সকাল ১১:৩০:০০
| শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
লোড হচ্ছে...
নামাজ লোড...
বিজ্ঞাপন

হেডার বিজ্ঞাপন স্লট

728×90 Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
নোটিশ
নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা। নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা।
ব্রেকিং নিউজ
বিচার বিভাগে আর্থিক দুর্নীতির চেয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি বেশি ক্ষতিকর: আইনমন্ত্রী খুলনায় ১০ মাসে ৭১ খুন, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই আরও ৬; আতঙ্কে নগরবাসী  অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে সরকারের নতুন উদ্যোগ, নিবন্ধনেই কি থামবে সড়কের নৈরাজ্য? পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা বাড়াচ্ছে উদ্বেগ, ৯ মাসে মামলা ৪৪০টি ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান দিবসে জাসদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত গ্রাম পুলিশের ভাগ্যবদলে প্রধানমন্ত্রীর বড় ঘোষণা, বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা ভাঙ্গায় দুই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রি হচ্ছে নিলামে, মূল্য নির্ধারণ ৩ লাখ ২৭ হাজার টাকার বেশি আজিমপুর সরকারি কলোনি ছাড়তে ভাড়াটিয়াদের নির্দেশ, বিপাকে শিক্ষার্থী ও চাকরিজীবীরা
জেলা-উপজেলা:

দৈনিক ইনফো ও সেটিংস

আজকের তারিখ ও পঞ্জিকা

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

আবহাওয়া ও নামাজের সময়

লোড হচ্ছে...

নামাজ লোড...

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

📍 জেলা ও উপজেলা ফিল্টার

পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা বাড়াচ্ছে উদ্বেগ, ৯ মাসে মামলা ৪৪০টি

বিজ্ঞাপন

শীর্ষ ব্যানার বিজ্ঞাপন

৪১২×৯০ Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা বাড়াচ্ছে উদ্বেগ, ৯ মাসে মামলা ৪৪০টি

হাতকড়া পরানো আসামিও ছিনিয়ে নিচ্ছে সংঘবদ্ধ জনতা, হামলার শিকার হচ্ছেন দায়িত্বের বাইরে থাকা পুলিশ সদস্যরাও

নিজস্ব প্রতিবেদক, জেটিভি নিউজ বাংলা। 

 

দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের ওপর ধারাবাহিক হামলার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গ্রেফতার অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা। কোথাও হাতকড়া পরানো আসামিকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিচ্ছে সংঘবদ্ধ জনতা, কোথাও ভাঙচুর করা হচ্ছে পুলিশের গাড়ি। আবার মিছিল-বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। অপরাধীদের সহযোগী, রাজনৈতিক পরিচয়ধারী ব্যক্তি কিংবা স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতার হামলার পাশাপাশি দায়িত্বের বাইরে থাকা পুলিশ সদস্যরাও রেহাই পাচ্ছেন না।

পুলিশ সদর দফতরের অপরাধ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয় মাসে সারা দেশে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ৪৪০টি মামলা হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ৪৬২টি। অর্থাৎ মামলার সংখ্যা কিছুটা কমলেও সাম্প্রতিক সময়ে হামলার ধরন, প্রকাশ্যে আসামি ছিনিয়ে নেওয়া এবং পুলিশ সদস্যদের গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বরের প্রথম কয়েক দিনে ঘটে যাওয়া কয়েকটি আলোচিত ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও সামনে নিয়ে এসেছে।

পুলিশের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, পুলিশের ওপর হামলা এখন আর শুধু ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান কিংবা সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংঘর্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। নিয়মিত তল্লাশি, মাদকবিরোধী অভিযান, গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং সংঘাত নিয়ন্ত্রণের সময়ও হামলার শিকার হচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা। কোথাও পুলিশ সদস্যদের ঘিরে মারধর করা হচ্ছে, আবার কোথাও সংঘবদ্ধ হামলা চালিয়ে হাতকড়া পরানো আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে পুলিশের তাৎক্ষণিক আইন প্রয়োগের সক্ষমতা ও অভিযানের প্রস্তুতি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

