন্ট্রি দাখিল কমেছে ৩৩ দশমিক ০৯ শতাংশ। কনটেইনার চলাচল কমেছে ৪৭ দশমিক ০৯ শতাংশ। আমদানি করা পণ্য কমেছে ৫৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ। মূল্যায়নযোগ্য মূল্য কমেছে ৩১ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং রাজস্ব আদায় কমেছে ৩১ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

আগের অর্থবছরের জুলাইয়ে কমলাপুর আইসিডিতে বিল অব এন্ট্রির সংখ্যা ছিল ৮২২টি। সর্বশেষ জুলাইয়ে তা কমে হয়েছে ৫৫০টি।

একই সময়ে কনটেইনার চলাচল ১ হাজার ৫৭৯টি থেকে কমে হয়েছে ৮৩৬টি।

আমদানি করা পণ্যের পরিমাণ ২৬ হাজার ৪১০ টন থেকে কমে মাত্র ১ হাজার ৯৪২ টনে নেমেছে।

মূল্যায়নযোগ্য পণ্যের মূল্য ৬৪০ কোটি টাকা থেকে কমে হয়েছে ৪৩৯ কোটি টাকা।

আর রাজস্ব আদায় ২৯৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ২০০ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

কমলাপুর রেলওয়ে আইসিডির কমিশনার (কাস্টমস) কাজী মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এই পতনের প্রধান কারণ হিসেবে লোকোমোটিভ সংকটকে দায়ী করেছেন।

তিনি বলেন, ‘কনটেইনার পরিবহন কমে যাওয়ার মূল কারণ রেলওয়ের ইঞ্জিনের সংকট। ফলে নিয়মিত মালবাহী ট্রেন আসছে না। ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে সড়ক ও নৌপথে পণ্য পরিবহন করছেন। কনটেইনার চলাচল কমে যাওয়ায় রাজস্ব আদায়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।’

চাহিদার তুলনায় মিলছে না কনটেইনার ট্রেন

কমলাপুর আইসিডিতে কনটেইনার ট্রেনের অপর্যাপ্ত সরবরাহ নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষও একাধিকবার উদ্বেগ জানিয়েছে।

গত ১০ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ডেপুটি ট্রাফিক ম্যানেজারের (আইসিডি, কমলাপুর) সই করা একটি চিঠি ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজারের কাছে পাঠানো হয়। এতে কনটেইনার ট্রেনের সংকট সমাধানে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়, এর আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় চাহিদা অনুযায়ী প্রতি মাসে কমলাপুর আইসিডিতে প্রায় ৯০টি কনটেইনার ট্রেন সরবরাহের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।

তবে বাস্তবে সরবরাহ সেই লক্ষ্যমাত্রার অনেক নিচে রয়েছে।

মে মাসে মাত্র ৩২টি, জুনে ৪৪টি এবং জুলাইয়ে ৩৬টি কনটেইনার ট্রেন সরবরাহ করা হয়েছে। অর্থাৎ এই তিন মাসে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ দশমিক ২২টি ট্রেন পেয়েছে কমলাপুর আইসিডি।

এর ফলে আমদানি করা পণ্য খালাসে বিলম্ব হচ্ছে।

একই সঙ্গে খালি কনটেইনার এবং রপ্তানিপণ্যবোঝাই কনটেইনার চট্টগ্রাম বন্দরে নেওয়ার কাজও ব্যাহত হচ্ছে। ফলে কমলাপুর আইসিডিতে কনটেইনার দীর্ঘ সময় পড়ে থাকছে।

এতে আমদানিকারক, রপ্তানিকারক ও শিপিং এজেন্টদের খরচ বাড়ছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে বলেছে, এই পরিস্থিতির কারণে কয়েকটি শিপিং লাইন কমলাপুর আইসিডির পরিবর্তে বিকল্প টার্মিনাল বা বন্দর ব্যবহারের কথা ভাবছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় কমলাপুর আইসিডিতে কনটেইনার হ্যান্ডলিং প্রায় ১৮ শতাংশ কমেছে।

স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখা এবং বাণিজ্য ও সরকারি রাজস্ব আদায়ে আরও ব্যাঘাত ঠেকাতে প্রতিদিন অন্তত তিনটি, অর্থাৎ মাসে ৯০টি কনটেইনার ট্রেন দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে প্রয়োজন ১৫ লোকোমোটিভ

চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে লোকোমোটিভ সংকট আরও তীব্র। বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম জানান, চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে মালবাহী ট্রেন পরিচালনার জন্য প্রতিদিন প্রায় ১৫টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রয়োজন অনুযায়ী তিন-চারটি লোকোমোটিভও দিতে পারছি না। এর ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ওয়াগনে পণ্য পরিবহন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। একই সঙ্গে কনটেইনার পরিবহন থেকেও আয় কমেছে।’

অতিরিক্ত মিটারগেজ লোকোমোটিভের ব্যবস্থা করার চেষ্টা চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘লোকোমোটিভ পাওয়া গেলে যাত্রী ও মালবাহী—দুই ধরনের ট্রেন থেকেই আয় বাড়বে।’

