সকাল ১১:৩০:০০
| মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
লোড হচ্ছে...
নামাজ লোড...
বিজ্ঞাপন

হেডার বিজ্ঞাপন স্লট

728×90 Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
নোটিশ
নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা। নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা।
ব্রেকিং নিউজ
মিরপুরে বিক্ষোভকারীদের হামলায় পুলিশ সদস্য আহত, মাটিতে ফেলে পেটানোর ঘটনা মিরপুরজুড়ে আতঙ্ক, তিন দিন ধরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে বিপর্যস্ত জনজীবন মিরপুরে তৃতীয় দিনের মতো পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ রাজধানীতে আজ শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী সোলার এক্সপো, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির বাজারে আবারও আগুন! ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২২৩ টাকা বৃদ্ধি, নতুন দাম ২ হাজার ৬০ টাকা আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভে উত্তাল শিল্পাঞ্চল, কাভার্ডভ্যানে আগুন পোশাকশিল্পে শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন, জড়িত শিল্পমালিকদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামিসা হত্যা মামলার রায় মাত্র ২৮ দিনে, বছরের পর বছর ঝুলে আছে ৪০ লাখের বেশি মামলা
জেলা-উপজেলা:

দৈনিক ইনফো ও সেটিংস

আজকের তারিখ ও পঞ্জিকা

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

আবহাওয়া ও নামাজের সময়

লোড হচ্ছে...

নামাজ লোড...

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

📍 জেলা ও উপজেলা ফিল্টার

চকবাজার অগ্নিকাণ্ড ও দেশজুড়ে অগ্নিঝুঁকি: ৩৭ শতাংশের বেশি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ, কেমিক্যাল গুদামে চরম শঙ্কা

বিজ্ঞাপন

শীর্ষ ব্যানার বিজ্ঞাপন

৪১২×৯০ Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

চকবাজার অগ্নিকাণ্ড ও দেশজুড়ে অগ্নিঝুঁকি: ৩৭ শতাংশের বেশি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ, কেমিক্যাল গুদামে চরম শঙ্কা

​নিজস্ব প্রতিবেদক:,ছবি জিমিনি

রাজধানীর চকবাজারে সংঘটিত ১২ ঘণ্টার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর দেশের সার্বিক অগ্নিনিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে এক উদ্বেগজনক চিত্র সামনে এসেছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সর্বশেষ বার্ষিক জরিপ অনুযায়ী, দেশের পরিদর্শন করা ভবনের ৩৭ দশমিক ৩৮ শতাংশই বিভিন্ন মাত্রার অগ্নিঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা কেমিক্যাল গুদামগুলোর, যার প্রায় ৮৮ শতাংশই ঝুঁকিপূর্ণ। বারবার নোটিশ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হলেও কার্যকর নজরদারি এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অভাবে পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হচ্ছে না।

​চকবাজারের অগ্নিকাণ্ড ও দীর্ঘমেয়াদি সংকট

সর্বশেষ গত ১২ অক্টোবর পুরান ঢাকার চকবাজারের মনজুর খান প্লাজা মার্কেটের একটি দোকানে আগুন লাগে। প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট কাজ শুরু করলেও আগুনের ভয়াবহতা বাড়ায় তা বাড়িয়ে ১০টিতে উন্নীত করা হয়। টানা প্রায় ১২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

​ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, সরু গলির কারণে দমকল বাহিনীর গাড়ি ঘটনাস্থলে সময়মতো প্রবেশ করতে পারেনি। পাশাপাশি দোকানে মজুত প্লাস্টিক ও দাহ্য পদার্থ এবং পানির তীব্র সংকট আগুন নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের বিলম্ব ঘটায়। এই ঘটনা পুরান ঢাকার অগ্নিঝুঁকি এবং তা মোকাবিলায় দীর্ঘদিনের সীমাবদ্ধতা আবারও দৃশ্যমান করেছে।

​২০২৫ সালের জরিপ: ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের হার ঊর্ধ্বমুখী

ফায়ার সার্ভিসের তথ্য বলছে, ২০২৫ সালে সারা দেশে ১০ হাজার ৫৩৩টি ভবন পরিদর্শন করা হয়। এর মধ্যে ৬ হাজার ৫৯৫টি বা ৬২ দশমিক ৬২ শতাংশ ভবনের অগ্নিনিরাপত্তা পরিস্থিতি সন্তোষজনক ছিল। বিপরীতে ৩ হাজার ৩১৬টি ভবনকে (৩১ দশমিক ৪৮ শতাংশ) ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৬২২টি ভবনকে (৫ দশমিক ৯ শতাংশ) অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

​এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের হার ছিল ৩৬ দশমিক ৯০ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে এই হার বেড়ে ৩৭ দশমিক ৩৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। প্রতিবছর নিয়মিত পরিদর্শন, নোটিশ প্রদান এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পরও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের হার না কমায় সংশ্লিষ্টদের নজরদারি ও আইন প্রয়োগের কার্যকারিতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।

​ঝুঁকির এই তালিকায় রয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আবাসিক ভবন, পোশাক কারখানা, হাসপাতাল-ক্লিনিক, শপিং মল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রেস্টুরেন্ট, কেমিক্যাল গুদাম ও ফিলিং স্টেশনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এর মধ্যে অতি ঝুঁকিপূর্ণ ৬২২টি ভবন বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি করছে।

​খাতভিত্তিক ঝুঁকির চিত্র

ফায়ার সার্ভিসের ২০২৫ সালের পরিসংখ্যানে বিভিন্ন খাতের নিরাপত্তা পরিস্থিতির যে চিত্র উঠে এসেছে তা নিম্নরূপ:

  • ​সরকারি প্রতিষ্ঠান: ৬৫২টির মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ১৮৫টি এবং অতি ঝুঁকিপূর্ণ ২৫টি।
  • ​আবাসিক ভবন: ৪৭৩টির মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ১৯০টি এবং অতি ঝুঁকিপূর্ণ ২২টি।
  • ​পোশাকশিল্প কারখানা: ১ হাজার ৫৩৩টির মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৫৯২টি এবং অতি ঝুঁকিপূর্ণ ৮৮টি।
  • ​অন্যান্য কলকারখানা: ৭২০টির মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ২৫১টি এবং অতি ঝুঁকিপূর্ণ ৩৫টি।
  • ​হাসপাতাল ও ক্লিনিক: ১ হাজার ৫৩টির মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৪৩২টি এবং অতি ঝুঁকিপূর্ণ ৭৬টি।
  • ​ডায়াগনস্টিক সেন্টার: ৪৮০টির মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৩টি এবং অতি ঝুঁকিপূর্ণ ১৯টি।
  • ​রেস্টুরেন্ট: ১ হাজার ৭১টির মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৩৭২টি এবং অতি ঝুঁকিপূর্ণ ১৪৫টি।
  • ​শপিং মল ও মার্কেট: ১ হাজার ১৭১টির মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৩৪৫টি এবং অতি ঝুঁকিপূর্ণ ১০৩টি।
  • ​শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: ৭৮৪টির মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ২২৩টি এবং অতি ঝুঁকিপূর্ণ ২৫টি।
  • ​ফিলিং স্টেশন: ১০১টির মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ২৫টি এবং অতি ঝুঁকিপূর্ণ ৭টি।
  • ​অন্যান্য স্থাপনা: ২ হাজার ৪০৪টির মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৫২৬টি এবং অতি ঝুঁকিপূর্ণ ৩৯টি।

​কেমিক্যাল গুদামের ৮৮ শতাংশই ঝুঁকিতে

পরিসংখ্যানে সবচেয়ে ভয়াবহ চিত্র মিলেছে কেমিক্যাল গুদামে। ২০২৫ সালে পরিদর্শন করা ৯১টি কেমিক্যাল গুদামের মধ্যে ৪২টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৩৮টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। অর্থাৎ, প্রায় ৮৮ শতাংশ গুদামই কোনো না কোনো মাত্রায় অগ্নিঝুঁকিতে রয়েছে।

​পুরান ঢাকায় এই ঝুঁকি আরও প্রকট রূপ ধারণ করেছে। সেখানে প্রায় ২৫ হাজার রাসায়নিক ও দাহ্য পদার্থের গুদাম রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। যার মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে মাত্র আড়াই হাজার গুদামকে। একটি বেসরকারি সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব গুদামের প্রায় ১৫ হাজারেরই অবস্থান আবাসিক বাসাবাড়িতে।

