সকাল ১১:৩০:০০
| সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
লোড হচ্ছে...
নামাজ লোড...
বিজ্ঞাপন

হেডার বিজ্ঞাপন স্লট

728×90 Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
নোটিশ
নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা। নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা।
ব্রেকিং নিউজ
মিরপুরে বিক্ষোভকারীদের হামলায় পুলিশ সদস্য আহত, মাটিতে ফেলে পেটানোর ঘটনা মিরপুরজুড়ে আতঙ্ক, তিন দিন ধরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে বিপর্যস্ত জনজীবন মিরপুরে তৃতীয় দিনের মতো পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ রাজধানীতে আজ শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী সোলার এক্সপো, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির বাজারে আবারও আগুন! ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২২৩ টাকা বৃদ্ধি, নতুন দাম ২ হাজার ৬০ টাকা আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভে উত্তাল শিল্পাঞ্চল, কাভার্ডভ্যানে আগুন পোশাকশিল্পে শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন, জড়িত শিল্পমালিকদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামিসা হত্যা মামলার রায় মাত্র ২৮ দিনে, বছরের পর বছর ঝুলে আছে ৪০ লাখের বেশি মামলা
জেলা-উপজেলা:

দৈনিক ইনফো ও সেটিংস

আজকের তারিখ ও পঞ্জিকা

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

আবহাওয়া ও নামাজের সময়

লোড হচ্ছে...

নামাজ লোড...

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

📍 জেলা ও উপজেলা ফিল্টার

রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: দোষীদের পরিচয় শনাক্ত হলেও সাত দিনেও গ্রেপ্তার নেই

বিজ্ঞাপন

শীর্ষ ব্যানার বিজ্ঞাপন

৪১২×৯০ Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: দোষীদের পরিচয় শনাক্ত হলেও সাত দিনেও গ্রেপ্তার নেই

ডেস্ক রিপোর্ট

তদন্ত কমিটির শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ, নিরাপত্তাহীনতায় সাংবাদিকরা; দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের পরিচয় শনাক্ত হওয়ার সাত দিন পেরিয়ে গেলেও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ, ছবি ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে হামলায় জড়িত হিসেবে কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তদন্ত কমিটিও কয়েকজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে। তবে এখনো গ্রেপ্তারের খবর না পাওয়ায় পুলিশের ভূমিকা ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাংবাদিকরা।

সাংবাদিকদের অভিযোগ, হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পরও তাঁরা অনলাইন ও অফলাইনে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছেন। এতে ক্যাম্পাসে তাঁদের নিরাপত্তাহীনতা বেড়েছে। হামলার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আন্দোলন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও হামলার প্রতিবাদে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, ভিডিও ফুটেজ, ছবি ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। অভিযুক্তরা সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মী হওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তাঁরা। দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তি নিশ্চিত না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষুব্ধ সাংবাদিক নেতারা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের জিসান বলেন, “সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনার সাত দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। এটা পুলিশের বড় একটা ব্যর্থতা। ঘটনার অভিযুক্তদের সব ধরনের ডকুমেন্ট থাকার পরেও কেন যে তাদের আটক করা হচ্ছে না, এটা বড় প্রশ্ন। আমরা পুলিশ প্রশাসনকে বলতে চাই, আপনারা অতিদ্রুত তাদের আটক করুন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানাতে চাই, আপনারা পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত তাদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসুন।”

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (রাবিসাস) সভাপতি মীর কাদির বলেন, “সন্ত্রাসীরা চিহ্নিত হলেও প্রশাসন তাদের গ্রেপ্তার করছে না। সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মী হওয়ায় প্রশাসন তাদের ধরছে না। প্রশাসন স্পষ্টভাবে সন্ত্রাসীদের পক্ষ নিচ্ছে। যদি সন্ত্রাসীরা অতিদ্রুত গ্রেপ্তার না হয়, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে যেতে বাধ্য হবে।”

৪ অক্টোবর রাতে হামলার ঘটনা

গত ৪ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এ ঘটনায় জড়িত ছিলেন।

হামলায় আহত সাংবাদিকরা হলেন জাহিদুল ইসলাম, মাঈনুল ইসলাম রাজু, আরিফ উজ জামান কোরবান এবং নূর আহসান মৃদুল। এ ঘটনায় সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।

ঘটনার পরদিন হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করা হয়। পাশাপাশি হামলার ঘটনা তদন্ত এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

