সকাল ১১:৩০:০০
| বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
লোড হচ্ছে...
নামাজ লোড...
বিজ্ঞাপন

হেডার বিজ্ঞাপন স্লট

728×90 Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
নোটিশ
নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা। নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা।
ব্রেকিং নিউজ
মিরপুরে বিক্ষোভকারীদের হামলায় পুলিশ সদস্য আহত, মাটিতে ফেলে পেটানোর ঘটনা মিরপুরজুড়ে আতঙ্ক, তিন দিন ধরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে বিপর্যস্ত জনজীবন মিরপুরে তৃতীয় দিনের মতো পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ রাজধানীতে আজ শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী সোলার এক্সপো, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির বাজারে আবারও আগুন! ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২২৩ টাকা বৃদ্ধি, নতুন দাম ২ হাজার ৬০ টাকা আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভে উত্তাল শিল্পাঞ্চল, কাভার্ডভ্যানে আগুন পোশাকশিল্পে শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন, জড়িত শিল্পমালিকদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামিসা হত্যা মামলার রায় মাত্র ২৮ দিনে, বছরের পর বছর ঝুলে আছে ৪০ লাখের বেশি মামলা
জেলা-উপজেলা:

দৈনিক ইনফো ও সেটিংস

আজকের তারিখ ও পঞ্জিকা

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

আবহাওয়া ও নামাজের সময়

লোড হচ্ছে...

নামাজ লোড...

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

📍 জেলা ও উপজেলা ফিল্টার

ক্ষমতার পালাবদলেও থামছে না কিশোর গ্যাং, নিয়ন্ত্রণে কারা?

বিজ্ঞাপন

শীর্ষ ব্যানার বিজ্ঞাপন

৪১২×৯০ Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

ক্ষমতার পালাবদলেও থামছে না কিশোর গ্যাং, নিয়ন্ত্রণে কারা?

নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্ষমতার পালাবদল ঘটে, বদলে যায় এলাকার নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্যের সমীকরণ। কিন্তু পাড়া-মহল্লার অলিগলিতে অপরাধের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা ‘বড়ভাই’ সংস্কৃতির অবসান হচ্ছে না। রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাবের আড়ালে কখনও পুরোনো, কখনও নতুন পৃষ্ঠপোষকদের ছত্রছায়ায় সংগঠিত হচ্ছে কিশোর গ্যাং। হাতে ধারালো অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে মহড়া, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার ও দখলবাজি থেকে শুরু করে খুনের মতো ভয়াবহ অপরাধেও জড়িয়ে পড়ছে এসব গ্যাংয়ের সদস্যরা।

অপরাধের ধরন ও বিস্তৃতি দেখে প্রশ্ন উঠছে—এসব গ্যাংয়ের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ কার হাতে? আর যাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে কিশোররা অপরাধের পথে পা বাড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কতটা কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী?

শুধু রাজধানী ঢাকা নয়, বিভাগীয় শহর থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও ছড়িয়ে পড়েছে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযান ও গ্রেফতার সত্ত্বেও থামছে না তাদের দৌরাত্ম্য। বরং পুলিশের তালিকা অনুযায়ী, এক বছরের ব্যবধানে রাজধানীতে সক্রিয় গ্যাংয়ের সংখ্যা ১১৮ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৯টিতে।

এসব গ্যাংয়ের পেছনে শতাধিক পৃষ্ঠপোষকের নাম উঠে এসেছে। পুলিশ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তাঁদের মধ্যে রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী, সাবেক জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি, আবাসন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি এবং শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সংশ্লিষ্টতার তথ্য রয়েছে।

কিশোর গ্যাং এখন আধিপত্য ও অবৈধ স্বার্থ রক্ষার হাতিয়ার

সংশ্লিষ্টদের মতে, কিশোর গ্যাং এখন আর শুধু বখে যাওয়া কয়েকজন কিশোরের দলবদ্ধ অপরাধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। অনেক ক্ষেত্রে এসব গ্যাং স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার, অবৈধ অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের সহযোগী শক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

কখনও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ভয় দেখানো, কখনও জমি-বাড়ি দখল, আবার কখনও অফিস-আদালতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের কাজে তাদের ব্যবহার করার অভিযোগ রয়েছে। অপরাধজগতে প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় কোথাও কোথাও শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে এসব গ্যাংয়ের যোগাযোগের তথ্যও সামনে আসছে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও অপরাধী চক্রের নিয়ন্ত্রণেও পরিবর্তন এসেছে। তবে কিশোর গ্যাংকে ব্যবহার করে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার প্রবণতা বন্ধ হয়নি। আগে যারা রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব খাটিয়ে কিশোরদের সংগঠিত করতেন, তাঁদের কেউ কেউ এখনও নিজেদের প্রভাব ধরে রেখেছেন। অন্যদিকে কোথাও নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ের ব্যক্তি কিংবা স্থানীয় প্রভাবশালীদের আশ্রয়ে সক্রিয় রয়েছে গ্যাং সদস্যরা।

পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, অনেক ক্ষেত্রে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা অপরাধের দৃশ্যমান অংশে থাকলেও নেপথ্যের নির্দেশদাতা ও অর্থদাতারা থেকে যান আড়ালে। ফলে মাঠপর্যায়ে অভিযান চালিয়ে সদস্যদের গ্রেফতার করা হলেও গ্যাং পরিচালনার নেটওয়ার্ক পুরোপুরি ভেঙে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্ত্রের মহড়া

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দৃশ্যমান হয়ে উঠছে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা। বিভিন্ন নামে সংগঠিত দলের সদস্যদের ধারালো অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ছে অনলাইনে।

কোথাও চাপাতি, ছুরি, চাকু ও সামুরাই ধরনের অস্ত্র হাতে দলবদ্ধভাবে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে। এসব ভিডিও জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির পাশাপাশি অপরাধী গোষ্ঠীগুলোর শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সারা দেশে ৩৮৬ গ্যাং, ঢাকায় সদস্য তিন হাজারের বেশি

পুলিশের তালিকা অনুযায়ী, সারা দেশে ৩৮৬টি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। তালিকাভুক্ত এসব গ্যাংয়ের সদস্যদের প্রায় ৮০ শতাংশের বয়স ১৬ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। কিশোর গ্যাং হিসেবে পরিচিত হলেও এসব অপরাধী গোষ্ঠীতে প্রাপ্তবয়স্ক তরুণদেরও উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী ঢাকায় ১৫৯টি, চট্টগ্রামে ৯৮টি, রাজশাহীতে ১৩টি, সিলেটে ১৫টি এবং গাজীপুর মহানগরে ১৩টি গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। এ ছাড়া দেশের অন্যান্য এলাকাতেও এসব গ্যাংয়ের বিস্তার রয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মহানগরের আটটি বিভাগে সক্রিয় ১৫৯টি গ্যাংয়ের সদস্যসংখ্যা তিন হাজারের বেশি। গত বছর রাজধানীতে সক্রিয় গ্যাংয়ের সংখ্যা ছিল ১১৮টি। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে নতুন করে ৪১টি গ্যাং তালিকায় যুক্ত হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাংয়ের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের অপরাধের ধরন নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। আগে পাড়া-মহল্লায় আধিপত্য বিস্তার কিংবা নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় এসব গ্যাংয়ের নাম বেশি শোনা যেত। এখন মাদক কারবার, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও হত্যার মতো গুরুতর অপরাধেও তাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

কুমিল্লার হত্যাকাণ্ডে নতুন করে আলোচনায় গ্যাং কালচার

গত ১৯ সেপ্টেম্বর কুমিল্লায় কিশোর অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ সামনে আসার পর নতুন করে আলোচনায় আসে গ্যাং কালচার। ঘটনাটি ঘিরে কিশোর অপরাধের বিস্তার, অপরাধীদের পৃষ্ঠপোষকতা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিরোধব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

শুধু এই হত্যাকাণ্ড নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে ছিনতাই, হামলা ও সহিংসতার ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের জড়িত থাকার অভিযোগ সামনে আসছে। কোথাও সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন, আবার কোথাও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপরও হামলার অভিযোগ রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু গ্যাং সদস্যদের গ্রেফতার করে অপরাধের বিস্তার ঠেকানো কঠিন। কারণ, এসব গ্যাংয়ের পেছনে থাকা পৃষ্ঠপোষক ও সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র অক্ষত থাকলে নতুন সদস্য সংগ্রহ করে আবারও অপরাধের নেটওয়ার্ক সক্রিয় করার সুযোগ থেকে যায়।

‘ক্রিমিনাল পলিটিশিয়ান নেক্সাস’ তৈরি হচ্ছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “আমাদের সমাজে মাসল পাওয়ারের একটি সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। এলাকা নিয়ন্ত্রণ, আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি বা বিভিন্ন অবৈধ অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষার জন্য ম্যানপাওয়ার লাগে। সেই ম্যানপাওয়ার অনেক সময় কিশোরদের দিয়ে তৈরি করা হয়। এখানেই তৈরি হয় ক্রিমিনাল পলিটিশিয়ান নেক্সাস।”

কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “কোনও অপরাধী জন্মগতভাবে অপরাধী হয় না। বরং সামাজিক, অর্থনৈতিক, পারিবারিক ও সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তাকে অপরাধে টেনে নেওয়া হয়। প্রথমে তারা ছোটখাটো কাজ করে। যেমন—মাদক পৌঁছে দেওয়া, খবর দেওয়া, এলাকায় মহড়া দেওয়া, চাঁদা তোলা কিংবা প্রতিপক্ষকে ভয় দেখানো। পরে ধীরে ধীরে বড় অপরাধীদের তত্ত্বাবধানে তারা গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।”

এই অপরাধচক্রের দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি তুলে ধরে অধ্যাপক রেজাউল করিম বলেন, “যারা আজ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য, তাদের একটি অংশই আগামী দিনে বড় গ্যাং লিডার বা সংঘবদ্ধ অপরাধী হয়ে ওঠে।”

তিনি আরও বলেন, “একজন কিশোর যখন দেখে কম ঝুঁকিতে বেশি লাভ, এলাকায় পরিচিতি, বড়ভাইদের সান্নিধ্য, অস্ত্র, মোটরসাইকেল ও অর্থ পাওয়া যাচ্ছে, তখন তার কাছে অপরাধ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।”

পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ পুলিশের

কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার রোধে পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) মো. সায়েদুর রহমান বলেন, “সারা দেশে কিশোর গ্যাং ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন মহানগর ও জেলায় সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিচয়ধারী পৃষ্ঠপোষকদের তালিকা ধরে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ ওসমান গনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “কিশোর গ্যাং কালচার নিয়ন্ত্রণে আমরা কাজ করছি। প্রতিনিয়ত অভিযান চালাচ্ছি, গ্রেফতার করছি। এ ছাড়া এই অপরাধ নির্মূলে অভিভাবকদের সচেতন করতে উঠান বৈঠক করা হচ্ছে।”

কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পরিবারকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “সন্তান সন্ধ্যার পর বাসা থেকে কোথায় যাচ্ছে, কী করছে, সে বিষয়ে বাবা-মাকে সচেতন হতে হবে। অভিভাবক সচেতন হলে কিশোর অপরাধ আস্তে আস্তে কমে আসবে।”

শিশু-কিশোরদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে বয়সভিত্তিক আইনি সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন ডিএমপির এই কর্মকর্তা। তাঁর মতে, শিশুদের ক্ষেত্রে প্রচলিত বিচার ও দণ্ডপ্রক্রিয়ায় বিশেষ বিধান থাকায় কিশোর অপরাধ মোকাবিলায় পরিবারকে আরও বেশি দায়িত্ব নিতে হবে। পরিবার থেকেই সুশিক্ষা ও সঠিক দিকনির্দেশনা নিশ্চিত করা জরুরি।

অভিযান চলছে, ভাঙবে কি পৃষ্ঠপোষকদের নেটওয়ার্ক?

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি তাদের পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তবে পুলিশের তালিকায় গ্যাংয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি, বিভিন্ন অপরাধে সদস্যদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ এবং নেপথ্যের পৃষ্ঠপোষকদের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে। অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, কেবল মাঠপর্যায়ের সদস্যদের গ্রেফতার নয়, গ্যাংয়ের অর্থের উৎস, নির্দেশদাতা, রাজনৈতিক ও সামাজিক পৃষ্ঠপোষকতা এবং অপরাধের নেটওয়ার্ক শনাক্ত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

একই সঙ্গে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সমাজকে সম্পৃক্ত করে কিশোরদের অপরাধ থেকে দূরে রাখার উদ্যোগও প্রয়োজন। তা না হলে একদল সদস্য গ্রেফতার হলেও নতুন সদস্য সংগ্রহের মাধ্যমে পুরোনো অপরাধচক্র আবার সক্রিয় হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাবে।

ক্ষমতার পালাবদলে এলাকার নিয়ন্ত্রণ বদলালেও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য কেন থামছে না—সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে অপরাধে জড়িত সদস্যদের পাশাপাশি নেপথ্যে থাকা নির্দেশদাতা ও পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধেও কার্যকর পদক্ষেপ নিশ্চিত করা জরুরি।

 

জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্যের সঙ্গে, মানুষের পাশে…… 

বিজ্ঞাপন

ইন-আর্টিকেল বিজ্ঞাপন

In-Article Ad Slot | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

সম্পাদক ও প্রকাশক

তৃণমূলের উন্নয়ন, গণমানুষের অধিকার ও বস্তুনিষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বিজ্ঞাপন

নিচের ব্যানার বিজ্ঞাপন

মন্তব্য বিভাগের আগে | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

পাঠকদের মতামত ০টি

মডারেটেড ফোরাম

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন

খবর অনুসন্ধান করুন

জনপ্রিয় সার্চ: অগ্নিঘটনা অন্যান্য... অপরাধ অর্থনীতি ও বানিজ্য