সকাল ১১:৩০:০০
| রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
লোড হচ্ছে...
নামাজ লোড...
বিজ্ঞাপন

হেডার বিজ্ঞাপন স্লট

728×90 Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
নোটিশ
নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা। নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা।
ব্রেকিং নিউজ
আমিনবাজার রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনারের বড় বোনের মৃত্যুতে আমিনবাজার রাজস্ব সার্কেল ও জেটিভি নিউজ বাংলার শোক প্রকাশ মিরপুরে বিক্ষোভকারীদের হামলায় পুলিশ সদস্য আহত, মাটিতে ফেলে পেটানোর ঘটনা মিরপুরজুড়ে আতঙ্ক, তিন দিন ধরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে বিপর্যস্ত জনজীবন মিরপুরে তৃতীয় দিনের মতো পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ রাজধানীতে আজ শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী সোলার এক্সপো, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির বাজারে আবারও আগুন! ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২২৩ টাকা বৃদ্ধি, নতুন দাম ২ হাজার ৬০ টাকা আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভে উত্তাল শিল্পাঞ্চল, কাভার্ডভ্যানে আগুন পোশাকশিল্পে শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন, জড়িত শিল্পমালিকদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জেলা-উপজেলা:

দৈনিক ইনফো ও সেটিংস

আজকের তারিখ ও পঞ্জিকা

রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

আবহাওয়া ও নামাজের সময়

লোড হচ্ছে...

নামাজ লোড...

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

📍 জেলা ও উপজেলা ফিল্টার

নাটোরের ৮ পৌরসভায় নেই পূর্ণাঙ্গ ডাম্পিং স্টেশন, যত্রতত্র বর্জ্যে দূষিত পরিবেশ

বিজ্ঞাপন

শীর্ষ ব্যানার বিজ্ঞাপন

৪১২×৯০ Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

নাটোরের ৮ পৌরসভায় নেই পূর্ণাঙ্গ ডাম্পিং স্টেশন, যত্রতত্র বর্জ্যে দূষিত পরিবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | জেটিভি নিউজ বাংলা

নাটোরের পৌর শহরগুলোতে প্রতিদিন জমছে বিপুল পরিমাণ গৃহস্থালি ও অন্যান্য বর্জ্য। কিন্তু এসব বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নেই পূর্ণাঙ্গ ডাম্পিং স্টেশন বা নির্ধারিত ভাগাড়। ফলে কোথাও ব্যস্ততম সড়কের পাশে, কোথাও হাটবাজারের ভেতরে, আবার কোথাও নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে পৌরসভার বর্জ্য। দীর্ঘদিন ধরে এসব বর্জ্য খোলা জায়গায় পড়ে থাকায় ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ, দূষিত হচ্ছে পরিবেশ এবং বাড়ছে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ।

ব্যস্ততম সড়কের পাশে স্তূপ করে ফেলে রাখা হয়েছে পৌর শহরের বর্জ্য। রোদ-বৃষ্টিতে পচে এসব বর্জ্য থেকে ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ। তৈরি হচ্ছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। বর্জ্যের স্তূপে খাবার খুঁজছে কুকুর, বিড়াল ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখি। দুর্গন্ধে পথচারীদের কেউ নাক চেপে রাস্তা পার হচ্ছেন, আবার কেউ দম বন্ধ করে দ্রুত সেখান থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। দুর্গন্ধ সহ্য করতে না পেরে কারও কারও বমিও হচ্ছে।

বর্জ্য ফেলার নির্ধারিত ভাগাড় বা ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় এমন পরিস্থিতির শিকার নাটোরের বড়াইগ্রাম পৌরসভার বাসিন্দারা। তবে সমস্যাটি শুধু বড়াইগ্রাম পৌরসভায় সীমাবদ্ধ নয়। জেলার আটটি পৌরসভাতেই কমবেশি একই চিত্র দেখা গেছে। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পৌরসভা হলেও একটিতেও পূর্ণাঙ্গ ডাম্পিং ব্যবস্থা নেই। ফলে পৌর শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নির্দিষ্ট ও কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। পৌর কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য ফেলায় শহরের পাশাপাশি আশপাশের গ্রাম ও জনপদের পরিবেশও দূষিত হচ্ছে।

