প্রশ্ন ফাঁসের শঙ্কা নিয়েই পুনঃপরীক্ষায় অংশ, ক্ষুব্ধ চাকরিপ্রার্থীরা; গ্রেফতার ৭
নিজস্ব প্রতিবেদক | জেটিভি নিউজ বাংলা
সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগের প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে আগের পরীক্ষা বাতিল হওয়ার পর শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) পুনরায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষা শেষে কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে পরীক্ষার্থীরা প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
পরীক্ষার্থীদের প্রশ্ন, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের আশঙ্কায় যদি একজন মন্ত্রীকে রাত জেগে পাহারা দিতে হয়, তাহলে সরকারি চাকরির কোনো পরীক্ষাই সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করা সম্ভব কি না। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেউ যদি প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন, তাহলে নিয়োগ পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা কীভাবে নিশ্চিত হবে, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন তারা।
পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, একবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পর প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এরপর শুক্রবার আবারও একই পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়েছে। এতে তাদের আর্থিক ও মানসিক ক্ষতির পাশাপাশি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের আশঙ্কাও কাটেনি। তাদের মতে, সরকারি চাকরির পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না গেলে এ ধরনের অনিয়ম বন্ধ হবে না।
‘এগুলো তামাশা ছাড়া কিছুই নয়’

চাকরিপ্রার্থী শাকিলা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘একবার করে ফাঁস হবে, আমরা চলে যাবো, রাস্তায় নামবো, আন্দোলন করবো, আরেকবার ডেট দেবে, আবার আসবো; এগুলো তামাশা ছাড়া কিছুই নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘যে দেশে মন্ত্রীরা পরীক্ষার প্রশ্ন পাহারা দেন, সেই দেশের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কতটা সৎ, সেটার কি আবার প্রমাণ দিতে হবে?’
শাকিলা বলেন, ‘আমরা ছাত্র বারবার আসতে তো টাকাও লাগে। এই টাকা কি সরকার দেয়? যে কোনো পরীক্ষারই প্রশ্ন ফাঁস হওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। এই চক্রকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে। ফাঁস হলে তো মেধার মূল্যায়ন হলো না। আমরা মেধার মূল্যায়নের জন্যই তো এত ত্যাগ স্বীকার করলাম। তাহলে পরিবর্তনটা হলো কোথায়?’
পরীক্ষার্থী আবির হোসেন বলেন, ‘কেন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হবে? তাহলে আমরা কি বুঝবো, প্রথমে তারা এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়নি? যখন বিষয়টি সবাই সরব হলো, তখন সরকার কঠোর হলো। এমনকি মন্ত্রী নাকি পরীক্ষার প্রশ্ন পাহারা দিয়েছেন। এটা কেন হবে? আমরা কি আর কোনো দিন ভালো হব না? যারা এর সঙ্গে জড়িত, তাদের শাস্তি চাই। আর কিছু বলার নাই।’
প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় গ্রেফতার ৭

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে গত ১০ অক্টোবর লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরীক্ষার আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় পরীক্ষা বাতিল করা হয়। এ নিয়ে পরীক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনও করেন। পরে কর্তৃপক্ষ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) পুনরায় পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করে।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার রাজধানীর ৯৬টি কেন্দ্রে কয়েক হাজার পরীক্ষার্থী এ পদে নিয়োগের পরীক্ষায় অংশ নেন।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) সাতজনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন—পরিবেশ অধিদপ্তরের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মো. রুবেল ইসলাম (৩৩), চাকরিপ্রত্যাশী মো. মফিজুল ইসলাম (২৩), মো. হাসিনুর রহমান সুজন (৩২), জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) কর্মরত কম্পিউটার অপারেটর এস এম ইমদাদুল ইসলাম (৩৫), প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক আসাদুল ইসলাম (৩৩), এনবিআরের অফিস সহায়ক নূর মোহাম্মদ (৩০) এবং এনবিআরে কর্মরত কম্পিউটার অপারেটর জাহাঙ্গীর (৩৮)।
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এসআরবি-৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন।
তিনি জানান, গ্রেফতার ব্যক্তিদের কাছ থেকে ১০০ টাকার ১১৬টি স্ট্যাম্প, ৫০ টাকার চারটি স্ট্যাম্প, প্রশ্নপত্রের এক সেট, বিভিন্ন পরীক্ষার প্রবেশপত্রের ১৯ পাতা, ১০টি সনদপত্র, বিভিন্ন ব্যাংকের চেকের ৪৮ পাতা ও একটি ব্যাংক চেক, আটটি মোবাইল ফোন, বিভিন্ন ক্যাটাগরির ১৫টি সনদপত্র, ছয়টি জাতীয় পরিচয়পত্র এবং নগদ চার হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
তবে প্রশ্নপত্রের মূল উৎস এখনো শনাক্ত করা যায়নি। গ্রেফতার ব্যক্তিরা ফেসবুকের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র পাওয়ার দাবি করলেও এ বিষয়ে সন্তোষজনক তথ্য দিতে পারেননি। প্রশ্ন ফাঁসের মূল উৎস শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।
৩ লাখ ১৯ হাজার প্রার্থী, শূন্যপদ ২৪২
লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন জানান, গত ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে ২৪২টি শূন্যপদের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এ পরীক্ষায় মোট ৩ লাখ ১৯ হাজার চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেন।
সেদিন বেলা ১১টায় পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল ১০টা ৩ মিনিটে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা স্থগিত করে।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এসআরবি ছায়া তদন্ত শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় ১৪ থেকে ১৬ অক্টোবর রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় গত ১১ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে মতিঝিল থানায় মামলা করা হয়।
