সকাল ১১:৩০:০০
| রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
লোড হচ্ছে...
নামাজ লোড...
বিজ্ঞাপন

হেডার বিজ্ঞাপন স্লট

728×90 Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
নোটিশ
নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা। নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা।
ব্রেকিং নিউজ
বিচার বিভাগে আর্থিক দুর্নীতির চেয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি বেশি ক্ষতিকর: আইনমন্ত্রী খুলনায় ১০ মাসে ৭১ খুন, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই আরও ৬; আতঙ্কে নগরবাসী  অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে সরকারের নতুন উদ্যোগ, নিবন্ধনেই কি থামবে সড়কের নৈরাজ্য? পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা বাড়াচ্ছে উদ্বেগ, ৯ মাসে মামলা ৪৪০টি ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান দিবসে জাসদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত গ্রাম পুলিশের ভাগ্যবদলে প্রধানমন্ত্রীর বড় ঘোষণা, বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা ভাঙ্গায় দুই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রি হচ্ছে নিলামে, মূল্য নির্ধারণ ৩ লাখ ২৭ হাজার টাকার বেশি আজিমপুর সরকারি কলোনি ছাড়তে ভাড়াটিয়াদের নির্দেশ, বিপাকে শিক্ষার্থী ও চাকরিজীবীরা
জেলা-উপজেলা:

দৈনিক ইনফো ও সেটিংস

আজকের তারিখ ও পঞ্জিকা

রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

আবহাওয়া ও নামাজের সময়

লোড হচ্ছে...

নামাজ লোড...

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

📍 জেলা ও উপজেলা ফিল্টার

বিচার বিভাগে আর্থিক দুর্নীতির চেয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি বেশি ক্ষতিকর: আইনমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন

শীর্ষ ব্যানার বিজ্ঞাপন

৪১২×৯০ Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

বিচার বিভাগে আর্থিক দুর্নীতির চেয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি বেশি ক্ষতিকর: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | জেটিভি নিউজ বাংলা

 

বিচার বিভাগে আর্থিক দুর্নীতির চেয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি অনেক বেশি ক্ষতি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তাঁর মতে, বিচার বিভাগের প্রকৃত সংকট শুধু আর্থিক অনিয়মের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং বুদ্ধিবৃত্তিক পক্ষপাত, বিচারিক অবস্থানের অপব্যবহার এবং নীতিগত বিচ্যুতিও বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) আয়োজিত এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) বাংলাদেশের সহযোগিতায় তিন দিনব্যাপী ‘বিচারিক কার্যক্রমে শুদ্ধাচার’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বাংলাদেশের অধস্তন আদালতের বিচারকেরা অংশগ্রহণ করেন।

বিচার বিভাগের সততা ও বিচারকদের নৈতিক অবস্থান প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগের ক্ষেত্রে ‘জুডিশিয়াল ইন্টিগ্রিটি’ বা বিচারিক সততার কথা বলা হয়। একইভাবে কোনো বিচারকের নামের আগে ‘সৎ জজ’ কিংবা ‘অসৎ জজ’ শব্দ ব্যবহার করা হয়। তবে ‘সৎ জজ’ শব্দটিকে তিনি কিছুটা অতিরঞ্জিত মনে করেন।

তিনি বলেন, অসৎ বিচারক বলা যেতে পারে, কিন্তু একজন বিচারক মানেই সৎ। এটি একটি পারসেপশন বা জনধারণা, একই সঙ্গে জনগণের প্রত্যাশা এবং একজন বিচারকের মৌলিক ভিত্তি। একজন মানুষ যখন বিচারক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই ধরে নেওয়া হয়, সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে সততা বজায় রাখাই তাঁর দায়িত্ব।

বিচার বিভাগের দুর্নীতি নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের বিচার বিভাগে যে ইন্টিগ্রিটির সমস্যা তৈরি হয়েছে, সেটিকে অনেকে আর্থিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছেন। কিন্তু তিনি বিষয়টিকে বুদ্ধিবৃত্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে চান।