প্রাচীন পৌরসভাতেও নেই কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা

নাটোর পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৬৯ সালে। এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম পৌরসভাগুলোর একটি। পরবর্তী সময়ে পৌরসভাটি ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত হয়। দীর্ঘদিনের পুরোনো এই পৌরসভাতেও বর্জ্য ফেলার পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা না থাকায় বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য ফেলার একই চিত্র দেখা যাচ্ছে।

১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত সিংড়া পৌরসভাও ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভা। এ ছাড়া গুরুদাসপুর পৌরসভা এবং বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া ও বড়াইগ্রাম পৌরসভাও ‘ক’ শ্রেণির মর্যাদায় রয়েছে। অন্যদিকে ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত নলডাঙ্গা পৌরসভা এখনো ‘গ’ শ্রেণিতে রয়েছে। লালপুরের গোপালপুর পৌরসভা দ্বিতীয় শ্রেণির এবং ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বাগাতিপাড়া পৌরসভা তৃতীয় শ্রেণির মর্যাদায় রয়েছে।

পৌরসভাগুলোর শ্রেণি ও প্রতিষ্ঠাকাল ভিন্ন হলেও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সংকট অনেকটা একই রকম। নির্ধারিত ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় বিভিন্ন এলাকায় খোলা জায়গায় বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

সড়কের পাশে বর্জ্য, মরছে গাছ

ছবি ঃ সংগৃহীত

সরেজমিনে দেখা গেছে, বড়াইগ্রাম ও বনপাড়া পৌরসভার বর্জ্য শহরের বাইরে নিয়ে বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের পাশে ফেলা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কের একেবারে ধার ঘেঁষে বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশদূষণের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সড়কের পাশের গাছপালাও।

ইতিমধ্যে খেজুর ও তালগাছসহ অন্তত ছয়টি গাছ মারা গেছে। তারপরও পৌরসভার বর্জ্যবাহী গাড়ি নিয়মিত সেখানে বর্জ্য ফেলছে। ব্যস্ততম মহাসড়কের পাশে এভাবে বর্জ্য ফেলার কারণে দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি আশপাশের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। সড়ক দিয়ে চলাচলকারী মানুষকেও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

বর্জ্য ফেলার কারণে জনদুর্ভোগের বিষয়টি স্বীকার করেছেন বড়াইগ্রাম পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস।

তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের জন্য সরকারি খাসজমি খোঁজা হচ্ছে। জমি পাওয়া গেলেই ডাম্পিং স্টেশন তৈরি করা হবে।’

অর্থাৎ, ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের জন্য এখনো উপযুক্ত সরকারি খাসজমি খোঁজার কাজ চলছে। জমি পাওয়া গেলে সেখানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসক।

হরিজন পল্লী ও নদীর তীরেও পৌরসভার বর্জ্য

গুরুদাসপুর পৌরসভার বর্জ্য শহরের বাইরে ধারাবাড়িষা ইউনিয়নের হরিজন পল্লীতে নিয়ে ফেলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের ভাষ্য, এসব সড়ক দিয়ে চলাচলের সময় পথচারীদের নাক চেপে চলতে হয়। দুর্গন্ধ এতটাই তীব্র যে তা সহ্য করতে না পেরে কেউ কেউ বমিও করেন।

শুধু হরিজন পল্লী নয়, গুরুদাসপুর পৌরসভার বর্জ্য নন্দকূজা নদীর তীরেও ফেলা হয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী এলাকা ও আশপাশের জনপদের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বর্জ্য থেকে ছড়ানো দুর্গন্ধে আশপাশের এলাকার বাতাস দূষিত হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

