সকাল ১১:৩০:০০
| শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
লোড হচ্ছে...
নামাজ লোড...
বিজ্ঞাপন

হেডার বিজ্ঞাপন স্লট

728×90 Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
নোটিশ
নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা। নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা।
ব্রেকিং নিউজ
মিরপুরে বিক্ষোভকারীদের হামলায় পুলিশ সদস্য আহত, মাটিতে ফেলে পেটানোর ঘটনা মিরপুরজুড়ে আতঙ্ক, তিন দিন ধরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে বিপর্যস্ত জনজীবন মিরপুরে তৃতীয় দিনের মতো পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ রাজধানীতে আজ শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী সোলার এক্সপো, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির বাজারে আবারও আগুন! ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২২৩ টাকা বৃদ্ধি, নতুন দাম ২ হাজার ৬০ টাকা আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভে উত্তাল শিল্পাঞ্চল, কাভার্ডভ্যানে আগুন পোশাকশিল্পে শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন, জড়িত শিল্পমালিকদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামিসা হত্যা মামলার রায় মাত্র ২৮ দিনে, বছরের পর বছর ঝুলে আছে ৪০ লাখের বেশি মামলা
জেলা-উপজেলা:

দৈনিক ইনফো ও সেটিংস

আজকের তারিখ ও পঞ্জিকা

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

আবহাওয়া ও নামাজের সময়

লোড হচ্ছে...

নামাজ লোড...

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

📍 জেলা ও উপজেলা ফিল্টার

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নতুন বই ছাপায় ধীরগতি, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সরবরাহ নিয়ে চাপে এনসিটিবি

বিজ্ঞাপন

শীর্ষ ব্যানার বিজ্ঞাপন

৪১২×৯০ Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নতুন বই ছাপায় ধীরগতি, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সরবরাহ নিয়ে চাপে এনসিটিবি

নিজস্ব  প্রতিবেদক,জেটিভি নিউজ বাংলা 

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নতুন পাঠ্যবই ছাপা, মান যাচাই ও মাঠপর্যায়ে সরবরাহ নিয়ে চাপে রয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের বই ছাপার কাজ এগিয়ে থাকলেও মাধ্যমিক স্তরে অগ্রগতি তুলনামূলক কম। বিশেষ করে অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির বই ছাপার কাজে পিছিয়ে রয়েছে কয়েকটি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বই ছাপা শেষ করে মান যাচাইয়ের পর উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে তৎপরতা বাড়িয়েছে সংস্থাটি।

এনসিটিবির গত ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত উৎপাদন প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তর মিলিয়ে ৯২ দশমিক ৯৪ শতাংশ বই ছাপা হয়েছে। অন্যদিকে ইবতেদায়ি ও মাধ্যমিক স্তর মিলিয়ে মুদ্রণ শেষ হয়েছে ৫৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ বইয়ের। তবে ছাপার কাজ শেষ হওয়া এবং মান যাচাই করে সরবরাহের জন্য প্রস্তুত হওয়া এক বিষয় নয়। মাধ্যমিক স্তরে প্রাক-সরবরাহ পরিদর্শন (পিডিআই) সম্পন্ন হয়েছে মাত্র ৩৭ দশমিক ০৫ শতাংশ বইয়ের।

এদিকে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সব মানসম্মত বই উপজেলা পর্যায়ের বিতরণকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থীর জন্য বই ছাপা ও সরবরাহের এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজ তদারকি জোরদার করা হয়েছে।

ছাপা হয়েছে কত বই, মান যাচাই হয়েছে কতটির

এনসিটিবির তথ্য অনুযায়ী, প্রাক-প্রাথমিক স্তরে মোট ৫৭ লাখ ৩০ হাজার ৬৪০টি বইয়ের মধ্যে ছাপা হয়েছে ৫৬ লাখ ২৮ হাজার ১৫৩টি। এ স্তরে মুদ্রণ কাজ শেষ হয়েছে ৯৮ দশমিক ২১ শতাংশ বইয়ের। অন্যদিকে সরবরাহ-পূর্ব পরিদর্শন (পিডিআই) সম্পন্ন হয়েছে ৮৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ বইয়ের।