আইনমন্ত্রী বলেন, হাতে গোনা কয়েকজন বিচারক হয়তো আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। তবে যাঁদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের বিষয়ে সরকার এবং প্রধান বিচারপতি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের চেষ্টা করছেন।

আইনমন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান

তিনি বলেন, বিচার বিভাগে আর্থিক দুর্নীতি যতটা না ক্ষতি করেছে, তার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতি করেছে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি। আমাদের অধস্তন বিচার বিভাগ, যেটিকে সাবঅর্ডিনেট জুডিশিয়ারি বলা হয়, সাংবিধানিকভাবেই সেটিকে এভাবে অভিহিত করা হয়েছে। এই অধস্তন বিচার বিভাগের প্রতিটি বিচারক তাঁদের মেধার স্বাক্ষর রেখে দায়িত্ব পালন করছেন।

বিচারকদের কর্মব্যস্ততার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে বিচার বিভাগে সবচেয়ে মেধাবীদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। তাঁরা সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা-৯টা পর্যন্ত নিরন্তর কাজ করছেন। এক-দুজন ব্যতিক্রম থাকতে পারেন, তবে প্রত্যেক বিচারকই এভাবে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

এ সময় টিআইবির প্রতি আহ্বান জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে যাঁরা পক্ষপাতদুষ্ট, দুর্নীতিগ্রস্ত এবং যাঁরা সুপ্রিম কোর্টকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন, তাঁদের শনাক্ত করতে হবে। তাঁদের বিরুদ্ধে কথা বলতে হবে।

সমাজের বিভাজন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের সমাজকে বিভক্ত করা হয়েছে। বুদ্ধিবৃত্তিকভাবেও বিভাজন তৈরি হয়েছে। বর্তমানে বুদ্ধিজীবীদের একটি অংশ নীরব ভূমিকা পালন করছেন। জুলাইয়ে এত মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, কিন্তু তাঁদের বিষয়ে ওই অংশের পক্ষ থেকে কোনো কথা বলা হচ্ছে না।

আইনমন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগের শুদ্ধাচার বা জুডিশিয়াল ইন্টিগ্রিটি নিয়ে যখন প্রশ্ন তোলা হবে, তখন একই সঙ্গে বিচার বিভাগের বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতির বিষয়টিও সামনে আনতে হবে। এ বিষয়ে টিআইবিসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে কথা বলার আহ্বান জানান তিনি।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয় এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে। সরকারও এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে এসব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনা হবে। ইতিমধ্যে সরকার সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে অগ্রসর হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার এমন একটি স্বপ্নের বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যেখানে নিরপেক্ষভাবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে। বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতির ঊর্ধ্বে উঠে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং জনগণ সেই ন্যায়বিচার দৃশ্যমানভাবে দেখতে পাবে। তাহলেই কেবল একটি স্বপ্নের বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগের প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী টিআইবির উদ্দেশে বলেন, এ বিষয়ে তাদের কোনো পরামর্শ থাকলে তা সরকারকে জানাতে পারে। যেকোনো মৌলিক ও জনকল্যাণমুখী পরামর্শ সরকার স্বাগত জানাবে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে পরামর্শ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পরামর্শগুলো পাওয়া গেলে সরকারের পর্যালোচনা সভায় সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে।

কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপি বাংলাদেশের রুল অব ল, জাস্টিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসবিষয়ক সিনিয়র অ্যাডভাইজার রোমানা শোয়েগার এবং টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

 

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্যের সঙ্গে, মানুষের পাশে……. 

বিজ্ঞাপন

ইন-আর্টিকেল বিজ্ঞাপন

In-Article Ad Slot | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

সম্পাদক ও প্রকাশক

তৃণমূলের উন্নয়ন, গণমানুষের অধিকার ও বস্তুনিষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বিজ্ঞাপন

নিচের ব্যানার বিজ্ঞাপন

মন্তব্য বিভাগের আগে | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

পাঠকদের মতামত ০টি

মডারেটেড ফোরাম

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন

খবর অনুসন্ধান করুন

জনপ্রিয় সার্চ: অগ্নিঘটনা অন্যান্য... অপরাধ অর্থনীতি ও বানিজ্য