সকাল ১১:৩০:০০
| বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
লোড হচ্ছে...
নামাজ লোড...
বিজ্ঞাপন

হেডার বিজ্ঞাপন স্লট

728×90 Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
নোটিশ
নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা। নোটিশ স্বাগতম! jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা-এ যুক্ত হতে ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার জরুরি নোট বা নোটিশ প্রকাশ করুন। আপডেট সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন সংবাদ পরিবেশনায় jtvnewsbangla.com জেটিভি নিউজ বাংলা।
ব্রেকিং নিউজ
মিরপুরজুড়ে আতঙ্ক, তিন দিন ধরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে বিপর্যস্ত জনজীবন মিরপুরে তৃতীয় দিনের মতো পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ রাজধানীতে আজ শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী সোলার এক্সপো, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলপিজির বাজারে আবারও আগুন! ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২২৩ টাকা বৃদ্ধি, নতুন দাম ২ হাজার ৬০ টাকা আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভে উত্তাল শিল্পাঞ্চল, কাভার্ডভ্যানে আগুন পোশাকশিল্পে শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন, জড়িত শিল্পমালিকদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামিসা হত্যা মামলার রায় মাত্র ২৮ দিনে, বছরের পর বছর ঝুলে আছে ৪০ লাখের বেশি মামলা মায়ের এক থাপ্পড়ে অভিমান করে পাবনা থেকে ঢাকায় দুই শিশু, সাভারে উদ্ধার হতবাক পুলিশ প্রসাশন
জেলা-উপজেলা:

দৈনিক ইনফো ও সেটিংস

আজকের তারিখ ও পঞ্জিকা

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আবহাওয়া ও নামাজের সময়

লোড হচ্ছে...

নামাজ লোড...

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

📍 জেলা ও উপজেলা ফিল্টার

কুড়িগ্রামে সার বিতরণে চরম বিশৃঙ্খলা, কৃষকের ভোগান্তি বাড়ছেই

বিজ্ঞাপন

শীর্ষ ব্যানার বিজ্ঞাপন

৪১২×৯০ Leaderboard | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

কুড়িগ্রামে সার বিতরণে চরম বিশৃঙ্খলা, কৃষকের ভোগান্তি বাড়ছেই

জেটিভি নিউজ বাংলা | কুড়িগ্রাম | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুড়িগ্রামে সার নিয়ে কৃষকদের ভোগান্তি যেন শেষই হচ্ছে না। একের পর এক অপ্রীতিকর ঘটনায় সার বিতরণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ডিলার পয়েন্টে অতিরিক্ত ভিড়, বিতরণে অব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘ অপেক্ষায় কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে বিব্রত হচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন ও সরকার।

স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাদের অভিযোগ, সার বিতরণে কৃষি বিভাগের ‘একগুঁয়েমি’ ও অবহেলার কারণে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না। স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ, পুলিশ ও সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের দাবি, ডিলারের গুদাম থেকে সরিয়ে ওয়ার্ডভিত্তিক তালিকাভুক্ত খুচরা বিক্রেতাদের মাধ্যমে কৃষকদের মধ্যে সার বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ সেই সিদ্ধান্ত মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হচ্ছে।

ফলে একটি ডিলার পয়েন্টে শত শত কৃষককে একসঙ্গে জড়ো করে সার বিতরণ করা হচ্ছে। এতে বিশৃঙ্খলা ঠেকানো যাচ্ছে না এবং বারবার অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়ার পরও সার নিতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন কৃষকরা। এতে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছে সরকারও।

তবে প্রশাসনের দাবি, সার বিতরণ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের চেষ্টার কোনো ঘাটতি নেই। কৃষি বিভাগের আগ্রহের ঘাটতি ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার অভাবে ওয়ার্ডভিত্তিক সার বিতরণের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হচ্ছে না। এতে স্থানীয় প্রশাসনও বিব্রত।

একের পর এক অপ্রীতিকর ঘটনা

প্রতি সপ্তাহেই কুড়িগ্রামের কোনো না কোনো এলাকায় সার নিয়ে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে। সর্বশেষ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের নতুন অনন্তপুরে ডিলার পয়েন্টে কৃষকদের ব্যাপক ভিড় দেখে ডিলার ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (বিএস) সরে যান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে কৃষকরা সড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। পরে প্রশাসন ও অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এর আগে গত রবিবার কুড়িগ্রাম সদরের ঘোগাদহ ও ভোগডাঙা ইউনিয়নে ডিলার পয়েন্টে সার বিতরণের সময় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। ঘোগাদহে সার বিতরণে বিলম্ব হওয়ায় ডিলারের গুদামের সামনে অপেক্ষমাণ কৃষকরা এক বিএসকে মারধর করে আহত করেন।

