সকাল ১১:৩০:০০
| রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
লোড হচ্ছে...
নামাজ লোড...
বিজ্ঞাপন

হেডার বিজ্ঞাপন স্লট

728×90 Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
নোটিশ
নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা। নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা।
ব্রেকিং নিউজ
মিরপুরে বিক্ষোভকারীদের হামলায় পুলিশ সদস্য আহত, মাটিতে ফেলে পেটানোর ঘটনা মিরপুরজুড়ে আতঙ্ক, তিন দিন ধরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে বিপর্যস্ত জনজীবন মিরপুরে তৃতীয় দিনের মতো পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ রাজধানীতে আজ শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী সোলার এক্সপো, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির বাজারে আবারও আগুন! ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২২৩ টাকা বৃদ্ধি, নতুন দাম ২ হাজার ৬০ টাকা আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভে উত্তাল শিল্পাঞ্চল, কাভার্ডভ্যানে আগুন পোশাকশিল্পে শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন, জড়িত শিল্পমালিকদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামিসা হত্যা মামলার রায় মাত্র ২৮ দিনে, বছরের পর বছর ঝুলে আছে ৪০ লাখের বেশি মামলা
জেলা-উপজেলা:

দৈনিক ইনফো ও সেটিংস

আজকের তারিখ ও পঞ্জিকা

রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

আবহাওয়া ও নামাজের সময়

লোড হচ্ছে...

নামাজ লোড...

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

📍 জেলা ও উপজেলা ফিল্টার

আধুনিক অস্ত্র উৎপাদনে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়তে চায় সরকার, ‘ওয়ান র‍্যাংক, ওয়ান পেনশন’ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন

বিজ্ঞাপন

শীর্ষ ব্যানার বিজ্ঞাপন

৪১২×৯০ Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

আধুনিক অস্ত্র উৎপাদনে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়তে চায় সরকার, ‘ওয়ান র‍্যাংক, ওয়ান পেনশন’ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন

জেটিভি নিউজ বাংলা | নিজস্ব প্রতিবেদক

পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতি, আধুনিক যুদ্ধকৌশল এবং জাতীয় নিরাপত্তার ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ ও আধুনিক করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠা এবং প্রয়োজনীয় অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, আর্থিক নিরাপত্তা এবং অবসর-পরবর্তী সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, সেনাসদস্যদের জন্য ‘ওয়ান র‍্যাংক, ওয়ান পেনশন’ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় পে-স্কেলে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৩৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

রবিবার সকালে সেনাবাহিনীর কয়েকটি ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বা জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। নবম পদাতিক ডিভিশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, উপদেষ্টা, সেনাবাহিনী প্রধান, বিদেশি কূটনীতিক এবং সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে পেশাগত সাফল্য ও দায়িত্ব পালনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সেনাবাহিনীর সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করা হয়। এ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোর সদস্যদের অভিনন্দন জানান এবং দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় পেশাদারত্ব, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

সাতটি সামরিক ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান

সেনাবাহিনীর যেসব ইউনিট জাতীয় পতাকা অর্জন করেছে, সেগুলো হলো—৭ ও ৩২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ২৫ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট, ৯ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ৫৬ ও ৫৭ ইস্ট বেঙ্গল এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর)।

পেশাগত সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ এসব ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করা হয়। সামরিক বাহিনীতে জাতীয় পতাকা একটি ইউনিটের অর্জন, ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতির গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড শুধু একটি পতাকা নয়; এটি একটি ইউনিটের ইতিহাস, ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা, আত্মত্যাগ, পেশাদারত্ব এবং দেশের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতীক। জাতীয় পতাকা অর্জনের মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিটের সদস্যদের ওপর দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়। এ অর্জনকে সামনে রেখে অর্পিত দায়িত্ব আরও নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে পালনের নতুন শপথ নিতে হয়।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর প্রতিটি ইউনিটের সাফল্যের পেছনে সদস্যদের কঠোর পরিশ্রম, প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা এবং দায়িত্বের প্রতি অবিচল অঙ্গীকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জাতীয় পতাকা অর্জন এসব গুণের স্বীকৃতি এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করার প্রেরণা।

বদলে যাচ্ছে জাতীয় নিরাপত্তার ধারণা

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে জাতীয় নিরাপত্তার ধারণা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। আগে স্থল, সমুদ্র ও আকাশসীমার নিরাপত্তাকে প্রধান বিবেচনায় নেওয়া হলেও আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশের কারণে নিরাপত্তার পরিধি এখন আরও বিস্তৃত হয়েছে।

সাইবার স্পেস, মহাকাশ, ড্রোন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইলেকট্রনিক যুদ্ধ এবং তথ্যভিত্তিক সক্ষমতা এখন জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এসব ক্ষেত্রে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার ফলে প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির ধরনেও পরিবর্তন আনতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করা, দক্ষ জনবল তৈরি এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধব্যবস্থায় দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, নির্ভুল তথ্য বিশ্লেষণ, বিভিন্ন বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় এবং আধুনিক সরঞ্জামের কার্যকর ব্যবহার বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এ বাস্তবতায় সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

