সকাল ১১:৩০:০০
| শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
লোড হচ্ছে...
নামাজ লোড...
বিজ্ঞাপন

হেডার বিজ্ঞাপন স্লট

728×90 Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
নোটিশ
নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা। নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা।
ব্রেকিং নিউজ
মিরপুরে বিক্ষোভকারীদের হামলায় পুলিশ সদস্য আহত, মাটিতে ফেলে পেটানোর ঘটনা মিরপুরজুড়ে আতঙ্ক, তিন দিন ধরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে বিপর্যস্ত জনজীবন মিরপুরে তৃতীয় দিনের মতো পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ রাজধানীতে আজ শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী সোলার এক্সপো, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির বাজারে আবারও আগুন! ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২২৩ টাকা বৃদ্ধি, নতুন দাম ২ হাজার ৬০ টাকা আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভে উত্তাল শিল্পাঞ্চল, কাভার্ডভ্যানে আগুন পোশাকশিল্পে শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন, জড়িত শিল্পমালিকদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামিসা হত্যা মামলার রায় মাত্র ২৮ দিনে, বছরের পর বছর ঝুলে আছে ৪০ লাখের বেশি মামলা
জেলা-উপজেলা:

দৈনিক ইনফো ও সেটিংস

আজকের তারিখ ও পঞ্জিকা

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

আবহাওয়া ও নামাজের সময়

লোড হচ্ছে...

নামাজ লোড...

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

📍 জেলা ও উপজেলা ফিল্টার

গণমাধ্যমের নাম-লোগো নকল করে ছড়াচ্ছে ভুয়া ফটোকার্ড, বাড়ছে অপতথ্য ও সামাজিক অস্থিরতার ঝুঁকি

বিজ্ঞাপন

শীর্ষ ব্যানার বিজ্ঞাপন

৪১২×৯০ Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

গণমাধ্যমের নাম-লোগো নকল করে ছড়াচ্ছে ভুয়া ফটোকার্ড, বাড়ছে অপতথ্য ও সামাজিক অস্থিরতার ঝুঁকি

নিজস্ব প্রতিবেদক | জেটিভি নিউজ বাংলা

মূলধারার গণমাধ্যমের নাম, লোগো ও নকশা ব্যবহার করে তৈরি ভুয়া ফটোকার্ডের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে অপতথ্য। এসব ফটোকার্ডে বিভিন্ন ব্যক্তি, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, খেলোয়াড় ও বিনোদন অঙ্গনের পরিচিত ব্যক্তিদের নামে ভুয়া বক্তব্য ও উদ্ধৃতি জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। মুহূর্তের মধ্যেই এসব কনটেন্ট ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এর ফলে ব্যক্তিগত সম্মানহানি, সামাজিক অস্থিরতা ও রাজনৈতিক বিতর্কের পাশাপাশি বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন অঙ্গনের পরিচিত ব্যক্তিরা। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের অপতথ্য ছড়ানোর প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে।

ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানারের ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক বছরে দেশি-বিদেশি ৭৫টি সংবাদমাধ্যমের নাম, লোগো ও নকশা নকল করে ৬৮৭টি ঘটনায় ৭৪৪টি ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ, গণমাধ্যমের পরিচয় ব্যবহার করে গড়ে প্রতিদিন দুটির বেশি ভুল তথ্য প্রচার করা হয়েছে। ২০২৪ সালের তুলনায় এ হার ৪৭ শতাংশ বেশি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়েছে দৈনিক আমার দেশ, যমুনা টিভি ও দৈনিক কালের কণ্ঠের নাম। এ তিনটি গণমাধ্যমের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে যথাক্রমে ১০৬, ৮৯ ও ৭৮টি ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছে।

রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে ছড়াচ্ছে অপতথ্য

রিউমর স্ক্যানারের তথ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মধ্যে একক ব্যক্তি হিসেবে সবচেয়ে বেশি ভুল তথ্যের শিকার হয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাকে নিয়ে ২৭৩টি ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এরপর রয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তাকে নিয়ে ছড়ানো হয়েছে ২১২টি ভুল তথ্য। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে ছড়ানো হয়েছে ১০৯টি অপতথ্য।

