সকাল ১১:৩০:০০
| বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
লোড হচ্ছে...
নামাজ লোড...
বিজ্ঞাপন

হেডার বিজ্ঞাপন স্লট

728×90 Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
নোটিশ
নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা। নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা।
ব্রেকিং নিউজ
আমিনবাজার রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনারের বড় বোনের মৃত্যুতে আমিনবাজার রাজস্ব সার্কেল ও জেটিভি নিউজ বাংলার শোক প্রকাশ মিরপুরে বিক্ষোভকারীদের হামলায় পুলিশ সদস্য আহত, মাটিতে ফেলে পেটানোর ঘটনা মিরপুরজুড়ে আতঙ্ক, তিন দিন ধরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে বিপর্যস্ত জনজীবন মিরপুরে তৃতীয় দিনের মতো পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ রাজধানীতে আজ শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী সোলার এক্সপো, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির বাজারে আবারও আগুন! ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২২৩ টাকা বৃদ্ধি, নতুন দাম ২ হাজার ৬০ টাকা আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভে উত্তাল শিল্পাঞ্চল, কাভার্ডভ্যানে আগুন পোশাকশিল্পে শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন, জড়িত শিল্পমালিকদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জেলা-উপজেলা:

দৈনিক ইনফো ও সেটিংস

আজকের তারিখ ও পঞ্জিকা

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

আবহাওয়া ও নামাজের সময়

লোড হচ্ছে...

নামাজ লোড...

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

📍 জেলা ও উপজেলা ফিল্টার

ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে বিধবার টিপসই, পরে জানলেন ‘বিয়ে হয়ে গেছে’

বিজ্ঞাপন

শীর্ষ ব্যানার বিজ্ঞাপন

৪১২×৯০ Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে বিধবার টিপসই, পরে জানলেন ‘বিয়ে হয়ে গেছে’

জেটিভি নিউজ বাংলা
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে বিধবার টিপসই, পরে জানলেন ‘বিয়ে হয়ে গেছে’

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে এক বিধবার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও ছবি নেওয়ার পর কৌশলে তাঁর টিপসই নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কয়েক দিন পর ওই নারী জানতে পারেন, এলাকায় তাঁর বিয়ে হয়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়েছে। শুধু তাই নয়, তাঁর নামে একটি কাবিননামাও দেখানো হয়েছে।

তবে ৪৩ বছর বয়সী ওই বিধবা দাবি করেছেন, তিনি কোনো বিয়েতে সম্মতি দেননি। তিনি কোনো বিয়ের অনুষ্ঠানে যাননি এবং কোনো কাজির সঙ্গেও তাঁর দেখা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে স্থানীয় আবদুস ছাত্তার তাঁর কাছ থেকে টিপসই নিয়েছিলেন। পরে সেই টিপসই ব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে তাঁর নামে বিয়ের কাবিননামা তৈরি করা হয়েছে।

সম্প্রতি ফুলবাড়িয়া উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও উত্তেজনা তৈরি হয়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি সমাধানের জন্য সালিস বৈঠকের আয়োজন করেন। গত সোমবার ও বুধবার গ্রামে দুই দফা সালিসও বসে। তবে সেখানে অভিযোগের কেন্দ্রে থাকা আবদুস ছাত্তার ও আবদুল কুদ্দুস কেউ উপস্থিত ছিলেন না।

স্বামী মারা গেছেন ১৩ বছর আগে

ভুক্তভোগী ওই নারীর স্বামী প্রায় ১৩ বছর আগে মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করেন। মানুষের জমিতে কাজ করে উপার্জন করে দুই ছেলেকে বড় করেন। পরে দুই ছেলেকেই বিয়ে দেন। বর্তমানে তাঁর নাতি-নাতনিও রয়েছে।

স্বামী মারা যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় ধরে তিনি একাই সংসার ও সন্তানদের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এমন অবস্থায় ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলা হলে তিনি সেটিকে সরকারি সহায়তা পাওয়ার একটি সুযোগ হিসেবেই দেখেছিলেন বলে জানা যায়।

ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, প্রথমে তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও ছবি নেওয়া হয়। পরে কয়েক দিন পর তাঁকে আবার ডেকে নিয়ে একটি কাগজে টিপসই নেওয়া হয়। তাঁকে বলা হয়েছিল, ফ্যামিলি কার্ডের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের জন্যই এই টিপসই নেওয়া হচ্ছে।

কিন্তু কিছুদিন পর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপ নেয়। গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে, ওই নারীর বিয়ে হয়ে গেছে। পরে তাঁকে একটি কাবিননামাও দেখানো হয়।

‘আমি কোথাও বিয়ে করতে যাইনি’