যাত্রীবাহী ট্রেনকে অগ্রাধিকার

লোকোমোটিভ সংকট যাত্রী ও মালবাহী ট্রেন পরিচালনার মধ্যে একটি কাঠামোগত সংকট তৈরি করেছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেনের মতে, লোকোমোটিভের সীমাবদ্ধতার কারণে যাত্রীবাহী ট্রেনকে অগ্রাধিকার দিতেই হচ্ছে। কারণ লোকোমোটিভ সংকটের কারণে যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধ রাখার সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, ‘প্রথমে যাত্রীবাহী ট্রেনের জন্য লোকোমোটিভ বরাদ্দ দিতে হয়। এরপর অবশিষ্ট লোকোমোটিভ দিয়ে কনটেইনার ট্রেন চালানো হয়।’

ফলে এমন এক সময়ে মালবাহী ট্রেনের চলাচল অনিয়মিত হয়ে পড়েছে, যখন বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য চট্টগ্রাম বন্দর ও ঢাকার অভ্যন্তরীণ কনটেইনার সুবিধার মধ্যে নির্ভরযোগ্য যোগাযোগের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল।

মাসে ৯০ ট্রেনের চাহিদা, আসছে ৩০টিরও কম

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ডেপুটি ট্রাফিক ম্যানেজার (আইসিডি, কমলাপুর) মোহাম্মদ আশরাফ করিম চৌধুরী বলেন, সংকট সমাধানে তারা রেলওয়েকে একাধিকবার অনুরোধ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রয়োজন মাসে ৯০টি কনটেইনার ট্রেন। আমরা অন্তত ৬০টি চেয়েছি। কিন্তু মাসে ৩০টি কনটেইনার ট্রেনও আসে না।’

তার মতে, লোকোমোটিভ সংকটের সমাধান হলে কমলাপুর আইসিডির পরিচালনাগত সমস্যাগুলো অনেকটাই কমবে।

প্রভাব পড়ছে ব্যবসা ও রাজস্বে

মালবাহী পরিবহনে এই ধারাবাহিক পতন বাংলাদেশ রেলওয়ের সম্ভাবনাময় বাণিজ্যিক সেবাগুলোর একটি থেকে কতটা আয় করতে পারছে, সেই প্রশ্নও সামনে আনছে।

বাংলাদেশে মালবাহী পরিবহনে সড়কপথ এখনও প্রধান মাধ্যম। তবে দীর্ঘ দূরত্বে বড় পরিমাণ পণ্য পরিবহনে রেলের সুবিধা রয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দর ও অভ্যন্তরীণ লজিস্টিকস কেন্দ্রগুলোর মধ্যে পণ্য পরিবহনে রেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

কিন্তু পর্যাপ্ত লোকোমোটিভ এবং নিয়মিত মালবাহী ট্রেনের সময়সূচি না থাকায় ব্যবসায়ীরা অন্য পরিবহন ব্যবস্থার দিকে ঝুঁকছেন।

এর প্রভাব শুধু বাংলাদেশ রেলওয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। অনিয়মিত কনটেইনার ট্রেন ব্যবসায়ীদের পরিবহন ব্যয় বাড়াচ্ছে, অভ্যন্তরীণ কনটেইনার সুবিধায় জট তৈরি করছে এবং রেলপথনির্ভর শুল্কসুবিধা দিয়ে পণ্য পরিবহনের পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারে।

কনটেইনার চলাচল কমে যাওয়ার প্রভাব শুল্ক রাজস্বেও পড়ছে। জুলাইয়ে কমলাপুর আইসিডিতে রাজস্ব আদায় কমে যাওয়ার পরিসংখ্যানেই এর প্রমাণ মিলছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য মালবাহী পরিবহনের সক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে তাই মাঝে মধ্যে বিশেষ ট্রেন চালানো বা সাময়িক ব্যবস্থা নেওয়াই যথেষ্ট হবে না। তাৎক্ষণিক চ্যালেঞ্জ হলো—যাত্রীবাহী ট্রেনের পাশাপাশি নির্ধারিত মালবাহী ট্রেন চালানোর মতো পর্যাপ্ত লোকোমোটিভ নিশ্চিত করা।

এই সক্ষমতা ফিরে না আসা পর্যন্ত দেশের পণ্য পরিবহনে রেলের অংশ সেই সংকটেই আটকে থাকবে, যে সংকট রেলওয়েকে তার মালবাহী ব্যবসার পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগাতে দিচ্ছে না।

 

জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্য,সাহস, সংযোগ…. 

বিজ্ঞাপন

ইন-আর্টিকেল বিজ্ঞাপন

In-Article Ad Slot | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

সম্পাদক ও প্রকাশক

তৃণমূলের উন্নয়ন, গণমানুষের অধিকার ও বস্তুনিষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বিজ্ঞাপন

নিচের ব্যানার বিজ্ঞাপন

মন্তব্য বিভাগের আগে | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

পাঠকদের মতামত ০টি

মডারেটেড ফোরাম

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন

খবর অনুসন্ধান করুন

জনপ্রিয় সার্চ: অগ্নিঘটনা অন্যান্য... অপরাধ অর্থনীতি ও বানিজ্য