এ ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, আ ফ ম খালিদ হোসেন, ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, ফরিদা আখতার, মো. তৌহিদ হোসেন, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, সি আর আবরার, শেখ বশিরউদ্দীন, ফারুক-ই-আজম, বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, ড. আলী রীয়াজ, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, মাহফুজ আলম ও নাহিদ ইসলামকে নিয়েও ভুল তথ্য প্রকাশের কথা জানিয়েছে রিউমর স্ক্যানার।

সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদারকে জড়িয়েও ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

সশস্ত্র বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ঘিরেও ভুল তথ্য

রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের বাইরেও দেশের সশস্ত্র বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে।

রিউমর স্ক্যানারের তথ্য অনুযায়ী, দেশের সশস্ত্র বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জড়িয়ে ৪৯২টি ভুল তথ্য প্রচারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সেনাবাহিনীকে নিয়ে ২১৯টি এবং সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে নিয়ে ৬৯টি ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছে। পুলিশকে নিয়ে ছড়ানো হয়েছে ১৩৩টি ভুল তথ্য।

এ ছাড়া বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি ও আনসারকে নিয়েও ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ক্রীড়াঙ্গন ও বিনোদন জগতের পরিচিত ব্যক্তিরাও বাদ যাচ্ছেন না

ভুয়া ফটোকার্ড ও অপতথ্যের শিকার হচ্ছেন ক্রীড়াঙ্গন এবং বিনোদন জগতের পরিচিত ব্যক্তিরাও।

রিউমর স্ক্যানারের তথ্য অনুযায়ী, ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে নিয়ে ১৫টি, তামিম ইকবালকে নিয়ে ১০টি এবং হামজা চৌধুরীকে নিয়ে সাতটি ভুল তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বিনোদন জগতের সাদিয়া আয়মানকে নিয়ে ১৬টি, পরীমণি ও তাসনিয়া ফারিণকে নিয়ে ১১টি করে এবং আজমেরী হক বাঁধনকে নিয়ে নয়টি ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে রিউমর স্ক্যানার।

পরিচিত ব্যক্তিদের নাম ও ছবি ব্যবহার করে তৈরি এসব ফটোকার্ড দেখতে অনেক সময় আসল সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত কনটেন্টের মতো মনে হয়। ফলে ব্যবহারকারীরা মূল উৎস যাচাই না করেই সেগুলো শেয়ার করতে পারেন। এর প্রভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবন নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

যেভাবে শনাক্ত করা হয় ভুয়া ফটোকার্ড

রিউমর স্ক্যানার জানিয়েছে, কোনো ফটোকার্ড ভুয়া কি না, তা যাচাই করতে প্রথমে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের মূল ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেলে সেটি প্রকাশিত হয়েছে কি না, তা দেখা হয়।

অনেক ক্ষেত্রে ফটোকার্ডের ফন্টের অমিল, তারিখের গরমিল এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে ছবি তৈরির প্রমাণ পাওয়া যায়। এসব বিষয় পর্যালোচনা করে ফটোকার্ডের সত্যতা যাচাইয়ের চেষ্টা করা হয়।

এর উদাহরণ হিসেবে শামা ওবায়েদকে নিয়ে তৈরি একটি ফটোকার্ডের কথা উল্লেখ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। রিউমর স্ক্যানারের তথ্য অনুযায়ী, ফটোকার্ডটির একটি অংশ গুগল জেমিনির ভেরিফাই এআই টুলে পরীক্ষা করে এআই দিয়ে তৈরি বলে শনাক্ত করা হয়েছিল।

তবে কোনো ফটোকার্ডের সত্যতা নির্ধারণে শুধু একটি প্রযুক্তিগত টুলের ফলাফলের ওপর নির্ভর না করে মূল প্রকাশনা, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যও যাচাই করা প্রয়োজন।

ভুয়া ফটোকার্ডে সম্মানহানি ও বিড়ম্বনা

ভুয়া ফটোকার্ডের কারণে ব্যক্তির সম্মানহানি হচ্ছে এবং গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে পারিবারিক ও সামাজিক অশান্তির ঘটনাও সামনে আসছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে নিয়ে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে গুজব ছড়ানোর অপচেষ্টা শনাক্ত করেছে বাংলাফ্যাক্ট।