নাটোর সদর, সিংড়া, নলডাঙ্গা, গোপালপুর ও বাগাতিপাড়া পৌরসভাতেও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে। বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য ফেলার কারণে এসব পৌরসভার আশপাশের এলাকাতেও পরিবেশদূষণের সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আসাদ মোল্লা, হাজী মোহাম্মদ সামি ও শাহাবুদ্দিন বলেন, পৌর শহরের বর্জ্য ইউনিয়ন পর্যায়ের গ্রামগুলোতে যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে। এ বিষয়ে বহুবার অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার মেলেনি। স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা না করেই পৌর কর্তৃপক্ষ বর্জ্য ফেলা অব্যাহত রেখেছে। দুর্গন্ধে তাঁরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।

তাঁদের অভিযোগ, পৌর শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আশপাশের গ্রামীণ জনপদের মানুষের দুর্ভোগ যথাযথভাবে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে না। ফলে শহরের বর্জ্যের কারণে গ্রামের বাসিন্দাদেরও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

কোথাও সড়কের পাশে, কোথাও হাটের ভেতরে

নাটোরের বিভিন্ন পৌরসভায় বর্জ্য ফেলার নির্দিষ্ট স্থান না থাকায় জনবসতি ও চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোও বর্জ্যের স্তূপে পরিণত হচ্ছে। কোথাও সড়কের পাশে, কোথাও হাটবাজারের ভেতরে ফেলা হচ্ছে এসব বর্জ্য।

গুরুদাসপুর পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হামিদা আফরোজ বলেন, ‘গুরুদাসপুর পৌরসভার জন্য নিজস্ব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে জমি নির্ধারণের পর ডাম্পিং স্টেশনের অনুমোদন পাওয়া গেছে। শিগগিরই কাজ শুরু হবে। ডাম্পিং স্টেশন নির্মিত হলে পৌরসভার বর্জ্যের কারণে মানুষের দুর্ভোগ কমবে।’

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, গুরুদাসপুর পৌরসভার জন্য ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের উদ্যোগ ইতিমধ্যে অনুমোদনের পর্যায়ে পৌঁছেছে। নির্ধারিত জমিতে নির্মাণকাজ শুরু হলে পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসক।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাগাতিপাড়া পৌরসভার বর্জ্য ফেলা হচ্ছে পেরাবাড়িয়া সড়কের পাশে। অন্যদিকে মালঞ্চি বাজারের বর্জ্য ফেলা হচ্ছে হাটশেডের ভেতরে। এতে হাটবাজারের পরিবেশ যেমন দূষিত হচ্ছে, তেমনি দুর্ভোগে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও বাজারে আসা মানুষ।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, হাটের ভেতরে ও সড়কের পাশে বর্জ্য ফেলার কারণে আশপাশের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। দুর্গন্ধে তাঁদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বর্জ্য ফেলার নির্দিষ্ট স্থান না থাকায় জনসাধারণের চলাচলের জায়গায় এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

সিংড়ায় বর্জ্য সরিয়ে ফেলা হয় মহাসড়কের পাশে

ছবি ঃ সংগৃহীত

সিংড়া পৌর শহরের চাঁদপুর এলাকায় বর্জ্য জমা করা হয়। সেখানে বর্জ্যের স্তূপ বড় হয়ে গেলে তা সরিয়ে নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের জোলারবাতা এলাকায় ফেলা হয়। এতে মহাসড়কসংলগ্ন এলাকার পরিবেশ দূষিত হওয়ার পাশাপাশি পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ বাড়ছে।

অন্যদিকে নাটোর সদর ও নলডাঙ্গা পৌরসভার বর্জ্যও একইভাবে বিভিন্ন স্থানে ফেলা হচ্ছে। নির্দিষ্ট ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় পৌরসভার বর্জ্য কোথায় এবং কীভাবে ব্যবস্থাপনা করা হবে, তা নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে।

সব মিলিয়ে নাটোর জেলার আটটি পৌরসভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। পৌর শহর পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য বর্জ্য সংগ্রহ করা হলেও সেগুলো নির্ধারিত স্থানে পরিবেশসম্মতভাবে ফেলার ব্যবস্থা না থাকায় শেষ পর্যন্ত আশপাশের সড়ক, গ্রাম, হাটবাজার ও নদীতীর দূষিত হচ্ছে।