প্রাথমিকের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ৭ কোটি ৬০ লাখ ৯৭ হাজার ৯৬টি বই ছাপার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এর মধ্যে ছাপা হয়েছে ৬ কোটি ৬৬ লাখ ২৯ হাজার ১৭৩টি বই। মুদ্রণ অগ্রগতি ৮৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এ স্তরে পিডিআই সম্পন্ন হয়েছে ৭৭ দশমিক ৭৯ শতাংশ বইয়ের।

এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু নাসের টুকুর দাবি, প্রাথমিকের বই নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই উপজেলা পর্যায়ে শতভাগ পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না।

অন্যদিকে ইবতেদায়ি স্তরে মোট ৪ কোটি ১৬ লাখ ৩৯ হাজার ৫৭৪টি বইয়ের মধ্যে ছাপা হয়েছে ২ কোটি ৬৭ লাখ ১০ হাজার ৭৮৪টি। এ স্তরে মুদ্রণ অগ্রগতি ৬৪ দশমিক ১৫ শতাংশ এবং পিডিআই সম্পন্ন হয়েছে ৫১ দশমিক ১১ শতাংশ বইয়ের।

মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ১৭ কোটি ৯৫ লাখ ৪৩ হাজার ১৮টি বই ছাপার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এর মধ্যে ৯ কোটি ১৮ লাখ ১৭ হাজার ৫৬টি বই ছাপা হয়েছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ৫১ দশমিক ১৮ শতাংশ। তবে বইয়ের মান যাচাইয়ের ক্ষেত্রে অগ্রগতি আরও কম। এ স্তরে সরবরাহ-পূর্ব পরিদর্শন (পিডিআই) সম্পন্ন হয়েছে মাত্র ৩৭ দশমিক ০৫ শতাংশ বইয়ের।

এনসিটিবির তথ্য অনুযায়ী, মাধ্যমিক স্তরে এখনও প্রায় অর্ধেক বইয়ের মুদ্রণ কাজ বাকি রয়েছে। একই সঙ্গে ইতোমধ্যে ছাপা হওয়া বইয়ের একটি বড় অংশের মান যাচাইয়ের কাজও শেষ করতে হবে।

উপজেলা পর্যায়ে বই সরবরাহের অগ্রগতি কত

বই ছাপার পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মান যাচাই, বাঁধাই, কাটিং ও সরবরাহের কাজও শেষ করতে হবে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) পর্যন্ত প্রাথমিক স্তরের বই সরবরাহের অগ্রগতি তুলনামূলক ভালো বলে জানিয়েছে এনসিটিবি।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত প্রাথমিক স্তরের ৯৩ শতাংশের বেশি বই ছাপা হয়েছে। এর মধ্যে বাঁধাই, কাটিং ও পিডিআই শেষে প্রায় ৮৫ শতাংশ বই সরবরাহ করা হয়েছে। তবে মাধ্যমিক স্তরে উপজেলা পর্যায়ে সরবরাহের পূর্ণাঙ্গ শ্রেণিভিত্তিক হিসাব পাওয়া যায়নি।

এনসিটিবির চুক্তি অনুযায়ী, অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির ৫০ শতাংশ বই আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছানোর কথা। কিন্তু গত ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত কয়েকটি লটে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ছিল না বলে সংস্থাটির মনিটরিং প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ কারণে শুধু বই ছাপার হার দিয়ে সরবরাহের প্রস্তুতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না। তবে এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু নাসের টুকু জানিয়েছেন, এরই মধ্যে ৫০ শতাংশ বই সরবরাহ করা হবে। তা না হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা দিতে হবে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সবাই ৫০ শতাংশ বই সরবরাহ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

নবম-দশম শ্রেণির বই ছাপায় পিছিয়ে যেসব প্রেস

এনসিটিবির মনিটরিং প্রতিবেদন অনুযায়ী, অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির বই ছাপার কাজে কয়েকটি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান পিছিয়ে রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে—

১. অনিন্দ্য প্রিন্টিং প্রেস।
২. আলিফ প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিং।
৩. অনুপম প্রিন্টার্স লিমিটেড।
৪. অ্যারিস্টোক্রেটস সিকিউরিটি প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড।
৫. আমিন আর্ট প্রেস।
৬. দোয়েল প্রিন্টার্স।
৭. বর্ণমালা প্রেস।