তবে মামলায় অভিযুক্তদের নাম উল্লেখ না থাকায় সাংবাদিকদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। তাঁদের দাবি, যাঁদের বিরুদ্ধে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করে নাম উল্লেখপূর্বক মামলা ও দ্রুত গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা নিতে হবে।

হামলায় জড়িত হিসেবে যাঁদের নাম এসেছে

ঘটনার ভিডিও ফুটেজ, ছবি ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে হামলায় জড়িত হিসেবে কয়েকজনের নাম এসেছে। মূল প্রতিবেদনে তাঁদের পরিচয় ও সাংগঠনিক পদ সম্পর্কে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তা হলো—

১. এম আহসান হাবীব: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি এবং আইন বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

২. বিশাল চক্রবর্তী: ছাত্রদলকর্মী এবং অর্থনীতি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী।

৩. হাসিবুল ইসলাম: বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ইতিহাস বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

৪. শাহরিয়ার আলম অথী: শাখা ছাত্রদলের সহদপ্তর সম্পাদক এবং সংগীত বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

৫. শরিফুল ইসলাম: শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি এবং নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

৬. তাকবীর আহমেদ ইমন: শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি এবং ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

৭. সৈয়দ সাজহারুল ইসলাম: শাখা ছাত্রদলের সহসাধারণ সম্পাদক এবং ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

৮. তানিম রহমান: গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং ছাত্রদলকর্মী।

উল্লিখিত ব্যক্তিদের বিষয়ে অভিযোগ ও পরিচয়ের তথ্য মূল প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা নির্ধারণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার।

তদন্ত কমিটির সুপারিশ

গত ৯ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলামের কাছে প্রতিবেদন ও সুপারিশ জমা দেয়।

মূল প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি এম আহসান হাবীব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম, বিশাল চক্রবর্তী এবং শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আরিফুল ইসলামের ছাত্রত্ব সাময়িকভাবে বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।

এ ছাড়া আরও চারজনের বিষয়ে অধিকতর তদন্ত এবং তিনজনকে সতর্ক করার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।

তবে তদন্ত কমিটির সুপারিশের পরও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের কোনো খবর পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিকরা।

ছাত্রদলের সাংগঠনিক ব্যবস্থা

হামলার ঘটনায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার তিন নেতাকর্মীকে সাংগঠনিক পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করেছে। পাশাপাশি আরও ছয়জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

তবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের পরও পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের খবর না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা। তাঁরা হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশের বক্তব্য: তদন্ত চলছে

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কাজলা পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তা মোস্তাক জানিয়েছেন, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। ভুক্তভোগীদের মেডিকেল সনদ সংগ্রহের জন্য আবেদন করা হয়েছে। সনদ পাওয়ার পর সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করতে হবে। তদন্তের এসব ধাপ সম্পন্ন করতে সময় লাগছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তদন্ত শেষে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তদন্ত কর্মকর্তা।

দ্রুত সমাধানের আশ্বাস উপাচার্যের

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি পুলিশ এখনো তদন্ত করছে। তবে আমাদের সিন্ডিকেটের বিষয়টির ডেট ঠিক করেছি। যদিও বন্ধের পরে ডাকব ভেবেছিলাম। তবে আগেই ডেকেছি, যাতে যত দ্রুত সম্ভব এটা সুরাহা হয়। বাকি গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিয়ে আমি প্রক্টরের সঙ্গে কথা বলেছি।”

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তদন্ত কমিটির সুপারিশ, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাংগঠনিক ব্যবস্থা এবং পুলিশের চলমান তদন্তের মধ্যেও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে অগ্রগতি না থাকায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে। হামলার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযোগের নিরপেক্ষ যাচাই, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং ক্যাম্পাসে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিকরা।

 

জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্যের সঙ্গে, মানুষের পাশে….. 

বিজ্ঞাপন

ইন-আর্টিকেল বিজ্ঞাপন

In-Article Ad Slot | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

সম্পাদক ও প্রকাশক

তৃণমূলের উন্নয়ন, গণমানুষের অধিকার ও বস্তুনিষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বিজ্ঞাপন

নিচের ব্যানার বিজ্ঞাপন

মন্তব্য বিভাগের আগে | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

পাঠকদের মতামত ০টি

মডারেটেড ফোরাম

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন

খবর অনুসন্ধান করুন

জনপ্রিয় সার্চ: অগ্নিঘটনা অন্যান্য... অপরাধ অর্থনীতি ও বানিজ্য