ডাম্পিং স্টেশন তৈরির উদ্যোগ

নাটোরের পৌরসভাগুলোতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সংকটের বিষয়টি স্বীকার করেছেন স্থানীয় সরকার বিভাগের নাটোরের উপপরিচালক শামীম হোসেন।

তিনি বলেন, ‘পৌরসভার সব কার্যক্রম চললেও বর্জ্য ফেলার নির্দিষ্ট ভাগাড় নেই। পৌরবাসীর জন্য এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। জনপ্রতিনিধিরা যুগ যুগ ধরে এভাবেই চালিয়ে এসেছেন। কিন্তু মানুষের দুর্ভোগ নিরসনে পৌরসভার নিজস্ব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে ভাবেননি। এখন প্রতিটি পৌরসভার জন্য নিজস্ব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা তৈরির প্রক্রিয়া চলছে।’

শামীম হোসেন আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যে গুরুদাসপুর পৌরসভার জন্য ডাম্পিং স্টেশনের অনুমোদন হয়েছে। বড়াইগ্রামের জন্যও জমি খোঁজা হচ্ছে। বেশ কয়েকটি পৌরসভার ডাম্পিং স্টেশনের চাহিদা পূরণ হবে। এ বিষয়ে ঢাকার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেছেন তিনি। পর্যায়ক্রমে সব পৌরসভায় ডাম্পিং স্টেশন স্থাপন করা হবে।’

স্থানীয় সরকার বিভাগের এই কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, নাটোরের পৌরসভাগুলোতে নিজস্ব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার প্রক্রিয়া চলছে। ইতিমধ্যে গুরুদাসপুর পৌরসভার ডাম্পিং স্টেশনের অনুমোদন হয়েছে। বড়াইগ্রাম পৌরসভার জন্য জমি খোঁজা হচ্ছে। পাশাপাশি অন্যান্য পৌরসভার চাহিদা পূরণেও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তবে ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের উদ্যোগের পাশাপাশি এসব প্রকল্পের বাস্তবায়ন, নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলা এবং পরিবেশসম্মত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। কারণ, শুধু বর্জ্য সংগ্রহ করলেই শহর পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়; সেগুলো সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা না করলে দূষণের সমস্যা থেকেই যাবে।

পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অপেক্ষায় পৌরবাসী

ছবি ঃ সংগৃহীত

নাটোরের আটটি পৌরসভায় বর্জ্য ফেলার নির্দিষ্ট ভাগাড় না থাকায় শহরের বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশের গ্রামীণ জনপদ, সড়ক, হাটবাজার ও নদীতীরে। এর ফলে দুর্গন্ধ, পরিবেশদূষণ এবং জনদুর্ভোগের পাশাপাশি সড়কের পাশের গাছপালাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

বড়াইগ্রামে ডাম্পিং স্টেশনের জন্য সরকারি খাসজমি খোঁজা হচ্ছে, আর গুরুদাসপুরে জমি নির্ধারণের পর অনুমোদন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকেও পর্যায়ক্রমে সব পৌরসভায় ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের কথা বলা হয়েছে।

এখন এসব উদ্যোগ কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয়, তার ওপর নির্ভর করছে নাটোরের পৌরসভাগুলোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ভবিষ্যৎ। ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ ও কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু না হওয়া পর্যন্ত শহরের বর্জ্য থেকে আশপাশের জনপদকে দূষণমুক্ত রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।

 

জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্যের সঙ্গে, মানুষের পাশে……. 

বিজ্ঞাপন

ইন-আর্টিকেল বিজ্ঞাপন

In-Article Ad Slot | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

সম্পাদক ও প্রকাশক

তৃণমূলের উন্নয়ন, গণমানুষের অধিকার ও বস্তুনিষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বিজ্ঞাপন

নিচের ব্যানার বিজ্ঞাপন

মন্তব্য বিভাগের আগে | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

পাঠকদের মতামত ০টি

মডারেটেড ফোরাম

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন

খবর অনুসন্ধান করুন

জনপ্রিয় সার্চ: অগ্নিঘটনা অন্যান্য... অপরাধ অর্থনীতি ও বানিজ্য