এনসিটিবি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা সম্প্রতি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, কাজের ধীরগতির কারণে ৩২টি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে পিছিয়ে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে অন্য প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে কাজ শেষ করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চেয়ারম্যানের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েকটি লটে নতুন করে দরপত্র আহ্বান করায় অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির বই ছাপার কাজে গতি কমেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

নিম্নমানের ফর্মা ও বই বাতিল, কাজ করছে ৫৩টি তদারকি দল

নতুন পাঠ্যবইয়ের মান নিশ্চিত করতে এনসিটিবি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে ৫৩টি তদারকি দল কাজ করছে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করতে না পারায় ৩৬টি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের প্রায় সাড়ে ৯ লাখ নিম্নমানের ছাপা ফর্মা এবং প্রায় ১২ হাজার বই বাতিল করা হয়েছে।

এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু নাসের টুকু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “নির্ধারিত রোডম্যাপ অনুযায়ী বই ছাপা ও সরবরাহের কাজ চলছে।”

তিনি আশা প্রকাশ করেন, অক্টোবরের মধ্যে প্রাথমিক স্তরের বই ছাপার কাজ ৯৫ থেকে ৯৬ শতাংশে পৌঁছাবে এবং ৩০ নভেম্বরের মধ্যে মাধ্যমিক স্তরের ৯৫ শতাংশের বেশি বই সরবরাহ করা সম্ভব হবে। তবে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে বলেও জানান তিনি।

এবার বই গ্রহণের সময় জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের সরাসরি বইয়ের মান যাচাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বই গ্রহণের পর মানের ঘাটতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে এনসিটিবি।

৩০ নভেম্বরের লক্ষ্যমাত্রা কতটা বাস্তবসম্মত

সরকারের লক্ষ্য, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া। এ জন্য আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে বই সরবরাহ শেষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তবে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত মাধ্যমিক স্তরে প্রায় অর্ধেক বই ছাপার কাজ বাকি রয়েছে। পাশাপাশি পিডিআই শেষ হয়েছে মাত্র ৩৭ দশমিক ০৫ শতাংশ বইয়ের। অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির কয়েকটি লটে মুদ্রণ ও সরবরাহের অগ্রগতি কম থাকায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব বই পৌঁছানো নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

এ অবস্থায় নির্ধারিত সময়সীমা বাস্তবায়নের অগ্রগতি মূল্যায়নে এনসিটিবির কাছ থেকে শ্রেণিভিত্তিক মুদ্রণ, মান যাচাই এবং উপজেলা পর্যায়ে সরবরাহের হালনাগাদ হিসাব নেওয়া প্রয়োজন।

বিশেষ করে নবম-দশম শ্রেণির বইয়ের ক্ষেত্রে আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যে ৫০ শতাংশ বই উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা কতটা পূরণ হচ্ছে, তা হবে পরবর্তী অগ্রগতি মূল্যায়নের গুরুত্বপূর্ণ সূচক।

সব মিলিয়ে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের বই ছাপার কাজ এগিয়ে থাকলেও মাধ্যমিক স্তরের বই ছাপা, মান যাচাই এবং উপজেলা পর্যায়ে সরবরাহের ক্ষেত্রে এখনও বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থীর হাতে মানসম্মত নতুন পাঠ্যবই পৌঁছে দিতে হলে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি মান নিয়ন্ত্রণ, বাঁধাই, কাটিং ও সরবরাহ কার্যক্রমে আরও জোর দিতে হবে।

জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্যের সঙ্গে, মানুষের পাশে……. 

বিজ্ঞাপন

ইন-আর্টিকেল বিজ্ঞাপন

In-Article Ad Slot | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

সম্পাদক ও প্রকাশক

তৃণমূলের উন্নয়ন, গণমানুষের অধিকার ও বস্তুনিষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বিজ্ঞাপন

নিচের ব্যানার বিজ্ঞাপন

মন্তব্য বিভাগের আগে | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

পাঠকদের মতামত ০টি

মডারেটেড ফোরাম

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন

খবর অনুসন্ধান করুন

জনপ্রিয় সার্চ: অগ্নিঘটনা অন্যান্য... অপরাধ অর্থনীতি ও বানিজ্য