সকাল ১১:৩০:০০
| শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
লোড হচ্ছে...
নামাজ লোড...
বিজ্ঞাপন

হেডার বিজ্ঞাপন স্লট

728×90 Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
নোটিশ
নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা। নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা।
ব্রেকিং নিউজ
মিরপুরে বিক্ষোভকারীদের হামলায় পুলিশ সদস্য আহত, মাটিতে ফেলে পেটানোর ঘটনা মিরপুরজুড়ে আতঙ্ক, তিন দিন ধরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে বিপর্যস্ত জনজীবন মিরপুরে তৃতীয় দিনের মতো পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ রাজধানীতে আজ শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী সোলার এক্সপো, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির বাজারে আবারও আগুন! ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২২৩ টাকা বৃদ্ধি, নতুন দাম ২ হাজার ৬০ টাকা আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভে উত্তাল শিল্পাঞ্চল, কাভার্ডভ্যানে আগুন পোশাকশিল্পে শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন, জড়িত শিল্পমালিকদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামিসা হত্যা মামলার রায় মাত্র ২৮ দিনে, বছরের পর বছর ঝুলে আছে ৪০ লাখের বেশি মামলা
জেলা-উপজেলা:

দৈনিক ইনফো ও সেটিংস

আজকের তারিখ ও পঞ্জিকা

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

আবহাওয়া ও নামাজের সময়

লোড হচ্ছে...

নামাজ লোড...

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

📍 জেলা ও উপজেলা ফিল্টার

দাম্পত্য জীবনে স্বামীর আর্থিক দায়িত্ব কতটুকু? স্ত্রীর পরিবারের ভরণপোষণ, আইনগত বাধ্যবাধকতা ও পুরুষের অধিকার

বিজ্ঞাপন

শীর্ষ ব্যানার বিজ্ঞাপন

৪১২×৯০ Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

দাম্পত্য জীবনে স্বামীর আর্থিক দায়িত্ব কতটুকু? স্ত্রীর পরিবারের ভরণপোষণ, আইনগত বাধ্যবাধকতা ও পুরুষের অধিকার

বিশেষ ফিচার

ছবি ঃ জেনারেট বাই গুগল

দাম্পত্য জীবন কেবল দুজন মানুষের একসঙ্গে বসবাসের নাম নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে পারস্পরিক বিশ্বাস, সম্মান, নিরাপত্তা, আর্থিক দায়িত্ব এবং মানবিক মূল্যবোধ। বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই কিছু অধিকার ও দায়িত্ব তৈরি হয়। তবে এই দায়িত্বের পরিধি কোথায় শেষ হবে এবং কোন বিষয়টি আইনগত বাধ্যবাধকতা, আর কোনটি ব্যক্তিগত ইচ্ছা ও মানবিক সহযোগিতা—তা জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের প্রচলিত পারিবারিক আইন ও ব্যক্তিগত আইন অনুযায়ী, স্বামীর ওপর স্ত্রীর ভরণপোষণের দায়িত্ব থাকতে পারে। বিশেষ করে মুসলিম পারিবারিক আইনের ক্ষেত্রে স্ত্রীর ন্যায্য ভরণপোষণ, দেনমোহর এবং দাম্পত্য অধিকার গুরুত্বপূর্ণ আইনগত বিষয়। তবে স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ের সম্পর্ক স্থাপিত হওয়ার অর্থ এই নয় যে, স্ত্রীর পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের যাবতীয় আর্থিক দায়িত্বও স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্বামীর ওপর বর্তাবে।

স্ত্রীর পরিবারের ভরণপোষণ কি স্বামীর বাধ্যতামূলক দায়িত্ব?

