সকাল ১১:৩০:০০
| শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
লোড হচ্ছে...
নামাজ লোড...
বিজ্ঞাপন

হেডার বিজ্ঞাপন স্লট

728×90 Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
নোটিশ
নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা। নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা।
ব্রেকিং নিউজ
মিরপুরে বিক্ষোভকারীদের হামলায় পুলিশ সদস্য আহত, মাটিতে ফেলে পেটানোর ঘটনা মিরপুরজুড়ে আতঙ্ক, তিন দিন ধরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে বিপর্যস্ত জনজীবন মিরপুরে তৃতীয় দিনের মতো পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ রাজধানীতে আজ শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী সোলার এক্সপো, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির বাজারে আবারও আগুন! ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২২৩ টাকা বৃদ্ধি, নতুন দাম ২ হাজার ৬০ টাকা আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভে উত্তাল শিল্পাঞ্চল, কাভার্ডভ্যানে আগুন পোশাকশিল্পে শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন, জড়িত শিল্পমালিকদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামিসা হত্যা মামলার রায় মাত্র ২৮ দিনে, বছরের পর বছর ঝুলে আছে ৪০ লাখের বেশি মামলা
জেলা-উপজেলা:

দৈনিক ইনফো ও সেটিংস

আজকের তারিখ ও পঞ্জিকা

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

আবহাওয়া ও নামাজের সময়

লোড হচ্ছে...

নামাজ লোড...

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

📍 জেলা ও উপজেলা ফিল্টার

এলপিজি সংকট নেই, তবু সিলিন্ডার উধাও—১,৫৮৫ টাকার গ্যাস ২,৫০০!

বিজ্ঞাপন

শীর্ষ ব্যানার বিজ্ঞাপন

৪১২×৯০ Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

এলপিজি সংকট নেই, তবু সিলিন্ডার উধাও—১,৫৮৫ টাকার গ্যাস ২,৫০০!

জেটিভি নিউজ বাংলা
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা | শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

দেশে এলপিজির কোনো সংকট নেই—আমদানিকারক ও অপারেটরদের এমন আশ্বাসের পরও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। কোথাও সিলিন্ডার মিললেও তা বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে।

ভোক্তাদের অভিযোগ, রাজধানীর রামপুরা, বনশ্রী, শান্তিনগর, মালিবাগ, কাঠালবাগানসহ বিভিন্ন এলাকায় ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। আবার কোথাও পাওয়া গেলেও ২ হাজার ১০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত দাম চাওয়া হচ্ছে। কোনো কোনো এলাকায় একই সিলিন্ডার ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অথচ সেপ্টেম্বর মাসের জন্য বিইআরসি নির্ধারিত ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ছিল মাত্র ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। সে হিসাবে ২ হাজার ৫০০ টাকায় একটি সিলিন্ডার কিনলে একজন ভোক্তাকে নির্ধারিত দামের চেয়ে ৯১৫ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে।

ফলে রান্নার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহৃত এলপিজি কিনতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। অনেকেই এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরেও সিলিন্ডার না পেয়ে শেষ পর্যন্ত বাড়তি দাম দিয়ে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

ফেসবুকে ভোক্তাদের ক্ষোভ

এলপিজি না পাওয়া এবং অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হওয়ার ঘটনায় শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক ভোক্তা।

হাসনাত অভি নামে একজন লিখেছেন, ‘সিলিন্ডার বনাম ইউরেনিয়াম। ১২ কেজির দাম ২৫০০ টাকা।’

ডা. হামিদুর রহমান আজাদ নামে একজন প্রশ্ন তুলেছেন, সরকার বলছে দেশে এলপিজির সংকট নেই। তাহলে ১ হাজার ৫৮৫ টাকার ১২ কেজির সিলিন্ডার ২ হাজার ১০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে কেন? আবার বেশি দাম দিয়েও অনেক জায়গায় মানুষ গ্যাস পাচ্ছে না কেন?

তিনি জানতে চেয়েছেন—গ্যাস কোথায়, কার কাছে মজুত আছে এবং কোন পর্যায়ে সরবরাহ আটকে আছে। সংকট না থাকলে বাজারে ঘাটতি ও অস্বাভাবিক দাম কেন, কারা অতিরিক্ত দাম নিচ্ছে এবং কারা সরবরাহ আটকে রাখছে—এসব বিষয় তদন্ত করে জনগণের সামনে প্রকাশের দাবি জানান তিনি।

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বা পরিবহন ব্যয় বেড়ে থাকলে তার তথ্য-উপাত্ত প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারি দামে পণ্য পাওয়া নিশ্চিত করতে না পেরে শুধু ‘সংকট নেই’ বললে জনগণ সেই বক্তব্য কীভাবে বিশ্বাস করবে, সেটিও সরকারকে ভাবতে হবে।