হাতকড়া পরিয়েও আসামিকে রাখতে পারছে না পুলিশ

সর্বশেষ গত ৬ নভেম্বর শুক্রবার বগুড়ার সোনাতলার ফুলবাড়িয়া গ্রামে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে প্রতারণা মামলার এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের পিকআপ ভ্যান ভাঙচুর করা হয়। হামলায় পুলিশের কর্মকর্তাসহ তিন সদস্য আহত হন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। জড়িত থাকার অভিযোগে চার নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে গত ৯ জুন ঢাকার সাভারের বক্তারপুর এলাকায় মাদক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করতে গিয়ে হামলার শিকার হন সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এস এম শামীম এবং সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মশিউর রহমান খান। পুলিশ জানায়, আসামিকে হাতকড়া পরানোর চেষ্টা করলে তার সহযোগীরা ইট ও লাঠি নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি দল হামলায় অংশ নেয় এবং গ্রেফতার আসামিকে ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে মোট ৫৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। পরে পাঁচজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

জুলাই মাসে কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায়ও একই ধরনের ঘটনা ঘটে। সেখানে গ্রেফতার করা এক আসামিকে থানায় নেওয়ার সময় প্রায় ৫০ জনের একটি দল পুলিশের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। চার পুলিশ সদস্যকে মারধর করে হাতকড়া পরানো আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেফতার এবং ৬৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার তথ্য জানায় পুলিশ।

গত ২ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে একাধিক মামলার আসামি আসির মিয়াকে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় তার স্বজন ও সহযোগীরা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেয়। পরে ওই আসামিকে পুনরায় গ্রেফতার করা হয়।

মিছিল-বিক্ষোভ থেকেও হামলার শিকার পুলিশ

গত ৬ নভেম্বর শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)সহ ছয় পুলিশ সদস্য আহত হন। এ ঘটনায় ১৬ নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার বিকেলে হঠাৎ করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা সেখানে মিছিল বের করেন। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মিছিলে বাধা দেয়। এ সময় মিছিলকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। ভাঙচুর করা হয় পুলিশের একটি গাড়িও। এ ঘটনায় পুলিশের ওপর হামলা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে বন্দর থানায় মামলা হয়েছে।

ডেকে নিয়ে নির্যাতন, গুরুতর আহত পুলিশ সদস্য

গত ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের তারাবো পৌরসভার উত্তর মাসাবো এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আবুল কালাম নামে এক পুলিশ সদস্যকে নির্জন স্থানে ডেকে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি পায়ের রগ কেটে দিয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত আবুল কালাম আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্য। তিনি দীর্ঘদিন ধরে উত্তর মাসাবো এলাকায় মাদকবিরোধী অবস্থান নিয়ে আসছিলেন। এলাকায় মাদক কারবারিদের তৎপরতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং মাদক ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনতে সহযোগিতা করায় তিনি বেশ কিছুদিন ধরে হুমকি ও চাপের মুখে ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়েও আক্রান্ত পুলিশ

গত ৩ নভেম্বর রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বর এলাকায় শ্রমিকদের আন্দোলন চলাকালে আন্দোলনকারীদের ছদ্মবেশে থাকা একদল বিশৃঙ্খলাকারী দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের চারদিক থেকে ঘিরে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় লাঠিসোঁটা ও ভারী ইটপাটকেল দিয়ে পুলিশ সদস্যদের মারধর করা হয়। এতে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত হন।

ওই দিন সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে মিরপুর-১১ নম্বর এলাকায় শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে একপর্যায়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনকারীদের আড়ালে থাকা কিছু ব্যক্তি পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। পরে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়।

এদিকে গত সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সাভারের আমিনবাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার উপপরিদর্শক (এসআই) আলতাফ হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি অটোরিকশা গ্যারেজের মালিককে মারধরের প্রতিবাদ করায় হামলাকারীরা আলতাফ হোসেন ও তার ছেলের ওপর চড়াও হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এ ঘটনায় হত্যা মামলা হয় এবং পরে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়।

গত ৯ অক্টোবর ভোররাতে খুলনা মহানগরীর কলেজিয়েট স্কুলের সামনে ছিনতাইকারীদের হামলায় গুরুতর আহত হন পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহ আলম। দায়িত্ব শেষে সাদা পোশাকে রিকশাযোগে বাসায় ফেরার সময় তিন ছিনতাইকারী তার মানিব্যাগ ও দুটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে চাপাতি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। এতে তার দুই হাত গুরুতর জখম হয়।

এ ঘটনার পর রাতে একা চলাচল না করার বিষয়ে পুলিশ সদস্যদের সতর্কতামূলক নির্দেশনা দেয় খুলনা জেলা পুলিশ। পরে নির্দেশনাটি প্রকাশ্যে আসা নিয়ে আলোচনা তৈরি হলে পুলিশ সদর দফতর এর ব্যাখ্যা দেয়।

পুলিশের ওপর হামলার পেছনে কী কারণ?