বিয়ের পর একজন স্বামী নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী স্ত্রীর মা, বাবা, ভাই-বোন কিংবা অন্যান্য আত্মীয়কে আর্থিক সহযোগিতা করতে পারেন। তাঁদের চিকিৎসা, খাবার, বাসস্থান কিংবা দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে পাশে দাঁড়ানো নিঃসন্দেহে মানবিক ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। কিন্তু মানবিক সহযোগিতা আর আইনগত বাধ্যবাধকতা এক বিষয় নয়।

সাধারণভাবে স্ত্রীর মা কিংবা বোনের ভরণপোষণ জামাতার স্বয়ংক্রিয় আইনগত দায়িত্ব নয়। স্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের আর্থিক দায়িত্ব তাঁদের নিজস্ব পারিবারিক সম্পর্ক, প্রযোজ্য ব্যক্তিগত আইন এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। অর্থাৎ, একজন পুরুষ চাইলে নিজের উপার্জন থেকে স্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতা করতে পারেন, কিন্তু শুধু বিয়ে করার কারণে তাঁদের সবার নিয়মিত খরচ বহন করা তাঁর বাধ্যতামূলক দায়িত্ব হয়ে যায় না।

স্বামীর আর্থিক সহযোগিতাকে কি স্থায়ী অধিকার হিসেবে দাবি করা যায়?

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আসে। একজন পুরুষ যদি নিজের উপার্জনের অর্থ দিয়ে স্ত্রীসহ তাঁর পরিবারের একাধিক সদস্যের খাবার, চিকিৎসা, বাসস্থান ও দৈনন্দিন খরচ বহন করেন, তাহলে সেই সহযোগিতার প্রতি পরিবারের সদস্যদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত?

অন্তত পারস্পরিক সম্মান, কৃতজ্ঞতা, সহযোগিতা এবং মানবিক আচরণ প্রত্যাশা করা অযৌক্তিক নয়। একজন স্বামী তাঁর সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করছেন বলে তাঁকে অসম্মান করা, তাঁর ওপর সীমাহীন আর্থিক চাপ সৃষ্টি করা কিংবা তাঁর ব্যক্তিগত মর্যাদাকে উপেক্ষা করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

স্বামীর উপার্জন মানেই স্ত্রীর পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের জন্য সীমাহীন আর্থিক অধিকার নয়। তাঁরও ব্যক্তিগত জীবন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, সঞ্চয়, চিকিৎসা এবং মৌলিক প্রয়োজন রয়েছে। তাই কোন খাতে কত টাকা ব্যয় করবেন এবং কাকে কতটুকু সহযোগিতা করবেন—সে বিষয়ে তাঁর মতামত ও সিদ্ধান্তের গুরুত্ব রয়েছে।

আগের দাম্পত্য সম্পর্ক থেকে থাকা সন্তানের ভরণপোষণের দায় কার?

এই আলোচনার সঙ্গে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পারিবারিক ও আইনগত বিষয় যুক্ত রয়েছে। কোনো নারী পূর্বে বিবাহিত ছিলেন এবং সেই দাম্পত্য সম্পর্ক থেকে তাঁর সন্তান থাকলে, পরবর্তী বিয়ের পর ওই সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব কীভাবে নির্ধারিত হবে—এটি জানা জরুরি।

সাধারণভাবে সন্তানের জৈবিক পিতার ওপর সন্তানের ভরণপোষণের আইনগত দায়িত্ব থাকে। প্রযোজ্য ব্যক্তিগত আইন অনুযায়ী সন্তানের খাবার, পোশাক, চিকিৎসা, শিক্ষা ও মৌলিক চাহিদা পূরণের দায়িত্ব নির্ধারিত হয়। শুধু শিশুটির মাকে নতুন করে বিয়ে করার কারণে নতুন স্বামী স্বয়ংক্রিয়ভাবে শিশুটির জৈবিক পিতার আইনগত দায়িত্ব গ্রহণ করেন না।

তবে নতুন স্বামী চাইলে মানবিক বিবেচনায় শিশুটির জীবনযাপন, পড়াশোনা, চিকিৎসা ও ভবিষ্যৎ গঠনে আর্থিক সহযোগিতা করতে পারেন। এটি তাঁর উদারতা ও পারিবারিক সহমর্মিতার পরিচয় হতে পারে। কিন্তু স্বেচ্ছায় সহযোগিতা করা আর আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক দায়িত্ব গ্রহণ করা এক বিষয় নয়। কোনো বৈধ চুক্তি, দত্তক গ্রহণ, আদালতের আদেশ বা বিশেষ আইনগত পরিস্থিতি থাকলে অবশ্য দায়িত্বের বিষয়টি ভিন্ন হতে পারে।

আর্থিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি স্বামীর সম্মান ও নিরাপত্তা কি নিশ্চিত হওয়া উচিত নয়?