তার মতে, এলপিজি কোনো বিলাসপণ্য নয়; এটি মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় জ্বালানি। তাই মজুতদারি, কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং নির্ধারিত দামে গ্যাস পাওয়া নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

রামপুরা থেকে শাহজাহানপুর—একই অভিযোগ

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় একই ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রামপুরার বাসিন্দা সাথী আক্তার বলেন, এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া গেলেও দাম আকাশছোঁয়া। দোকানদারদের কেউ কেউ বলছেন, ‘এই দামে নিলে নেন, না নিলে না নেন।’

সাথী আক্তারের ভাষ্য, রান্নার জন্য গ্যাস প্রয়োজন হওয়ায় বাধ্য হয়েই বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে।

শাহজাহানপুরের বাসিন্দা রুপনা আক্তার বলেন, নতুন বাড়িতে উঠেছেন। সেখানে গ্যাসের লাইন নেই। প্রথম থেকেই এলপিজি ব্যবহার করছেন। কিন্তু প্রতিমাসে যেভাবে দাম বাড়ছে, তা সংসারের খরচের সঙ্গে সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।

তিনি বলেন, বিকল্প হিসেবে বিদ্যুতের চুলায় রান্না করার কথা ভাবলেও এতে বিদ্যুৎ বিলও বেড়ে যাবে। ফলে মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বিকল্প পথও সংকুচিত হয়ে পড়ছে।

সেপ্টেম্বর মাসে ১২ কেজির দাম ছিল ১,৫৮৫ টাকা

সর্বশেষ গত ২ সেপ্টেম্বর সেপ্টেম্বর মাসের জন্য এলপিজির দাম ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। তখন ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

ওই দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়।

অর্থাৎ বিইআরসির নির্ধারিত ১ হাজার ৫৮৫ টাকার পরিবর্তে ২ হাজার ৫০০ টাকায় সিলিন্ডার কিনলে ভোক্তাকে ৯১৫ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় এই বাড়তি দাম প্রায় ৫৮ শতাংশ বেশি।

২৮ সেপ্টেম্বর অপারেটরদের দাবি—‘সংকট নেই’

এলপিজির বাজার পরিস্থিতি নিয়ে গত ২৮ সেপ্টেম্বর জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় আমদানিকারক ও এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

ওই বৈঠকে আমদানিকারক ও অপারেটররা দেশে এলপিজির কোনো সংকট নেই বলে মন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন।

কিন্তু এর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সিলিন্ডার না পাওয়া এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ সামনে এসেছে।

কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ

এর দুই দিন পর, ৩০ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে অনলাইন সভায় দেশের কোথাও কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এলপিজি বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

বিইআরসির নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

এরপর ১ অক্টোবর এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব) জানায়, দেশে এলপিজির সরবরাহ পর্যাপ্ত ও সন্তোষজনক।

সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে দেশে ১ দশমিক ৫৮ লাখ টন এবং সেপ্টেম্বরে ১ দশমিক ৫৬ লাখ টন এলপিজি আমদানি হয়েছে।

লোয়াবের পক্ষ থেকে বলা হয়, পর্যাপ্ত সরবরাহের পরও বেশি দামে বিক্রি বা নিয়মবহির্ভাবে মজুত করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ব্যবসায়ীদের ব্যাখ্যা—বেড়েছে জাহাজের প্রিমিয়াম

তবে এলপিজি ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজি পরিবহনে জাহাজ ভাড়া ও ট্রেডারের প্রিমিয়াম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। ফলে নতুন কার্গো আমদানিতে বাড়তি ব্যয়ের চাপ তৈরি হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসের মূল্য নির্ধারণের সময় বিইআরসি জাহাজ ভাড়া ও ট্রেডারের প্রিমিয়াম টনপ্রতি ১৬০ ডলার ধরে হিসাব করেছিল।

কিন্তু ব্যবসায়ীদের দাবি, বর্তমানে এই খরচ বেড়ে ২৫০ থেকে ৩০০ ডলারে পৌঁছেছে।

ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ বলছেন, বাড়তি প্রিমিয়াম দিয়ে কার্গো সংগ্রহ করলেও বিইআরসির নির্ধারিত দামে সেই বাড়তি ব্যয় সমন্বয়ের সুযোগ নেই। ফলে নতুন করে এলপিজি আমদানিতে অনাগ্রহ তৈরি হচ্ছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ পড়ছে।

‘চালান পিছিয়ে ১০/১২ অক্টোবর’

বেসরকারি অপারেটর টিএমএসএস-এলপিজির এজিএম আনিসুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, তাদের চুক্তি করা একটি চালান ৩ অক্টোবরের আশপাশে আসার কথা ছিল। কিন্তু সেটি এখন পিছিয়ে ১০ বা ১২ অক্টোবরের দিকে গেছে। তবে সেই সময়ও নিশ্চিত নয়।