গত বুধবার ভুক্তভোগী নারীর বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা হয়। নিজের বিরুদ্ধে ছড়িয়ে পড়া বিয়ের খবর এবং কাবিননামার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি পরিষ্কারভাবে বলেন, তিনি কোনো বিয়ে করেননি।

তিনি বলেন, ‘আমি কোথাও বিয়ে করতে যাইনি। কোনো কাজিকেও দেখিনি।’

তাঁর দাবি, বিয়ের বিষয়ে তাঁর কোনো সম্মতি ছিল না। এমনকি বিয়ের জন্য তিনি কাউকে অনুমতিও দেননি। ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে তাঁর কাছ থেকে নেওয়া টিপসই কীভাবে বিয়ের কাগজে ব্যবহার করা হলো, সেটিই এখন তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

কাবিননামায় বর আবদুল কুদ্দুস

এলাকায় ছড়িয়ে পড়া কাবিননামায় বর হিসেবে স্থানীয় আবদুল কুদ্দুসের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারীর ভাষ্য অনুযায়ী, আবদুল কুদ্দুস এর আগেও বিভিন্ন সময় তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে তিনি কখনোই ওই প্রস্তাবে রাজি হননি।

আবদুল কুদ্দুসের নিজের সংসার রয়েছে। তাঁর স্ত্রী সুফিয়া খাতুন, ছেলেমেয়ে এবং নাতি-নাতনি রয়েছে।

ঘটনার পর কুদ্দুসের স্ত্রী সুফিয়া খাতুনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। তিনি জানান, বিয়ের বিষয়ে তাঁর স্বামী আগে তাঁকে কিছু জানাননি। পরে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে তাঁর স্বামী দাবি করেন, তিনি ওই নারীকে ‘কোর্ট ম্যারেজ’ করেছেন।

সুফিয়া খাতুন বলেন, পরিবারের সদস্যরা তাঁর স্বামীকে বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তিনি কারও কথা শোনেননি।

তবে আবদুল কুদ্দুসের বক্তব্য জানতে গত বুধবার সন্ধ্যায় তাঁর বাড়িতে গেলে তাঁকে পাওয়া যায়নি।

কাবিননামায় আড়াই লাখ টাকা দেনমোহর

এলাকায় ছড়িয়ে পড়া কাবিননামাটি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সেখানে কাজি হিসেবে গোলাম মোস্তফার নাম উল্লেখ রয়েছে। কাবিননামায় দেনমোহরের পরিমাণ আড়াই লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করা হয়েছে বলেও কাগজে উল্লেখ রয়েছে।

কাবিননামায় সাক্ষী হিসেবে আবদুল মান্নান ও সাইফুল ইসলামের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে সাক্ষী হিসেবে নাম থাকা সাইফুল ইসলাম দাবি করেছেন, তিনি ওই বিয়ের কোনো সাক্ষী হননি। অর্থাৎ কাবিননামায় তাঁর নাম থাকলেও তিনি নিজে ওই বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন না বলে দাবি করছেন।

‘কাবিননামাটি সম্পূর্ণ জাল’: কাজি

যাঁর নাম কাবিননামায় কাজি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, সেই গোলাম মোস্তফাও ওই বিয়ের সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছেন।

কাজি গোলাম মোস্তফা বলেন, তিনি ওই নারীর কোনো বিয়ে সম্পন্ন করেননি। তাঁর দাবি, এলাকায় যে কাগজটি ছড়িয়ে পড়েছে, সেটি সম্পূর্ণ জাল।

তিনি আরও জানান, এর আগেও ২০২০ সালে তাঁর নাম ব্যবহার করে একই ধরনের একটি জাল কাগজ তৈরি করা হয়েছিল। সে ঘটনায় তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন।

বর্তমান ঘটনাতেও কী ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সে বিষয়ে তিনি পুলিশের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন।

অভিযোগের কেন্দ্রে আবদুস ছাত্তার

ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের তীর স্থানীয় আবদুস ছাত্তারের দিকে। তাঁর দাবি, ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে আবদুস ছাত্তার তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও ছবি সংগ্রহ করেন। পরে তাঁকে ডেকে একটি কাগজে টিপসই নেওয়া হয়।

ওই টিপসই ব্যবহার করেই তাঁর নামে বিয়ের কাবিননামা তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আবদুস ছাত্তার নিজেকে জামায়াতের সহযোগী সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন। তাঁর একটি কসমেটিকসের দোকান রয়েছে।

তবে ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন আবদুস ছাত্তার।

তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে ওই নারীর কাছ থেকে তিনি কোনো টিপসই নেননি। তাঁর দাবি, এলাকার জমিজমা নিয়ে বিরোধের কারণে তাঁকে এই ঘটনায় ফাঁসানো হচ্ছে।