​পুরান ঢাকার আরমানিটোলা, লালবাগ, কোতোয়ালি, বংশাল ও চকবাজার এলাকার বিভিন্ন দোকানে গ্লিসারিন, সোডিয়াম অ্যানহাইড্রোস, সোডিয়াম থায়োসালফেট, হাইড্রোজেন পার-অক্ষাইড, মিথাইল ইথাইল কিটোন, থিনার ও আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহলের মতো অতি দাহ্য রাসায়নিক মজুত রাখা হয়। এসব স্থাপনার ওপরের তলাতেই বসবাস করেন সাধারণ মানুষ। এছাড়া দোকান ও গুদামের ওপর দিয়ে ঝুলতে থাকা এলোমেলো বৈদ্যুতিক তার পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক করে তুলছে।

​উল্লেখ্য, ২০১০ সালের নিমতলী অগ্নিকাণ্ডে ১২৪ জন এবং ২০১৯ সালের চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডে ৭১ জনের প্রাণহানির পর পুরান ঢাকা থেকে বিপজ্জনক রাসায়নিকের ব্যবসা সরিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি।

​আইন প্রয়োগ ও ফায়ার সার্ভিসের সুপারিশ

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহজাহান শিকদার জানান, ভবন পরিদর্শনের পর ত্রুটি সংশোধনে নোটিশ দেওয়া হলেও অনেক ক্ষেত্রে মালিকপক্ষ তা আমলে নেয় না। পরবর্তীতে সিটি করপোরেশন বা জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ২০২৫ সালে সারা দেশে এমন ১৯২টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ১৭৯টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ কোটি ৯৪ লাখ ৫২ হাজার ২২০ টাকা জরিমানা এবং আটটি মামলা করা হয়েছে।

​ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও মেনটেনেন্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, সিটি করপোরেশন, রাজউক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা ছাড়া এই পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান কঠিন।

​পরিস্থিতি উত্তরণে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট সুপারিশ দেওয়া হয়েছে:

  • ​আবাসিক ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে রাসায়নিক, প্লাস্টিকের কাঁচামাল এবং দাহ্য পদার্থের গুদাম ও কারখানা নির্ধারিত শিল্পাঞ্চলে স্থানান্তরিত করা।
  • ​নির্দিষ্ট বিসিক এলাকায় ব্যবসায়ীদের জন্য দ্রুত কেমিক্যাল জোন বা বিকল্প স্থান নিশ্চিত করা।
  • ​আবাসিক ভবনে রাসায়নিক মজুতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া।
  • ​ভবন নির্মাণে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (BNBC) পুরোপুরি অনুসরণ করা এবং পর্যাপ্ত জরুরি বহির্গমন পথ রাখা।
  • ​প্রধান সড়কের মোড়ে ও বড় মার্কেটের পাশে ফায়ার হাইড্রেন্ট স্থাপন এবং পুকুরসহ পানির অন্যান্য উৎস সংরক্ষণ করা।
  • ​সরু গলির সমস্যা সমাধান এবং বড় গাড়ি প্রবেশ করতে না পারা এলাকায় ছোট অগ্নিনির্বাপণ যান বাড়ানো।
  • ​ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক তার, ট্রান্সফরমার ও গ্যাসের পাইপলাইন নিয়মিত পরীক্ষা ও সংস্কার করা।
  • ​স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের নিয়মিত অগ্নিনির্বাপণ মহড়া ও প্রশিক্ষণের আওতায় আনা।

​ফায়ার সার্ভিসের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সারা দেশে মোট ২৭ হাজার ৫৯টি অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, যার মধ্যে ৩৪ দশমিক ৭১ শতাংশের মূল কারণ ছিল বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, কেবল নোটিশ দেওয়া বা জরিমানা আদায় করে এই সংকট দূর করা সম্ভব নয়। ভবনমালিকদের আইন মানতে বাধ্য করার পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ গুদাম স্থানান্তর এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বিত ও জোরালো পদক্ষেপই পারে বড় ধরনের ট্র্যাজেডি রোধ করতে।

জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্যের সঙ্গে, মানুষের পাশে…… 

বিজ্ঞাপন

ইন-আর্টিকেল বিজ্ঞাপন

In-Article Ad Slot | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

সম্পাদক ও প্রকাশক

তৃণমূলের উন্নয়ন, গণমানুষের অধিকার ও বস্তুনিষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বিজ্ঞাপন

নিচের ব্যানার বিজ্ঞাপন

মন্তব্য বিভাগের আগে | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

পাঠকদের মতামত ০টি

মডারেটেড ফোরাম

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন

খবর অনুসন্ধান করুন

জনপ্রিয় সার্চ: অগ্নিঘটনা অন্যান্য... অপরাধ অর্থনীতি ও বানিজ্য