তিনি বলেন, ‘ফলে আমাদের কোম্পানিকে বাধ্য হয়ে রেশনিং করতে হচ্ছে।’

আনিসুর রহমান আরও বলেন, যে প্রিমিয়ামের ভিত্তিতে বিইআরসি দাম নির্ধারণ করেছিল, এখন সেই প্রিমিয়াম আর নেই। বাড়তি প্রিমিয়াম দিয়ে ব্যবসায়ীরা আর কত লোকসান দিয়ে এলপিজি আনবেন—সেটিও প্রশ্ন।

তার ভাষ্য, ‘সংকট নেই—এটা একেবারে বলা যাবে না। তবে বাজারের এখন যে গুজব—গ্যাস একেবারে নেই, এটা ঠিক না।’

খুচরা পর্যায়ে অতিরিক্ত দামের বিষয়ে তিনি বলেন, অপারেটররা ডিলারদের কাছে সিলিন্ডার দেওয়ার পর খুচরা ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন কোম্পানির সিলিন্ডার বিক্রি করেন। সেখানে কত দামে বিক্রি হচ্ছে, তা কোম্পানিগুলোর পক্ষে সবসময় মনিটর করা সম্ভব নয়। এ দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

চাহিদার অর্ধেক সিলিন্ডারও পাচ্ছেন না বিক্রেতারা

খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, ডিলার বা পরিবেশকদের কাছ থেকে তারা চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার পাচ্ছেন না।

কাঠালবাগান বাজারের একজন খুচরা বিক্রেতা জানান, আগে ৫০০ সিলিন্ডারের চাহিদা পাঠালে পুরো চাহিদাই পাওয়া যেত। এখন সেই চাহিদার প্রায় অর্ধেক দেওয়া হচ্ছে।

আগে চাহিদা পাঠানোর পর দ্রুত সরবরাহ পাওয়া গেলেও এখন কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

রাজধানীর পশ্চিম ধানমন্ডির একজন এলপিজি ডিলার বলেন, সরবরাহ কমে যাওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার রাখা যাচ্ছে না। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার কারণে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না বলে তাদের জানানো হচ্ছে।

শনিবারও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক

এলপিজির সরবরাহ ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ে শনিবারও মালিক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে।

এদিকে বাজারে নতুন করে গুঞ্জন ছড়িয়েছে—চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এলপিজির দাম বাড়াতে পারে বিইআরসি। প্রতিমাসের মতো নতুন মূল্য ঘোষণা থেকেই এই দাম বাড়ানোর ঘোষণা আসতে পারে বলে বাজারে আলোচনা রয়েছে।

দাম বাড়ানোর পর বাজারে আর কোনো সংকট থাকবে না—এমন ধারণাও করছেন কেউ কেউ। এ কারণে বর্তমান পরিস্থিতিকে কেউ কেউ কৃত্রিম সংকট হিসেবেও দেখছেন।

সংকট নেই, তাহলে বাজারে ঘাটতি কেন?

একদিকে আমদানিকারক ও অপারেটরদের দাবি—দেশে এলপিজির সরবরাহ পর্যাপ্ত এবং কোনো বড় ধরনের সংকট নেই। অন্যদিকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ভোক্তা ও খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ—চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না এবং পাওয়া গেলেও নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দাম দিতে হচ্ছে।

ফলে এলপিজির বাজারে তৈরি হয়েছে এক ধরনের পরস্পরবিরোধী চিত্র।

সরকার বলছে কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। অপারেটররা বলছেন সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ নয়, তবে আমদানি ব্যয় ও প্রিমিয়াম বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। আর খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, তারা চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডারই পাচ্ছেন না।

সব মিলিয়ে সাধারণ ভোক্তাদের প্রশ্ন এখন একটাই—দেশে যদি এলপিজির সংকট না থাকে, তাহলে বাজারে সিলিন্ডার মিলছে না কেন? আর ১ হাজার ৫৮৫ টাকার নির্ধারিত সিলিন্ডারই বা ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে কীভাবে?

এই প্রশ্নের উত্তর এবং বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করতে এখন কার্যকর বাজার তদারকির দিকেই তাকিয়ে আছেন ভোক্তারা।

 

জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্য,সাহস, সংযোগ…… 

বিজ্ঞাপন

ইন-আর্টিকেল বিজ্ঞাপন

In-Article Ad Slot | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

সম্পাদক ও প্রকাশক

তৃণমূলের উন্নয়ন, গণমানুষের অধিকার ও বস্তুনিষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বিজ্ঞাপন

নিচের ব্যানার বিজ্ঞাপন

মন্তব্য বিভাগের আগে | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

পাঠকদের মতামত ০টি

মডারেটেড ফোরাম

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন

খবর অনুসন্ধান করুন

জনপ্রিয় সার্চ: অগ্নিঘটনা অন্যান্য... অপরাধ অর্থনীতি ও বানিজ্য