দেশেই অস্ত্র, গোলাবারুদ ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের পরিকল্পনা

সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের পাশাপাশি দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান তারেক রহমান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম দেশে উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তোলার বিষয়টি সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে।

দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলা হলে সামরিক সরঞ্জামের চাহিদা পূরণে দেশের নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহে বিদেশি উৎসের ওপর নির্ভরতা কমানোর ক্ষেত্রেও এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার আওতায় কোন কোন সরঞ্জাম প্রথম পর্যায়ে উৎপাদন করা হবে, কী পরিমাণ বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে কিংবা বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট সময়সীমা কী—সে বিষয়ে বক্তব্যে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী যেন প্রয়োজনের মুহূর্তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে, সেজন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

তাঁর মতে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন শাখার মধ্যে সমন্বিত সক্ষমতা গড়ে তোলা জরুরি। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কার্যকর প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির জন্য প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ এবং পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

‘ওয়ান র‍্যাংক, ওয়ান পেনশন’ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কল্যাণের বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, সেনাসদস্যদের জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত করতে ‘ওয়ান র‍্যাংক, ওয়ান পেনশন’ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এই ব্যবস্থার বাস্তবায়ন নিয়ে সেনাসদস্যদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে। তবে এটি কার্যকর হলে পেনশন নির্ধারণের পদ্ধতি, বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যদের জন্য সুবিধার কাঠামো এবং বাস্তবায়নের সময়সীমা কী হবে, সে বিষয়ে অনুষ্ঠানে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় পে-স্কেলে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৩৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। সদস্যদের আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাঁদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

সেনাসদস্যদের আবাসন, চিকিৎসা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং অবসর-পরবর্তী সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়গুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বলেও জানান তিনি।

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালনকালে নানা ধরনের পেশাগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন। তাঁদের পরিবার, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, সন্তানদের শিক্ষা এবং অবসরজীবনের নিরাপত্তার বিষয়গুলো সামগ্রিক কল্যাণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এসব ক্ষেত্রে সুযোগ-সুবিধা উন্নয়নের বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে।

দুর্যোগ মোকাবিলা ও আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর অবদান

দেশের অভ্যন্তরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ভূমিকার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে বিদেশে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

দেশে বিভিন্ন দুর্যোগ ও জরুরি পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনী দায়িত্ব পালন করে থাকে। এসব পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা, উদ্ধার তৎপরতায় সহায়তা এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাঁদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন। এসব মিশনে তাঁদের পেশাদারত্ব ও দায়িত্বশীলতা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির সঙ্গে সম্পর্কিত।

প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর এসব অবদানের প্রশংসা করে দেশের প্রয়োজনে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দায়িত্ব পালনে তাঁদের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে জন্ম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর জন্মের ইতিহাস স্বাধীনতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়েই এ বাহিনীর যাত্রা শুরু হয়।

এ প্রসঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা স্মরণ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর হামলা শুরু করলে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের তৎকালীন উপ-অধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান বিদ্রোহের ঘোষণা দেন।

পরে ২৬ মার্চ তিনি সশস্ত্র প্রতিরোধের নির্দেশ দেন এবং ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

জিয়াউর রহমানের লেখা ‘একটি জাতির জন্ম’ নিবন্ধের উদ্ধৃতি দিয়ে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সঙ্গে সেনাবাহিনীর জন্মের ইতিহাস অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। এ কারণে দেশপ্রেমিক জনগণ সেনাবাহিনীর সাফল্যকে বাংলাদেশের সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করে।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, সেনাবাহিনীর ঐতিহ্য এবং দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় এ বাহিনীর দায়িত্বের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়।

জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষার অঙ্গীকার

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষা হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা ও পেশাদারত্ব বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে চায় বাংলাদেশ।

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা এবং সহযোগিতার নীতিকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন, দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠা, আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণের ব্যবহার, সেনাসদস্যদের কল্যাণ এবং মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহ্য ধারণ—সব মিলিয়ে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারেক রহমান।

অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্জনকারী ইউনিটগুলোর সাফল্যকে সেনাবাহিনীর পেশাগত অগ্রযাত্রার স্বীকৃতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ ও আত্মমর্যাদা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে আরও দক্ষ, আধুনিক এবং প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

 

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্যে সঙ্গে, মানুষের পাশে……. 

বিজ্ঞাপন

ইন-আর্টিকেল বিজ্ঞাপন

In-Article Ad Slot | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

সম্পাদক ও প্রকাশক

তৃণমূলের উন্নয়ন, গণমানুষের অধিকার ও বস্তুনিষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বিজ্ঞাপন

নিচের ব্যানার বিজ্ঞাপন

মন্তব্য বিভাগের আগে | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

পাঠকদের মতামত ০টি

মডারেটেড ফোরাম

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন

খবর অনুসন্ধান করুন

জনপ্রিয় সার্চ: অগ্নিঘটনা অন্যান্য... অপরাধ অর্থনীতি ও বানিজ্য