একটি সংসারে শুধু অর্থ উপার্জন করাই একজন স্বামীর একমাত্র দায়িত্ব নয়; একইভাবে সংসারের অন্য সদস্যদেরও পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার দায়িত্ব রয়েছে। একজন পুরুষ যদি নিজের উপার্জন দিয়ে স্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেন, তাহলে তাঁকে অবহেলা, অপমান কিংবা শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হবে—এমন কোনো গ্রহণযোগ্য যুক্তি নেই।

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতবিরোধ বা পারিবারিক সমস্যা থাকতেই পারে। কিন্তু গালিগালাজ, অপমান, হুমকি কিংবা শারীরিক আক্রমণ কোনো পক্ষের জন্যই গ্রহণযোগ্য নয়। নারী যেমন নির্যাতনের শিকার হলে আইনি সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার রাখেন, তেমনি পুরুষও নির্যাতনের শিকার হলে তাঁর নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার অধিকার রয়েছে।

আইনগত দায়িত্ব ও মানবিক সহযোগিতার পার্থক্য বোঝা জরুরি

একজন স্বামী তাঁর স্ত্রীর আইনসম্মত ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করবেন—এটি এক বিষয়। অন্যদিকে স্ত্রীর মা, বোন কিংবা অন্যান্য আত্মীয়ের ব্যয় বহন করা তাঁর স্বেচ্ছায় নেওয়া সহযোগিতা হতে পারে। একইভাবে, স্ত্রীর আগের দাম্পত্য সম্পর্কের সন্তানের ক্ষেত্রে জৈবিক পিতার আইনগত দায়িত্ব এবং নতুন স্বামীর স্বেচ্ছায় নেওয়া সহযোগিতাকে আলাদা করে দেখতে হবে।

কোনো ব্যক্তির ওপর আইনগতভাবে যে দায়িত্ব বর্তায়, তা অবশ্যই পালন করতে হবে। কিন্তু অন্যের আইনগত দায়িত্ব নিজের ওপর চাপিয়ে দেওয়া কিংবা একজন মানুষের আর্থিক সহযোগিতাকে সীমাহীন দাবি হিসেবে বিবেচনা করাও ন্যায্য নয়।

দাম্পত্য সম্পর্কের সৌন্দর্য একতরফা আর্থিক নির্ভরতার মধ্যে নয়; বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ন্যায্য দায়িত্ববণ্টন, বিশ্বাস ও মানবিক আচরণের মধ্যে নিহিত। একজন পুরুষ নিজের উপার্জন দিয়ে স্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের পাশে দাঁড়ালে সেটি তাঁর মানবিক উদারতা। কিন্তু সেই উদারতাকে তাঁর ওপর সীমাহীন আর্থিক বোঝা চাপানোর সুযোগ হিসেবে দেখা উচিত নয়।

 

একজন স্বামীর যেমন স্ত্রীর প্রতি আইনগত ও মানবিক দায়িত্ব রয়েছে, তেমনি তাঁরও সম্মান, নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত অধিকার এবং ন্যায্য আচরণ পাওয়ার অধিকার রয়েছে। সংসার কখনোই একজনের উপার্জন আর অন্যদের একতরফা দাবির ওপর টিকে থাকতে পারে না। একটি সুস্থ দাম্পত্য সম্পর্কের ভিত্তি হতে হবে পারস্পরিক সম্মান, ন্যায্যতা, দায়িত্ববোধ এবং মানবিক মূল্যবোধ।

 

জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্যের সঙ্গে, মানুষের পাশে…… 

বিজ্ঞাপন

ইন-আর্টিকেল বিজ্ঞাপন

In-Article Ad Slot | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

সম্পাদক ও প্রকাশক

তৃণমূলের উন্নয়ন, গণমানুষের অধিকার ও বস্তুনিষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বিজ্ঞাপন

নিচের ব্যানার বিজ্ঞাপন

মন্তব্য বিভাগের আগে | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

পাঠকদের মতামত ০টি

মডারেটেড ফোরাম

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন

খবর অনুসন্ধান করুন

জনপ্রিয় সার্চ: অগ্নিঘটনা অন্যান্য... অপরাধ অর্থনীতি ও বানিজ্য