যেভাবে গ্রেফতার হন সাতজন
এসআরবি-৩-এর অধিনায়ক জানান, গত ১৪ অক্টোবর মতিঝিল এলাকা থেকে রুবেল ইসলাম, মফিজুল ইসলাম ও হাসিনুর রহমান সুজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরখান এলাকা থেকে ইমদাদুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। একই দিন এসআরবি-৪-এর সহায়তায় মিরপুর-১০ এলাকা থেকে আসাদুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার ব্যক্তিদের মোবাইল ফোনের কথোপকথন ও চ্যাট পর্যালোচনা করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৫ অক্টোবর সাভার এলাকা থেকে নূর মোহাম্মদকে গ্রেফতার করে এসআরবি-৪। পরে তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে ১৬ অক্টোবর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার করা হয়।
ভোর ৪টা ৪৩ মিনিটে প্রথমে প্রশ্নপত্রের অস্পষ্ট ছবি
লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিদের মোবাইল ফোনের চ্যাট পর্যালোচনায় দেখা গেছে, নূর মোহাম্মদ ১০ অক্টোবর ভোর ৪টা ৪৩ মিনিটে একটি সূত্রের মাধ্যমে প্রশ্নপত্রের অস্পষ্ট ছবি পান। পরে সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে জাহাঙ্গীর তাকে প্রশ্নপত্রের একটি স্পষ্ট ছবি পাঠান।
এরপর নূর মোহাম্মদ প্রশ্নের উত্তর প্রস্তুত করে জাহাঙ্গীর ও ইমদাদুলকে পাঠান। পরে চক্রের সদস্য ও তাদের সঙ্গে যুক্ত পরীক্ষার্থীদের কাছে প্রশ্নপত্র ও উত্তর পৌঁছে দেওয়া হয়। এ কাজে আসাদুল, রুবেল, মফিজুল ও সুজন যুক্ত ছিলেন বলে জানানো হয়েছে।
এসআরবি জানিয়েছে, চক্রটির সদস্যরা হোয়াটসঅ্যাপে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে এ ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন।
প্রশ্নপত্রের মূল উৎস এখনো অজানা
সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নপত্রের মূল উৎস সম্পর্কে জানতে চাইলে লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন বলেন, নূর মোহাম্মদকে সকালে যে প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়েছিল, সেটি কে দিয়েছিল, তা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলেও তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি।
তিনি বলেন, নূর মোহাম্মদ ও জাহাঙ্গীর দাবি করেছেন, তারা ফেসবুকের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র পেয়েছেন। তবে তাদের দেওয়া তথ্যকে এখনো নির্ভরযোগ্য বলে মনে করছে না তদন্ত দল। ফেসবুকের যেসব গ্রুপ ও আইডির কথা তারা বলেছেন, সেগুলো যাচাই করা হচ্ছে।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করব, মূল যে জায়গা থেকে এই প্রশ্নটা ফাঁস হয়েছে, সেই তথ্যটা বের করে নিয়ে আসার জন্য।’
তিনি আরও জানান, তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। প্রশ্নপত্রের মূল উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে অনুসন্ধান চলছে।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে এসআরবি-৩-এর অধিনায়ক বলেন, এখন পর্যন্ত যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কারও সম্পৃক্ততা সরাসরি পাওয়া যায়নি। তবে অন্যান্য সরকারি অধিদপ্তরের কর্মচারীদের এ ঘটনায় জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তে আরও তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।
তিনি আরও বলেন, চক্রের একজন সদস্যের কাছ থেকে প্রতারিত হওয়ার পর মফিজুল ইসলাম আরও বেশি অর্থ উপার্জনের আশায় চক্রটির সঙ্গে যুক্ত হন। এ ছাড়া ভর্তি-বাণিজ্যসংক্রান্ত অর্থ লেনদেনের তথ্যও তদন্তে উঠে এসেছে।
ফল প্রকাশ পর্যন্ত তদারকি করবেন প্রতিমন্ত্রী
এদিকে শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এ সময় তিনি জানান, এবারের নিয়োগ পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ফল প্রকাশ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া তদারকি করবেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ছয় সদস্যকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে এ ঘটনায় জড়িত অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সবাইকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে আগের পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার পর এবার এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড ঠেকাতে শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র তৈরি থেকে শুরু করে প্রতিটি কেন্দ্রে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া সচিবালয়ে রাত জেগে নিজে উপস্থিত থেকে তদারকি করেছেন।
আমিনুল হক জানান, কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা শুরু হয়েছে এবং তা সুন্দরভাবে সম্পন্ন হওয়ার পথে রয়েছে। শুক্রবারের প্রাথমিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর শনিবারের মধ্যে ফল প্রকাশের চেষ্টা চলছে।
পরবর্তী সময়ে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষে সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার ২৪২টি পদসহ অন্যান্য শূন্যপদে নিয়োগপ্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।
প্রশ্ন ফাঁস রোধে কঠোর ব্যবস্থা চান পরীক্ষার্থীরা
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় পরীক্ষা বাতিল এবং পুনরায় পরীক্ষা আয়োজনের কারণে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা জোরদার, ফাঁসের মূল উৎস শনাক্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি।
তদন্তের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মূল উৎস ও এর সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে কি না, এখন সেদিকেই নজর চাকরিপ্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট মহলের। একই সঙ্গে নিয়োগপ্রক্রিয়ার বাকি ধাপগুলো কতটা স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
জেটিভি নিউজ বাংলা
সত্যের সঙ্গে, মানুষের পাশে…….
পাঠকদের মতামত ০টি
মডারেটেড ফোরাম