আবদুস ছাত্তার জামায়াতের পদধারী নেতা কি না, তা নিয়েও বক্তব্য

ঘটনায় আবদুস ছাত্তারের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও বক্তব্য এসেছে উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে।

উপজেলা জামায়াতের আমির মো. ফজলুল হক বলেন, ঘটনার কথা জানার পর তাঁরা স্থানীয় দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিয়েছেন।

তাঁর দাবি, আবদুস ছাত্তার জামায়াতের কোনো পদধারী নেতা নন। বিগত নির্বাচনের সময় তিনি একটি কেন্দ্র কমিটির সহযোগী সদস্য ছিলেন। এর আগে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও জানান তিনি।

মো. ফজলুল হক বলেন, তাঁরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। প্রকৃত অপরাধীদের বিচার হওয়া উচিত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তবে তাঁর ভাষ্য, প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাটি সাজানো বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতও হতে পারে বলে তাঁদের মনে হচ্ছে।

দুই দফা সালিস, অভিযুক্ত দুজনই অনুপস্থিত

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা হিসেবে গত সোমবার ও বুধবার দুই দফা সালিস বৈঠক হয়েছে।

সালিস বৈঠকে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, ছড়িয়ে পড়া কাবিননামা, কাবিননামায় থাকা সাক্ষীদের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবস্থান জানার চেষ্টা করছেন।

তবে দুই দফা সালিসেই আবদুস ছাত্তার ও আবদুল কুদ্দুস উপস্থিত ছিলেন না।

সালিসে তাঁদের আগামী শুক্রবার পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আবদুস ছাত্তার তাঁর অবস্থান স্পষ্ট না করলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সালিসে নেতৃত্ব দেওয়া মোহাম্মদ রুস্তম আলী।

তিনি বলেন, ‘কীভাবে কী হলো, আমরা যাচাই করছি। সালিসের মাধ্যমে সমাধান না হলে আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়া হবে।’

পুলিশের কাছে এখনো লিখিত অভিযোগ নেই

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা ও সালিস হলেও এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ফুলবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান বলেন, তাঁরা বিভিন্নজনের কাছ থেকে ঘটনাটি শুনেছেন। তবে এখনো থানায় এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি।

ওসি বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রকৃত ঘটনা কী—এখনো পরিষ্কার নয়

ফুলবাড়িয়ার এই ঘটনায় একদিকে ৪৩ বছর বয়সী বিধবা নারীর অভিযোগ—ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে তাঁর কাছ থেকে কৌশলে টিপসই নেওয়া হয়েছে এবং সেই টিপসই ব্যবহার করে তাঁর নামে জাল বিয়ের কাবিননামা তৈরি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, অভিযোগের কেন্দ্রে থাকা আবদুস ছাত্তার টিপসই নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে জমিজমা নিয়ে বিরোধের কারণে তাঁকে ফাঁসানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন। কাবিননামায় কাজি হিসেবে যার নাম রয়েছে, সেই গোলাম মোস্তফাও বিয়ে সম্পন্ন করার কথা অস্বীকার করে কাগজটিকে জাল বলেছেন। কাবিননামায় সাক্ষী হিসেবে নাম থাকা সাইফুল ইসলামও সাক্ষী হওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন।

অন্যদিকে কাবিননামায় বর হিসেবে থাকা আবদুল কুদ্দুসের বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। তাঁর স্ত্রী সুফিয়া খাতুন জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী বিষয়টি নিয়ে আগে তাঁকে কিছু জানাননি এবং পরে ‘কোর্ট ম্যারেজ’-এর দাবি করেছেন।

সব মিলিয়ে কাবিননামাটি কীভাবে তৈরি হলো, এতে কারা জড়িত এবং ভুক্তভোগী নারীর টিপসই কীভাবে ওই কাগজে ব্যবহৃত হলো—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি। সালিসের পরবর্তী সিদ্ধান্ত এবং লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশের তদন্তেই ঘটনার প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসতে পারে।

 

জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্যের সঙ্গে, মানুষের পাশে……… 

বিজ্ঞাপন

ইন-আর্টিকেল বিজ্ঞাপন

In-Article Ad Slot | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

সম্পাদক ও প্রকাশক

তৃণমূলের উন্নয়ন, গণমানুষের অধিকার ও বস্তুনিষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বিজ্ঞাপন

নিচের ব্যানার বিজ্ঞাপন

মন্তব্য বিভাগের আগে | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

পাঠকদের মতামত ০টি

মডারেটেড ফোরাম

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন

খবর অনুসন্ধান করুন

জনপ্রিয় সার্চ: অগ্নিঘটনা অন্যান্য... অপরাধ অর্থনীতি ও বানিজ্য