তারও আগে গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) নাগেশ্বরী উপজেলার বল্লভেরখাস ইউনিয়নে ডিলারের গুদামে আরেক বিএসকে অবরুদ্ধ করেন কৃষকরা। এ সময় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভও করেন তারা। চার ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর ইউএনও ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই বিএসকে উদ্ধার করেন।

এর একদিন আগে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) চর রাজিবপুর উপজেলার রাজিবপুর বাজারে ডিলারের গুদাম ভাঙচুর করে সার নিয়ে যান ক্ষুব্ধ কৃষকরা।

একই ধরনের ঘটনা ঘটে গত ৭ সেপ্টেম্বর রৌমারীতে এবং ২৩ আগস্ট ভূরুঙ্গামারীতে। ধারাবাহিক এসব ঘটনায় কৃষি বিভাগের সঙ্গে প্রান্তিক কৃষকদের দূরত্ব স্পষ্ট হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সিদ্ধান্ত হলেও মাঠে বাস্তবায়ন নেই

সার নিয়ে একের পর এক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলেও বিতরণ ব্যবস্থায় বড় কোনো পরিবর্তন আনেনি কৃষি বিভাগ। ফলে অনেকটা ভেঙে পড়েছে সার বিতরণ ব্যবস্থা।

কৃষক, স্থানীয় প্রশাসন এবং বিএনপি নেতৃবৃন্দ ডিলারের গুদামের পরিবর্তে ওয়ার্ডভিত্তিক তালিকাভুক্ত খুচরা বিক্রেতাদের মাধ্যমে সার বিতরণের পরামর্শ দিলেও সেটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারছে না কৃষি বিভাগ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সার বিতরণে ধারাবাহিক বিশৃঙ্খলার খবর পেয়ে কুড়িগ্রামে আসেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহীদুল ইসলাম। গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তিনি রৌমারীতে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

পরদিন রবিবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, পুলিশ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বিভাগীয় কমিশনার।

ওই বৈঠকে কৃষকদের সুবিধা এবং সুষ্ঠুভাবে সার বিতরণের স্বার্থে ডিলারের গুদামের পাশাপাশি ওয়ার্ডভিত্তিক নিবন্ধিত খুচরা বিক্রেতাদের মাধ্যমে সার বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তবে বৈঠকে উপস্থিত ব্যক্তিদের ভাষ্য, সম্মেলন কক্ষে নেওয়া সেই সিদ্ধান্ত অনেকটা কক্ষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। মাঠপর্যায়ে তা বাস্তবায়ন হয়নি।

বৈঠক চলাকালীনই কুড়িগ্রাম সদরের ভোগডাঙা, ঘোগাদহ ও হলোখানা ইউনিয়নে ডিলারদের গুদামের সামনে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় এক কৃষি কর্মকর্তা হামলার শিকার হন। এরপরও কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা, তবুও মিলছে না সার

কৃষকদের অভিযোগ, ডিলার পয়েন্টে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও চাহিদা অনুযায়ী সার পাওয়া যাচ্ছে না। বেশিরভাগ কৃষকই প্রয়োজনীয় সার না পেয়ে বাড়ি ফিরছেন। ডিলার পয়েন্টে সার নিতে গিয়ে অনেকে দিনের মজুরি থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন।

কৃষকদের মতে, ওয়ার্ডভিত্তিক খুচরা বিক্রেতাদের কাছে সার সরবরাহ করা হলে তারা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী সার সংগ্রহ করতে পারবেন। এতে এক জায়গায় শত শত কৃষকের ভিড় হবে না এবং ভোগান্তিও কমবে।

মঙ্গলবার উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের পাঁচপীর বাজারে ‘মেসার্স মো. আকবর আলী’ নামে বিসিআইসি অনুমোদিত ডিলার পয়েন্টে গিয়ে দেখা যায়, ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার কৃষক সার নেওয়ার জন্য সেখানে ভিড় করেছেন।

পাঁচজন কৃষকের জন্য এক বস্তা সার দেওয়ার পরও অনেক কৃষক সার না পেয়ে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেন।