একইভাবে, ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের নামে যমুনা টিভির লোগো ব্যবহার করে একটি ভুয়া মন্তব্যসংবলিত ফটোকার্ড প্রচারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফটোকার্ডটি যমুনা টিভি প্রকাশ করেনি।

প্রথম আলো, সমকাল, ইনডিপেনডেন্ট টিভি, যমুনা টিভি ও এখন টিভির মতো গণমাধ্যমের নাম ও নকশা ব্যবহার করেও ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানোর ঘটনা ঘটছে। পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিবৃতি দিয়ে জানাতে হচ্ছে, প্রচারিত ফটোকার্ডটি তাদের প্রকাশিত নয়।

অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের নাম ও ছবি ব্যবহার করে নারীদের নিয়ে কিংবা রাজনৈতিকভাবে উসকানিমূলক বক্তব্যসংবলিত ভুয়া ফটোকার্ড তৈরি করা হচ্ছে। এসব ফটোকার্ড ভাইরাল হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও তাদের পরিবারকে বিব্রতকর পরিস্থিতি এবং সামাজিক হেনস্তার মুখে পড়তে হয়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি লেখা পড়তে দুই মিনিট লাগলেও ফটোকার্ডের বক্তব্য বুঝতে লাগে মাত্র দুই সেকেন্ড। এ কারণে ফটোকার্ড দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

‘আমার নামে বহু ভুয়া ফটোকার্ড প্রকাশ করা হয়েছে’: মাসুদ কামাল

সাংবাদিক ও কলামিস্ট মাসুদ কামাল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, তিনি এমন বক্তব্যেরও মুখোমুখি হয়েছেন, যা তিনি দেননি অথচ তার নামে প্রচার করা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনার বিষয়ে সব সময় তাৎক্ষণিকভাবে জানা বা প্রতিবাদ করা সম্ভব হয় না বলেও জানান তিনি।

মাসুদ কামাল বলেন, “এমন একটা বিষয়, যেটা আমি বলিনি, সেটা আমার নামে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে যে সমস্যাটা হয়, মনে করেন, চার-পাঁচ দিন পরে অথবা আমি যখন বিষয়টি দেখি; সবকিছু তো আর আমি দেখি না; তখন হয়তো প্রতিবাদ করি, আবার অনেক সময় করিও না। কিন্তু কার কাছে প্রতিবাদ করবো? প্রতিবাদ করার মতো কোনো কর্তৃপক্ষ তো নেই। যদি কোনো কর্তৃপক্ষ থাকতো, তাহলে তাকে বলতে পারতাম, ‘আপনি তো আমার কথা প্রকাশ করেছেন, কিন্তু আমি এ কথা বলিনি।’ কিন্তু এখানে এ ধরনের কেউ নেই।”

তিনি বলেন, এসব ভুয়া ফটোকার্ড দেখে মানুষের মধ্যে তার সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি হয়। এ ধরনের ফটোকার্ডের কারণে মানুষ অপমানিত ও বিব্রত হন। অনেক সময় সামাজিক অস্থিতিশীলতাও তৈরি হয়।

নিজের নামেও বহু ভুয়া ফটোকার্ড প্রকাশিত হয়েছে জানিয়ে মাসুদ কামাল বলেন, “আমার নামে এ রকম বহু ভুয়া ফটোকার্ড প্রকাশ করা হয়েছে। বড় বড় প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করেও এসব ফটোকার্ড ছাপা হয়েছে। আমি তাদের ফোন দিয়েছি। তারা বলেছে, ‘ভাই, না, এটা তো আমরা করিনি।’ কিন্তু কে করেছে, তা-ও তারা বলতে পারে না। শুধু বানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কখনও এআই দিয়ে বানানো হচ্ছে, আবার অনেক সময় নিজেরাও বানিয়ে দিচ্ছে।”

এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে খুবই খারাপ প্রবণতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমি মনে করি, এ ধরনের কর্মকাণ্ড মানুষের জীবনকে খুবই দুর্বিষহ করে তোলে। মানুষকে বিভ্রান্ত করে, মানুষের চিন্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং ব্যক্তিগত জীবনযাপনকে পরবর্তী সময়ে অসহনীয় করে তোলে।”

দায়িত্বশীল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী তৈরির তাগিদ

ভুয়া ফটোকার্ডের কারণে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর আহমেদ।

তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, সমস্যার মূল জায়গায় নজর দেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশে অনেক সময় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে মূল সমস্যার সমাধানে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। ফলে সমস্যাগুলো থেকেই যায়।

অধ্যাপক আবুল মনসুর আহমেদ বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের দায়িত্বশীল করে তোলা প্রয়োজন। এ জন্য নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং কীভাবে দায়িত্বশীল ব্যবহারকারী তৈরি করা যায়, তা নিয়ে ভাবতে হবে।

তিনি বলেন, কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে ব্যবহারকারীর ভাবা উচিত, সেটি শেয়ার করা ঠিক হবে কি না। কোনো ভুয়া ফটোকার্ড শেয়ার করা বা তাতে লাইক দেওয়ার আগেও তথ্যটি সঠিক কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন। সেটি শেয়ার বা ফরওয়ার্ড করলে কোনো ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে কি না, তা বিবেচনায় নিতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে এ ধরনের দায়িত্বশীলতা আছে কি না, তা দেখতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো দায়িত্বশীল ব্যবহারকারী তৈরিতে এখন পর্যন্ত কী ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে, সেটিও বিবেচনা করা প্রয়োজন। তবে এ ক্ষেত্রে তেমন উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অনলাইন পোর্টালের নিবন্ধন ও যাচাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশের প্রশ্ন

অধ্যাপক আবুল মনসুর আহমেদ জানান, দেশে কয়েক হাজার অনলাইন পোর্টাল থাকলেও তথ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে মাত্র তিন হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার পোর্টাল নিবন্ধনের আওতায় এসেছে বলে তার বক্তব্য। অর্থাৎ, অনেক পোর্টালই নিবন্ধনের বাইরে রয়েছে।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে পড়ার পর সেটি অনলাইন পোর্টালেও সংবাদ হিসেবে প্রকাশিত হচ্ছে। মিথ্যা তথ্য, গুজব ও ভুয়া ফটোকার্ডের ওপর ভিত্তি করে সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে, যা হওয়া উচিত নয়।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, অনলাইন সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রেও তথ্যের উৎস যাচাই করা এবং নির্ভরযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করা প্রয়োজন।

সম্প্রচার আইন ও কমিশন গঠনের প্রয়োজনীয়তা

অধ্যাপক আবুল মনসুর আহমেদ বলেন, অনেক আগেই একটি সম্প্রচার আইন হওয়ার কথা ছিল। সেই আইনের আওতায় সম্প্রচার কমিশন গঠনেরও কথা ছিল। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল, অনলাইন পোর্টালসহ সংশ্লিষ্ট মাধ্যমগুলো এ কমিশনের নজরদারিতে থাকার কথা ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত তা হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বিষয়গুলো নিয়ে ভাবার পাশাপাশি মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মানুষকে আরও দায়িত্বশীল করে তোলার উপায় খুঁজতে হবে।

অপতথ্য ঠেকাতে জবাবদিহি নিশ্চিত করার পরামর্শ

ভুয়া ফটোকার্ড ও অপতথ্য প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে সাংবাদিক মাসুদ কামাল বলেন, যারা ইচ্ছাকৃতভাবে এসব কাজ করেন, তাদের নীতিবোধ জাগ্রত হবে—এমন প্রত্যাশা করে লাভ নেই।

তার মতে, সরকারের উচিত ভুয়া ফটোকার্ড প্রকাশের পর সেটি কোন উৎস থেকে আপলোড করা হয়েছে, তা খুঁজে বের করা। কেউ সেটি শেয়ার করলেও তার ভূমিকা ও প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে জবাবদিহির বিষয়টি দেখা প্রয়োজন। কারণ, তিনি কেন সেটি শেয়ার করবেন, তার জবাবদিহি থাকা উচিত বলে মনে করেন মাসুদ কামাল।

এ ধরনের দু-একটি ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া গেলে হয়তো প্রবণতাটি কমে আসত বলে মনে করেন তিনি। তা না হলে সমাজে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মাসুদ কামাল বলেন, “প্রতিকারের একমাত্র উপায় হলো, এ ধরনের ফটোকার্ড পাওয়া গেলে সরকারের উচিত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। অথবা যে প্রতিষ্ঠানের নামে ফটোকার্ডটি প্রকাশ করা হয়, তাদেরও এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।”