পুলিশের উপরে আক্রমণ পতিকৃতি ছবি

 

সংশ্লিষ্টদের বিশ্লেষণে পুলিশের ওপর হামলার পেছনে একাধিক কারণ উঠে এসেছে। অপরাধীকে গ্রেফতারের সময় তার সহযোগীদের প্রতিরোধ, সংঘবদ্ধভাবে জনতাকে জড়ো করা, স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বাধা এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য। তবে সব হামলার উদ্দেশ্য কিংবা পরিকল্পনা এক নয়।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা এবং পরবর্তী সহিংসতায় বাহিনীটির ওপর যে প্রভাব পড়েছিল, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট বলে মনে করেন অনেকে। তৎকালীন সরকারবিরোধী আন্দোলনে পুলিশের প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগের কারণে বাহিনীটি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে। সরকার পরিবর্তনের পর পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামো, মনোবল ও জনআস্থায় সংকট তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতি থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসার চেষ্টা চলার মধ্যেই নতুন করে বিভিন্ন স্থানে হামলার মুখে পড়ছেন পুলিশ সদস্যরা।

পুলিশ সদর দফতরের বক্তব্য

পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) সায়েদুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘উচ্ছৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে দায়িত্ব পালন করতেই হয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে পুলিশ অনেক সময় হামলার শিকার হয়। সারা দেশেই এমন ঘটনা ঘটে। বর্তমান সময়েও একটি মহল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে জনগণকে বিভ্রান্ত ও জনজীবনে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটছে। কিন্তু এসব পরিস্থিতি মোকাবিলা করা পুলিশের দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে যারা হামলা বা সহিংসতার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মামলা করা হচ্ছে এবং অভিযুক্তদের বিচারের জন্য আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশকে কঠোর হতেই হয়। পুলিশ অতিরিক্ত নমনীয় হলে অনেক ক্ষেত্রে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আমরা কঠোর অবস্থানেই আছি। তবে কঠোরতা আর নির্মমতা এক বিষয় নয়। আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোনও পুলিশ সদস্যের নির্মম আচরণ কাম্য নয়। আমরা চাই, পুলিশ আইন অনুযায়ী কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করবে, কিন্তু কোনওভাবেই নির্মম হবে না।’

অপরাধ বিশ্লেষকের পর্যবেক্ষণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও অপরাধ বিশ্লেষক ড. তৌহিদুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের ওপর ধারাবাহিক হামলার ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য উদ্বেগজনক। এটি শুধু পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তার বিষয় নয়, বরং রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগের সক্ষমতা ও কর্তৃত্বের সঙ্গেও সম্পর্কিত। অপরাধীরা যখন সংঘবদ্ধভাবে পুলিশের ওপর হামলা চালায় কিংবা আসামি ছিনিয়ে নেয়, তখন সাধারণ মানুষের মধ্যেও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়। এর পেছনে বিচারহীনতার সংস্কৃতি, রাজনৈতিক প্রভাব, পুলিশের প্রতি জনআস্থার সংকট এবং অপরাধীদের বেপরোয়া মনোভাব কাজ করতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এসব ঘটনায় জড়িতদের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে দ্রুত তদন্ত ও দৃশ্যমান বিচার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে পুলিশের পেশাদারত্ব, জবাবদিহি ও জনগণের সঙ্গে আস্থার সম্পর্ক পুনর্গঠন জরুরি। অন্যথায় এ ধরনের ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।’

পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলার সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় কিছুটা কমলেও সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দেখাচ্ছে, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। একই সঙ্গে অপরাধীদের সংঘবদ্ধ প্রতিরোধ, আসামি ছিনিয়ে নেওয়া এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তাও সামনে এসেছে।

 

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্যের সঙ্গে, মানুষের পাশে…… 

বিজ্ঞাপন

ইন-আর্টিকেল বিজ্ঞাপন

In-Article Ad Slot | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

সম্পাদক ও প্রকাশক

তৃণমূলের উন্নয়ন, গণমানুষের অধিকার ও বস্তুনিষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বিজ্ঞাপন

নিচের ব্যানার বিজ্ঞাপন

মন্তব্য বিভাগের আগে | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

পাঠকদের মতামত ০টি

মডারেটেড ফোরাম

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন

খবর অনুসন্ধান করুন

জনপ্রিয় সার্চ: অগ্নিঘটনা অন্যান্য... অপরাধ অর্থনীতি ও বানিজ্য