ইউনিয়নের যমুনা এলাকার কৃষক রুহুল আমিন বলেন, ‘তিন দিন ঘুরি গেছি। আইজ সার নিবার আসছি। পাই নাই। এলা কবার লাগছে পাঁচ জন লাগবে। পাঁচ ভাইয়ের আইডি কার্ড আনছি। সেটা নাকি হবার নয়। পাঁচ জনকেই লাগবে। এলা ওমরা কি কামলা বাদ দিয়া ১০ সের সারের জন্য আসবে। এগলা তো মারি ফেলার বুদ্ধি করছে। এলা হামার আবাদও শ্যাষ, কামলাও শ্যাষ।’

একই ইউনিয়নের আরেক কৃষক ও অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য সোলজার বলেন, ‘আগে ডিলারের ঘর থেকে সার নিই নাই। এবার এই নিয়ম করে ভোগান্তি বাড়াইছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়ে থাকা লাগে। এভাবে সার নেওয়া সম্ভব? মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। আগে খুচরা দোকানে সার দিতো। মানুষের যার যতটুকু দরকার সেখান থেকে নিত। এখনও সেটাই করা উচিত।’

ডিলারও চাইছেন ওয়ার্ডভিত্তিক বিতরণ

এ বিষয়ে বিসিআইসি সার ডিলার রমজান আলী বলেন, ‘গত বছরও খুচরা বিক্রেতাদের মাধ্যমে সার বিতরণ হয়েছে। এবার শুধু ডিলার পয়েন্টে সার বিতরণ হওয়ায় ইউনিয়নের কৃষকরা এক স্থানে জড়ো হচ্ছেন। এতে বিশৃঙ্খলা দেখা দিচ্ছে। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সার দেওয়ার ব্যবস্থা করলে এমন হতো না।’

উলিপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘ওয়ার্ডভিত্তিক খুচরা বিক্রেতাদের মাধ্যমে সার বিতরণের সিদ্ধান্ত হলেও সেটা চালু হয়নি। শুধু ডিলার গুদাম থেকে সার দেওয়া হচ্ছে।’

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও একইভাবে ডিলার পয়েন্ট থেকে সার বিতরণ করা হচ্ছে।

বিএনপির অভিযোগ, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হচ্ছে না

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, ‘সর্বসম্মতিক্রমে ওয়ার্ডভিত্তিক সার বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেটা অনুসরণ না করায় বিশৃঙ্খলা দেখা দিচ্ছে। এটা কার্যকর করছে না তা বুঝতে পারছি না।’

প্রশাসনের দাবি, কৃষি বিভাগের গাফিলতিতে সমস্যা

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক এবং জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, ‘সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কৃষি বিভাগকে বারবার তাগাদা দেওয়া হচ্ছে। ওয়ার্ডভিত্তিক খুচরা বিক্রেতাদের মাধ্যমে সার বিতরণে বারবার বলা হলেও তারা গড়িমসি করছে। জেলায় মাঠপর্যায়ে তাদের কাজের গাফিলতি ও অনাগ্রহ রয়েছে। সার বিতরণে বিশৃঙ্খলা দেখা দিচ্ছে। এজন্য ডিডিকে বদলিও করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আমরা সমন্বিতভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি। পর্যায়ক্রমে ওয়ার্ডভিত্তিক সার বিতরণ শুরু হচ্ছে।’

কুড়িগ্রামে সার বিতরণ নিয়ে ধারাবাহিক এসব ঘটনায় একদিকে যেমন কৃষকদের ভোগান্তি ও ক্ষোভ বাড়ছে, অন্যদিকে প্রশাসন, কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে সমন্বয় নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ওয়ার্ডভিত্তিক সার বিতরণের সিদ্ধান্ত মাঠপর্যায়ে কত দ্রুত কার্যকর হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

 

জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্য,সাহস,সংযোগ…….

বিজ্ঞাপন

ইন-আর্টিকেল বিজ্ঞাপন

In-Article Ad Slot | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন
রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

রুমন জোয়ার্দ্দার জনি

সম্পাদক ও প্রকাশক

তৃণমূলের উন্নয়ন, গণমানুষের অধিকার ও বস্তুনিষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বিজ্ঞাপন

নিচের ব্যানার বিজ্ঞাপন

মন্তব্য বিভাগের আগে | আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য এক বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

পাঠকদের মতামত ০টি

মডারেটেড ফোরাম

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন

খবর অনুসন্ধান করুন

জনপ্রিয় সার্চ: অগ্নিঘটনা অন্যান্য... অপরাধ অর্থনীতি ও বানিজ্য