কোনো পত্রিকা বা টেলিভিশনের নামে ভুয়া ফটোকার্ড প্রকাশিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানেরও বিষয়টি স্পষ্ট করা উচিত বলে মনে করেন তিনি। প্রতিষ্ঠানটি জানাতে পারে, তাদের নামে একটি ভুয়া ফটোকার্ড প্রকাশ করা হয়েছে, অথচ তারা সেটি প্রকাশ করেনি এবং এর দায়দায়িত্বও তাদের নয়।

সচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল ব্যবহারকারী তৈরির বিষয়ে অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর আহমেদ বলেন, মানুষকে সচেতন করতে হবে। গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন বা বুলেটিনের মতো করে প্রচার চালাতে হবে, যাতে মানুষ বুঝতে পারেন যে ভুয়া তথ্য শেয়ার করা উচিত নয়। কেউ এ ধরনের তথ্য শেয়ার করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, সেটিও জানাতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিষয়ে মূলধারার টেলিভিশন চ্যানেলসহ অন্যান্য গণমাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রচার-প্রচারণা রয়েছে কি না, তা দেখতে হবে। কোন ধরনের তথ্য শেয়ার করা যাবে আর কোন ধরনের তথ্য শেয়ার করা যাবে না, সে বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে হবে। বিষয়গুলো জানানো গেলে ব্যবহারকারীদের মধ্যে দায়িত্বশীলতা তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, জনসচেতনতা তৈরির মাধ্যমে দায়িত্বশীল ব্যবহারকারী গড়ে তোলা সম্ভব। একই সঙ্গে সিম বিক্রির ক্ষেত্রে আরও কঠোর হতে হবে, যাতে কেউ ইচ্ছেমতো একাধিক সিম ব্যবহার করতে না পারেন।

তার মতে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা গেলে সমস্যাগুলো মোকাবিলা করা সম্ভব।

“আমি বলব না, এটি অসম্ভব।”

জেলা পর্যায়ে সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর প্রস্তাব

অধ্যাপক আবুল মনসুর আহমেদ বলেন, প্রতিটি জেলা শহরে তথ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অফিস রয়েছে। সেখানকার তথ্য কর্মকর্তাদের মাধ্যমে গ্রামগঞ্জের মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা যেতে পারে।

রাজধানীতে সচেতনতামূলক প্রচারের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তর রয়েছে। এই অধিদপ্তর শিল্পীদের দিয়ে গান ও অন্যান্য প্রচারমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে রাস্তার মোড়ে মোড়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাতে পারে।

তিনি বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় পরিস্থিতি ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে। কারণ, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রবেশ করেছে। এআই ও চ্যাটবট ব্যবহার করে এখন অনেক কিছু তৈরি করা যায়, অনেক কিছু কৃত্রিমভাবে বানানো সম্ভব। তাই এসব বিষয় নিয়ে এখনই চিন্তা করার উপযুক্ত সময়।

সাইবার আইন নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ চলছে: আইনমন্ত্রী

ভুয়া তথ্য ও এআইয়ের অপব্যবহার ঠেকাতে আইনি সুরক্ষার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে সরকার।

গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সাইবার আইন নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ চলছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া এলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়রানি এবং এআই ব্যবহার করে ক্ষতিগ্রস্ত করার বিরুদ্ধে কার্যকর সুরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ব্যাপক ঐকমত্য তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত আইনের ভাষা ও বিধান কী হবে, তা নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের কাছ থেকে নানা মতামত আসছে। এসব মতামত পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এরপর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জাতীয় সংসদে বিষয়টি এগিয়ে নেওয়া হবে।

আইনমন্ত্রী বলেন, “এখনও এটা একটা ‘র’ স্টেজে আছে, প্রাইমারি স্টেজে আছে। আমরা এখনও এটা ফাইনাল ড্রাফটিংয়ের স্টেজে যাইনি।”

তিনি বলেন, প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে এআইয়ের ব্যবহার মানুষের জীবনকে সহজ করছে। তবে এর অপব্যবহার নতুন উদ্বেগও তৈরি করছে। এআই দিয়ে তৈরি বা বিকৃত ছবি, ভিডিও কিংবা অন্যান্য কনটেন্টের মাধ্যমে কাউকে সামাজিকভাবে হেয় করা, সম্মানহানি ঘটানো কিংবা ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে ক্ষতি করার আশঙ্কা রয়েছে।

সাইবার আইন নিয়ে চলমান জনপরামর্শে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে একটি বিষয়ে ঐকমত্য দেখা যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষকে যেভাবে হয়রানি করা হচ্ছে এবং এআই ব্যবহার করে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে, তা প্রতিরোধে আইনি সুরক্ষা প্রয়োজন।

‘ডিসইনফরমেশন বেসড ফটোকার্ড অ্যালাউ করবো না’: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

এর আগে নিজের বক্তব্য বিকৃত করে একটি জাতীয় দৈনিকে ফটোকার্ড প্রকাশের উদাহরণ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান গত ২৮ এপ্রিল সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ফটোকার্ড নিয়ে সরকারের অবস্থানের কথা জানিয়েছিলেন।

তিনি বলেছিলেন, “আমরা আসলে ফটোকার্ড নিয়ে শক্ত অবস্থানে যাবো। আমরা ডিসইনফরমেশন বেসড ফটোকার্ড আসলে অ্যালাউ করবো না।”

তার এ বক্তব্যে অপতথ্যভিত্তিক ফটোকার্ডের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়ার কথা উঠে আসে।

ভুয়া ফটোকার্ড থেকে সতর্ক থাকতে যা করবেন

ভুয়া ফটোকার্ড ও অপতথ্যের বিস্তার ঠেকাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের সচেতন ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ফটোকার্ড দেখার পর সেটি শেয়ার করার আগে কয়েকটি বিষয় যাচাই করা যেতে পারে—

  • সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের মূল ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ বা ইউটিউব চ্যানেলে ফটোকার্ডটি প্রকাশিত হয়েছে কি না।
  • ফটোকার্ডে দেওয়া বক্তব্য, তারিখ ও ঘটনার সঙ্গে নির্ভরযোগ্য সংবাদসূত্রের তথ্য মেলে কি না।
  • সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বক্তব্যটি নিশ্চিত করেছে কি না।
  • ফটোকার্ডের ফন্ট, লোগো, নকশা বা বানানে সন্দেহজনক অসংগতি রয়েছে কি না।
  • তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সেটি শেয়ার বা ফরওয়ার্ড করা থেকে বিরত থাকা যায় কি না।

সন্দেহজনক কোনো ফটোকার্ডকে নিশ্চিত সংবাদ হিসেবে প্রচার না করে মূল উৎস যাচাই করা এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম বা নির্ভরযোগ্য ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নেওয়া উচিত।

উপসংহার

গণমাধ্যমের নাম, লোগো ও নকশা ব্যবহার করে তৈরি ভুয়া ফটোকার্ডের সমস্যা এখন তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা, ব্যক্তিগত মর্যাদা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ হিসেবে সামনে এসেছে।

রিউমর স্ক্যানারের পরিসংখ্যান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে তথ্য যাচাই, জনসচেতনতা, গণমাধ্যমের দায়িত্বশীলতা ও কার্যকর আইনি সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা উঠে এসেছে।

একই সঙ্গে কোনো অভিযোগ বা প্রচারিত বক্তব্যের সত্যতা যাচাই না করে সেটিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে গ্রহণ না করার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য, মূল প্রকাশনা এবং নির্ভরযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তথ্য মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ফটোকার্ড দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেই সেটি সত্য হয়ে যায় না। তাই শেয়ার করার আগে তথ্য যাচাই করা এবং দায়িত্বশীলভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করাই অপতথ্যের ক্ষতি কমানোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

 

জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্যের সঙ্গে, মানুষের পাশে……… 

বিজ্ঞাপন

ইন-আর্টিকেল বিজ্ঞাপন

In-Article Ad Slot | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

সম্পাদক ও প্রকাশক

তৃণমূলের উন্নয়ন, গণমানুষের অধিকার ও বস্তুনিষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বিজ্ঞাপন

নিচের ব্যানার বিজ্ঞাপন

মন্তব্য বিভাগের আগে | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

পাঠকদের মতামত ০টি

মডারেটেড ফোরাম

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন

খবর অনুসন্ধান করুন

জনপ্রিয় সার্চ: অগ্নিঘটনা অন্যান্য... অপরাধ অর্থনীতি ও বানিজ্য